সরকার যে দল ই থাক সবসময় কিছুটা দানবীয় আচরন করেই। দুদল ই তা বিভিন্ন সময় করেছে। সরাকার যা করছে তাত দেখতেই পাচ্ছি। ক্ষমতার দাপটে মাঝে মাঝেই খেই হারাচ্ছে তেনারা...যেহতু সরকার তাই অনেক কিছুকেই তারা সরা গ্ঙান করছেন এখন। আর আমজনতা রে ভাবছেন বোকার হদ্দ। যেই আমজনতা সবদিক বিবেচনা করেই গতবার তাদের ভোট দিয়েছিল।
সামনের বার আবার যাতে বিবেচনা করে এই বোকার হদ্দ আমজনতা বিরোধীদের ভোট দিতে না পারে, যাতে কোন বিরোধী ই না থাকে সেই আমলীগ ওরফে সরকার এখন সেই স্বপ্নেই বিভোর।
হরতালের বিরুদ্ধে জনসচেতনতার প্রচার তাই সরকারের পক্ষে যথেষ্টই বলতে হয়। প্রায় সব মানুষের না হলোও বেশীর ভাগেরই মত হরতালের বিপক্ষে। কেননা হরতালের মতন কর্মসূচী বরাবরই পরিত্যাজ্য।
আবার একই সাথে সরকারের ব্যার্থতা হাইলাইট করবার জন্য বিরোধী দলের ভূমিকা অপরিসীম। বলতে গেলে সেটাই তাদের প্রধান কাজ হওয়া উচিত।
এই হরতালকে জনস্বার্থের চেয়ে ব্যাক্তি স্বার্থেই বেশী মনে হচ্ছে।
কেননা যা দেখতে পাচ্ছি -
পুরো বি, এন, পি ই এখন সিদ্ধান্ত হীনতায়। সরকারের ব্যার্থতা থাকবেই এটাই স্বাভাবিক।কিন্তু সেটাকে সামনে নিয়ে আসার দ্বায়িত্ব বিরোধী দলের। সরকার যেসব কাজে ব্যার্থ্ যেমন দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধি, গ্যাস, বিদ্যুৎ এইসবের সংকট, এগুলো উত্তরনের উপায় হিসাবে বি, এন, পি কোনই প্রস্তাব রাখছেনা। কোন বিষয়ে ন্যায্য বা গ্রহন যোগ্য কোন প্রস্তাব দেয়ার পর সরকার যদি তা না শুনত তাহলে বিরোধী রা অবশ্যই জনগনের সমর্থন পেত। জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া যে কোন দলের জন্যই ক্ষতি, তা সরকারী হোক বা বিরোধী দল।
বি,এন,পি'র বেশ কিছু বাঘা বাঘা রাজনিতীবিদ মনে হচ্ছে দলে থেকেও নেই। অনেক কেই ম্যাডামের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখলেও অনেক কেই দেখা যাচ্ছে না।
অনেক কে দেখা গেলেও নিরব দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন অনেকেই শুধুমাত্র জিয়া পরিবার কেন্দ্রিক রাজনিতী করতে নারাজ। বিগত মন্ত্রীদের কেউ কেউ বিভাগীয় রাজনিতী নিয়েই পড়ে রয়েছেন। আর সবচেয়ে করুনা হয় যখন দেখি দেশের একজন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অসহায় হয়ে কাঁদেন।
আজ ম্যাডামের অনেক পেয়ারের লোক, পাইক, পেয়াদা, সচিব, সেপাই যারা তাকে ঘিরে থাকত তারা কেউ কোথ্থাও নেই। সব যার যার ফায়দা লুটে হাওয়া ভবন থেকে হাওয়া।
ভেতরের কথা যাই হোক। জনতার পাশে এসে দাঁড়ানোর এটাই সময়। এলাকা ভিত্তিক, ম্যডাম কেন্দ্রিক বা যুবরাজ কেন্দ্রিক যে রাজনিতীর চর্চা আমরা দেখছি তা খুবই হতাশাজনক। দলের মধ্যে দলাদলি কখনই ভাল নয়। মনে হচ্ছে সরকার যা চাচ্ছে বিরোধীরাও আপনা আপনিই তাই করছে। সব বাধা পেরিয়ে বিরোধী দলকে অতি সত্বর কার্যকরী ভূমিকায় দেখতে চাই। সারা দেশেই জনপ্রিয়, সত্যিকার অর্থেই দেশপ্রমিক হিসেবে মানুষের সামনে আসার এটাই সময়। এই সুযোগ সরকারী দলের রাজনিতীকদের চাইতে বিরোধীদের পক্ষেই বেশী। আর সরকার কি করছে তার জবাবের জন্য আরো আড়াই বছরের অপেক্ষা।
সরকার হন বা বিরোধী দুদল এর জনই বলি..
যাই করুন আমজনতার জীবন যাপন সহজ করার উদ্দেশ্যে করুন।
সবার শেষে ফলাফল আসবে কিন্তু আমজনতার হাত ঘুরেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


