somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে পতাকা ওড়েনি : #বিশ্বকাপ_স্মৃতি

১৩ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


৯৪ বিশ্বকাপ শুরুর মাসখানেক আগেই গা কাঁপিয়ে জ্বর আসে , বিশ্বকাপ জ্বর। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত যোগ হয় ঢাকার আকাশ, যেদিকে তাকাই পতাকা আর পতাকা ।

মনপ্রাণ ঢেলে কল্পনা সাজাই , আমারো একটা পতাকা আছে , ব্রাজিলের পতাকা , একতলা বাসার ছাদে লম্বা বাঁশের ডগায় পতপত করে উড়ছে। প্রাইমারি পড়ুয়া ছেলে এমন অকালপক্কের মত ফুটবলের নেশায় বুঁদ হয়ে পড়ে থাকে কেন, আমার আম্মুর সে হিসাব কিছুতেই মেলে না। পড়াশোনা ছেড়ে দিনরাত নিউজপ্রিন্টে ছাপা বিশ্বকাপ প্রস্তুতির খবর গেলার দায়ে বেশ কয়েক রাউন্ড উত্তম মধ্যমের ভেতর দিয়ে যাবার পর, পতাকার কল্পনা মুখ ফুটে বলার সাহস হয়ে ওঠে না।

পতাকাহীন এই আমার ক্ষুধা মেটে তাই অন্যের পতাকা দেখে। রামপুরা টু মতিঝিল , স্কুলে যাওয়া আসার একটা ঘন্টা আমার ঘাড়টা আকাশের বরাবর ১২০ ডিগ্রী কোণাকুনি হয়ে থাকে, কোণের ব্যাপারে কোন আপোষ নয়। মাঝে মাঝে কেবল ডানে বাঁয়ে রোটেট করে। রাস্তার ধারে যতদূর চোখ যায় আমি পতাকা খুঁজি। এমন করে খুঁজি যেন একটিও চোখ না এড়ায়। দেখি , আর গুনি, আশি , সাতাশি , বিরানব্বই ব্রাজিলের পতাকা নাকি আর্জেন্টিনার পতাকা কোনটা বেশি , কোনটা বেশি ? চঞ্চল মনের ভাবখানা এমন যেন ব্রাজিলের পতাকা বেশি হলে বিশ্বকাপে এক্সট্রা ৩ টা পয়েন্ট মিলে যাবে , পতাকার খেলায় যে জিততেই হবে। কিন্তু মনে হয় ব্রাজিল সামান্য পিছিয়েই থাকে। খায়েশের শেষ অবশ্য এখানেই শেষ নয়, মনের তীব্র দাবী মানুষকে অন্য দেশের পতাকাও ওড়াতে হবে, নয়ত বিশ্বকাপের মাহাত্ম কোথায় (আমি অবশ্য ব্রাজিলই থাকব) । পূর্ব রামপুরা গলির শুরুর দিকে এক বারান্দায় জার্মানির পতাকা ঝোলে , দলটাকে তখন দেখতে পারি না , কিন্তু পতাকাটা ভাল লাগে। ভাল লাগার আরেক দল ইতালির হয়ত গোটা দশেক আর ক্যামেরুনের গোটা বিশেক (৯০ এর ক্যামেরুনের অবসেশন) পতাকা এদিক ওদিক চোখে পড়ে, ব্যস এত টুকোই।

৯৮ বিশ্বকাপ যখন দুয়ারে তখন হাইস্কুলে পড়ি , একতলা বাড়িটা বেড়ে চারতলা হয়েছে , ছাদে উঠে ঠিক পুরনো দিনের মতই দিগন্ত এফোঁড় ওফোঁড় করে পতাকা গুনি। শুধু গুনেই ক্ষান্ত দিই না, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখি। বেশির ভাগ ব্রাজিলের পতাকার তো অনুপাতটা অদ্ভূত করে বানানো, পুরোটা সবুজের মাঝে ছোট একটু হলুদ , তারও মাঝে ডটের মত ছোট একটা নীল , আহারে পতাকাগুলোর কি হাল টাই না করেছে দর্জিরা । অবশ্য সান্ত্বনা হল আর্জেন্টিনার পতাকার সূর্যটা , কারো সাধ্য নাই ঐ সূর্যটা বানায় । সবাই তাই ডেকোরেটরের কাপড় কেটে আকাশি -সাদা স্ট্রাইপেই খালাস। সহস্র ব্রাজিল -আর্জেন্টিনার মাঝে হাতে গোনা কিছু জার্মানি , ইতালি , নাইজেরিয়া। এদের পতাকাগুলো সহজ , তাই ভুল নেই।

