আজ বিকাল ৪ টায় আমার বাস টিকিট,
বহু ঝক্কি ঝামেলা করে, কয় পিস টিকেট যোগাড় হয়েছে।
যাত্রী আমি আমার স্ত্রী আমার ছোট ভাই এবং তার এক বন্ধু। আমাদের পাড়াতেই বাড়ী।
এই বার অবশ্য এই ঝামেলা টা আমার ছোট ভাই ই সামলেছে।
না, আমি যে ভাবে প্রতি বার সেহরী খেয়েই রাত ভোরে, গাবতলী টেকনিক্যাল এ যেয়ে লাইন দিয়ে, লাইনের প্রথম ৩ জনের মধ্যে থেকেও পেছনের সিট ম্যানেজ করতাম,
সে এই ভাবে ব্যাপারটা করেনি, রাতে ত দূরে থাক, দিনেও না,
একেবারে সন্ধ্যার সময় যেয়ে টিকেট করে এনেছে।
এই প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা অনেক স্মার্ট। তাকে নাকি কোন লাইন ই ধরতে হয়নি। টিকেট পাওয়া গেছে, আমার স্ত্রী এই সংবাদেই তা থৈ তা থৈ নাচ শুরু করে দিলেন, আমিও একে বারে নাচলাম না তা নয়, তবে মনে মনে।
মনে মনে আরও একটা ব্যাপার চলতে লাগল তা হ্ল, বিনা লাইনে এই ছোকরা টিকিট পেল কিভাবে, তাও দিন শেষে সন্ধা বেলায়...?
তাকে জিগাতেই, জানা গেল, যোগাযোগ, এ নাকি যোগাযোগ এর ফল,
আমি ভাবি তাই ত, এটা ত ফেসবুক যুগ, যোগাযোগ এর যুগ।
তার খেলার মাঠের কোন বড় ভাই, কোন এক পরিবহনের চাকুরে,
সেই দিয়েছে, এই টিকেট।
যাক, আমি খুশি, টিকেট পাওয়া গেছে, কোন ঊৎকোচ ও দিতে হয়নি, আর তাহলে খুশী না হওয়ার কি আছে?
কিন্তু মনের মধ্যে কোথাও একটা খচ খচানী ছিল। এটা আমার পুরনো অভ্যেস,
খুব সহজে আমার কিছু হয় না। কিছু হয়ে গেলেই সন্দেহ হয়, এবার ও হচ্ছে।
গাড়িটা ঠিক ঠাক আসবে ত?
সময় মত ছাড়বে ত?
ছাড়লেও সিট নাম্বার টাম্বার সব ঠিক থাকবে ত?
এমনি নানান অনেক ত?
আর আজ দুপুরে আমার সব ত(?) কে পুর্ণ সমর্থন দিয়ে স্ত্রী জানাল, কাঊন্টার থেকে নাকি ফোন করে জানান হয়েছে, গাড়ি ছাড়তে ১ ঘন্টা দেরী হবে।
তাই একটু দেরী করে আসবেন । সাথে টেনশন করতেও নিষেধ করা হয়েছে। গাড়ি নাকি কোন ক্রমেই সাড়ে ৫টার পর ছাড়বে না।
আগাম এ সব শুনে বুঝতেই পারছেন...।
ভাই সকল আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
রওনা দেয়ার আগেই যখন এই হাল, পথে কি হবে আল্লাহ ই ভাল জানেন।
সবাই কে ঈদ মোবারক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


