মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেশত, কিন্ত বাবার হাত-পায়ের সাথে কোনকিছু নাই, ব্যাপারটা মনেহয় মোটামুটি সবাই ধরে ফেলেছিল বেশ আগেই।
সেইজন্যই মনেহয় বছরের শুরু থেকে বিভিন্ন কাজে সময় দিয়ে যখন বছরের ঠিক মাঝখান, মানে জুন মাস, তখনই কোন ছুটির দিনে বাপ’কে সময় দেয়া যায় ভাবতে ভাবতেই দুই সপ্তাহ শেষ!
তৃতীয় রবিবারে এসে মনে পড়ে, মাস তো শেষ হয়ে যাচ্ছে, আজই সময় দেই। এ কারনেই মনেহয় “বাবা-দিবস” এর নির্দিষ্ট কোন তারিখ নেই, জুনের তৃতীয় রবিবার ছুটির দিন মনে করে দিবস পালন করে নিলেই হলো।
মা-বাবা দিবসটা যাঁদের সংস্ক্রতির অংশ, তাদের জন্য ব্যাপারটা একটা ঠেকা দেয়া দিবস। আলাদা করে বাবা-মা’র জন্মদিন মনে রাখা বা খোঁজ নেয়ার থেকে দায়মুক্তির দিন হিসেবে এই দিনগুলো তাদের জন্য জরুরী।
নিজে যাঁরা বাবা, তাঁরা নিজেদের সন্তানদের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে, তাদের সময় দিয়ে বড় করুন। আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না, আপনার সন্তান আপনাকে শুধু বাবা দিবসেই স্মরণ করুক, তাইনা?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



