আজ জঙ্গিবাদ,কাল মিতু হত্যা পরশু রিজার্ভ চুরি ইত্যাদি প্রতিদিন একের পর এক নতুন নতুন গরমাগরম ইস্যু আসবে আর আমরা তারই পিছে পিছে তাড়া করে টকশো,মিডিয়া,সোস্যাল মিডিয়া গরম করতেই থাকবো?এভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করে হয়তো আমরা গোটা জাতি দিনকে দিন মেকী বুদ্ধিজীবী হয়ে যাচ্ছি ঠিকই কিন্তুু আপামর জনসাধারণের স্বার্থ কতটুকু অর্জন করছি?দেশটা কার জন্য?বলা হয়ে থাকে দেশের মালিক জনগণ!অথচো বাস্তবে দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদের গোলাম জনগণ!যেমনঃ যদি বলা হয় এই মুহুর্তে জনগনের সত্যিকারের সুখী,সমৃদ্ধ জীবনের জন্য সবচেয়ে বেশী জরুরি কি দরকার?আমি বলবো অন্যতম জরুরি হলো ন্যায়বিচার!দল,মত নির্বিশেষে যে কোনো গোষ্ঠীর কি এতে কোনো দ্বিমত আছে?আমাদের রাস্ট্রব্যাবস্থা কেন সেই দক্ষতায় পৌঁছাবে না যাতে চুরি,ডাকাতি, খুন,ধর্ষণ বা যে কোনো ধরনের অপরাধ সংঘটিত হোক না কেন অপরাধ ঘটার পর সর্বোচ্চ ছয়মাসের মধ্যে তদন্ত ও বিচারের সকল প্রক্রিয়া শেষে অপরাধের সাজার রায় কার্যকর হয়ে যাবে?কেন একটা বিচারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দশ বছর পেরিয়ে যাবে?আমার মতে এতো জঙ্গিবাদের চেয়েও সাংঘাতিক আতঙ্কের বিষয়!বিচার ব্যাবস্থাকে খেল তামাশা আর অসাধু ব্যাবসায় পরিণত করে রাস্ট্র আমাদের স্লো পয়জনিং করে তিলে তিলে ধ্বংস করছে অথচো সেদিকে কারো নজর নেই এতো বড়ই অদ্ভুত ব্যাপার!সকল মতাদর্শের মানুষ যদি নিজেদের সকল বিভেদ বজায় রেখেই এই একটি জাতীয় স্বার্থে একসাথে চাপ প্রয়োগ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকেই তাহলে কেন এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবেনা?বিষয়টি ভেবে দেখার অনুরোধ করছি সকলকেই!যদি সত্যিই এর গুরুত্ব অনুভব করা যায় তবে আমার সর্বস্ব বাজি রেখে বলতে পারি শুধু জঙ্গিবাদ নয় সকল ধরনের সমস্যার মোকাবেলা করে সমৃদ্ধির পথে বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ!
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৬ রাত ২:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



