জীবন হতে শেখা
রাজ্যের সকল অত্যাচারী যাদুকর এক হয়ে মুছা (আ) এর কোন ক্ষতি করতে সক্ষম হয়নি। তেমনি, ইব্রাহিম (আ) এর পেছনে পরে নমরুদ নিজেরই সর্বনাশ ডেকে এনেছিল। ফেরাউন তার ঔদ্ব্যত আচরনের জন্য পৃথিবীব্যপী আজো সমানতালে ঘৃনিত। বাদ যায়নি হামান, সাদ্দাদ, কারুন'রাও। বাদ যাবেইবা কেন? ওরাতো সব সময় হক্ব আর সত্যের বিরুদ্ধে ইন্ধন যোগাতো। মাত্র আড়াই-তিন শতাব্দি পূর্বের ঘোষটি বেগম, মীর জাফরের কথা আমরা আজো ভুলিনি, ভোলা যায়না। সত্য কথা বলতে, ফেরাউন, নমরুদ, হামান, সাদ্দাদ, ঘোষেটি বেগম আর মীর জাফররা ইতিহাসে যোগ্যতানুযায়ী তাদের স্থান করে নিয়েছে, জনগন উপযুক্তরূপে পুরুষ্কৃত করতে ভুল করেনি।
যা হোক, বর্ণিত প্রসঙ্গের অবতারনা এজন্য যে, "ক্ষমতা কেন্দ্রিক মানসিকতা" যারা পোষন করেন, যারা
সবসময়ই ন্যায়নীতি ভুলে গিয়ে নিজেদের অন্যায় আবদার অন্যের উপর চাপিয়ে দেন, জোর জবরদস্তি, ছলে বা কৌশলে ভাল মানুষগুলোকে (অন্তত যারা ভাল থাকতে চায়) দাবিয়ে রাখতে চান, মাঝেমাঝে ইতিহাসের ঘটনাগুলোয় চোখ বুলানোর পরামর্শ তাদের জন্য রইল। ইতিহাস কখনো ক্ষমা করে না।
অর্থবৃৃত্ত আর লোক দেখানো সুনাম জীবনের উদ্দেশ্য নয়, অন্য কিছু। নীতিহীন ব্যক্তিবিশেষের সুনাম খুব দ্রুত উৎপাদন হয়, ধ্বংস হতেও সময় নেয়না। নীতিহীনকে যারা শ্রদ্ধা-সম্মান করে তারা স্বার্থের জন্য করে, পিছনে কটুকথা বলতে ভাবেনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




