একদা একব্যাক্তি ছিল নাম তার নুরুল হুদা । সবাই তাকে ডাকতো নুরু কানা বলে । সে ছিল এক গ্রামের উচ্চ শিক্ষিত কিন্তু বেকার । তার গ্রামের প্রথম এমএসসি সে । সে চোখে একটু কম দেখতো । আর ছিল নীতিবান । বাবা ছিল না । তার মাও ছিল না । ছিল না তার পকেটে টাকা । দিনে ২বেলা না খেয়ে ১বেলা খেত । ক্ষুধার জ্বালা সইতে না পেরে সে ভ্যান চালাতো । তার সাথের অনেক বন্ধুরা তার থেকে দুরে সরে যেতে লাগলো । সেও মুখবুজে তার বন্ধুদের থেকে দুরে থাকলো । একসময় এমন ছিল তার পকেটে ২ টাকা থাকলে ২টাকায় সে তার বন্ধুদের খাওয়াতো কিন্তু অভাবের সময় বন্ধুদের সে চিনতে ভুল করল না । একদিন সে ভ্যানে চালিয়ে বাসায় ফিরে দেখে তার বাসার ভিতরে কোন আলো নেই । তেল ছিল যা দিয়ে প্রদিপ জ্বলতো তাও শেষ । তার রুমে কিছু কেমিক্যাল ছিল তা দিয়ে অনেক ভেবে ভেবে চাঁদের আলোই লাইট আকারের একটা নতুন উত্ভাবনি লাইট তৈরি করে ফেললো । সেই রাতে সে ঘুমিয়ে পড়লো । সকালে উঠে ভ্যানটা দিয়ে যাবে এমন সময় দেখে ভ্যানের চেইনটা নষ্ট হয়ে গেছে । সে মন খারাপ করে বাসা থেকে বের হয়ে দোকানের সামনে গিয়ে বসে টিভি দেখছে । টিভি তে বিঙ্গান ও প্রযুক্তির একটা খবর চলছে । এমন সময় সে দেখলো অনেক ভারিতে সূর্যের আলোর মাধ্যমে সোলার দিয়ে বিদুত্ চলছে । এমন সময় সে ভাবলো যে তার ভ্যানে সোলার লাগিয়ে সূর্যের আলো দিয়ে ভ্যান চালাবে । কিন্তু সোলারের তো অনেক দাম । সে তার মায়ের দাওয়া একমাত্র আংটিটা বিক্রি করে দিল তাতেও কিছু টাকার ঘারতি । সে এইদিকে ফরমুলা নিয়ে ভাবে আর টাকার জন্যে অনেক বন্ধু অনেক লোকের কাছে ছুটলো কিছুতেই কাজ হলো না । শেষে তার শরীরের রক্ত বিক্রি করে সে সোলার কিনলো এবং তার ফরমুলা কাজে লাগলো । এই ভ্যান চালালো এবং মানুষ দেখে বলল এ এমন কি এইটা তো সবাই পারে । একদা এক বিদেশি তার গ্রামে প্রাচিন নিদশন দেখতে আসে এবং তার ভ্যানে চড়তে গিয়ে দেখে এই অবস্থা । তারপর সে রীতিমত অবাক । তার দেশে কেউ এইরকম জিনিস তৈরি করতে পারেনি সে তৈরি করে ফেললো । বিদেশিটা নুরুর বাসায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রদশন করে । নুরু ভাবলো তাকে নিয়ে গিয়ে খাওয়াবে কি । তারপরও সে তার বাসায় দিয়ে গেল । গিয়ে বিদেশিটা অবাক । তার তৈরি করা জিনিস দেখে তাকে বিদেশ নিয়ে যেত চাইলো কিন্তু দেশকে ভালবাসে বলে নুরু গেল না ।
৩ বছর পর দেশের একমাত্র বিঙ্গানি যিনি আবিষ্কারে নোবেল পেলেন তিনি হলেন নুরু । তিনি তার বক্তব্যে তার গ্রামের মানুষ আর তার বন্ধুদের কথা বললো । তাকে তার বন্ধুরা অনেক সাহায্য করেছে এইটাও বলল ।
আসলে সত্যি বন্ধুদের অনেক অবঙ্গা পাইছি সে । আর এইটাই তার বড় সাহায্য হিসেবে কাজ করেছে ।
পরিশেষে বলতে হয় আমাদের বদ্ধুদের মাঝে অনেক নুরু আছে যারা একদিন নুরু বিঙ্গানি হয়ে যেতে পারে । তাই কাউকে অবঙ্গা না করি । কার মাঝে কি আছে এইটা তো কেউ জানে না ।
৩ বছর পর দেশের একমাত্র বিঙ্গানি যিনি আবিষ্কারে নোবেল পেলেন তিনি হলেন নুরু । তিনি তার বক্তব্যে তার গ্রামের মানুষ আর তার বন্ধুদের কথা বললো । তাকে তার বন্ধুরা অনেক সাহায্য করেছে এইটাও বলল ।
আসলে সত্যি বন্ধুদের অনেক অবঙ্গা পাইছি সে । আর এইটাই তার বড় সাহায্য হিসেবে কাজ করেছে ।
পরিশেষে বলতে হয় আমাদের বদ্ধুদের মাঝে অনেক নুরু আছে যারা একদিন নুরু বিঙ্গানি হয়ে যেতে পারে । তাই কাউকে অবঙ্গা না করি । কার মাঝে কি আছে এইটা তো কেউ জানে না ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৪:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




