এরপর আমার কি জানি হইয়া গেলো। খাওয়া নাই, ঘুম নাই, টয়লেটে যাওয়া নেই সবকিছুই খালি নাই আর নাই। যেটা রহিয়াছে সেটা শুধু তোমার সাথে মোলাকাতের সপ্নখানি।
সেই দিনখানি কবে আসিবে এই ভাবিয়া অস্থির হইয়া উঠিয়াছি। প্রাইভেট স্যারের বেতন মারিয়া একখানি নীল কালারের ফতুয়া আর কালো জিনস কিনিয়া আনিলাম। বার বার ফেসিয়াল করিয়া এই চাঁদ মুখখানি সূযের মত সুন্দর করিবার চেষ্টা চালাইতে লাগিলাম। অতিপ্রিয় দোস্তের কাছ থেকে একসাথে সব শোধ করিয়া দিবো বলিয়া হাজার দুয়েক টাকাও ধার করিয়া আনিলাম।
হিন্দি রোমান্টিক ফ্লিম দেখা বাড়াইয়া দিলাম। কিভাবে ভালোবাসার কথা বলিতে হইবে কি ভঙ্গি করিতে হইবে কি কালারের কাপড় পড়িতে হইবে ইত্যাদি প্রশিক্ষন চলিতে লাগিলো।
যতই সময় ঘনিয়া আসিতেছে ততই অস্থির লাগিতেছে।আমাকে গ্রহণ করিবেতো? না করিলে আমার কি হইবে?
ব্লগার ভাই/বোনগণ আমার জন্য খাস দিলে দোয়া করিবেন।আমার সামনে এখন দুইটি ঔষধ রহিয়াছে প্রেমগ্রাফি অথবা ছ্যাকামাইসিন। দুইটাই মরণের একটা সুখের মরণ আরেকটা দুঃখের।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