বার্গক্যাম্পের ম্যাজিকে আর্জেন্টিনা বিদেয় হয়ে যাবার পর বাঁদিকের বাড়ির ছাদে সাদা-আকাশি নেমে হঠাৎ করেই ফ্রান্সের পতাকা উদয় হয়। বেশ বেশ ! ডাইভার্সিটি , ভাল লাগে ফ্রান্সকে দেখে , নতুন একটা রংয়ের পতাকা উড়ল, আবার হাসিও পায় , হেহে , পল্টি মেরেই তবে না ফ্রান্স । তারপর ফাইনাল হয় , ছয় মাস এক বছর হয়ে যায় , ফ্রান্সের পতাকাটা নামে না , যতবার মনের ভুলে চোখ পড়ে ভেতরটা চিনচিন করে ওঠে । শেষমেশ কালবোশেখির ছোবলে পতাকাটা ছিঁড়ে হারিয়ে যায় , নামিয়ে দিয়ে যায় বুকে চাপানো পাথর।

২০০২ এর বিশ্বকাপটা একদম এইচএসসি পরীক্ষার মাঝে, পরীক্ষার কারণে খেলা মিস হয় না যদিও, কিন্তু নির্বিঘ্নে খেলা দেখতে দেয়ার কৃতজ্ঞতায় পতাকা ওড়ানোর বাড়াবাড়িটা আর করিনা। ২০০৬ টার বেশিরভাগ খেলা দেখা হয় রশীদ হলে বসে , তাই বাসায় পতাকাটা এবারো আর কেনা হয় না। কিন্তু ছোট বেলার অভ্যেসটা যায় না , সুযোগ পেলেই পতাকা দেখি, ঢাকার আকাশে বাতাসে উৎসবের আমেজটা দোলা দিয়ে যায়। তীতুমীর নাকি শেরে বাংলা ? যতবার ঢাউস সাইজের ব্রাজিল আর্জেন্টিনা জার্মানির পতাকাটা দেখি আপনাই স্ট্রেস হরমোনের তুমুল নিঃসরণ টের পাই।

অবশেষে আসে ২০১০ , নিজের স্বাধীনমত পতাকা কেনার সুযোগের বছর। পিউরিটান আমি পতাকা খুঁজি , মাপে ঝোঁকে ঠিক হতে হবে , রংয়ের হেরফের চলবে না , মাঝের নীল গোল্লায় তারার সংখ্যা ভুল হওয়া চলবে না, Ordem O Progresso লেখা ছাড়া তো পতাকা কেনার প্রশ্নই ওঠে না। সপ্তাহ দুয়েক কেটে যায় , কিন্তু আসল পতাকার খোঁজ পাই না। শেষমেশ যেদিন কিনি , সেদিনই কোয়ার্টার ফাইনাল , শেষ বেলায় বাঁশের ডগায় চড়িয়ে বাঁশ দাঁড় করাতেই মাঝ বরাবর পচা বাঁশ ভেঙে দু'টুকরো হয়ে যায়। থাক তাহলে! হল্যান্ডের সাথে না হয় কাল সকালেই ওড়াবো , এই যে ভাবনা , ভাবনাই রয়ে যায় , জেতার সকালটা আর আসে না।

১৪ সালে টেক্সাসের অফুরন্ত নীল আকাশ দেখে ঢাকার কথা খুব মনে পড়ে , কে জানে কোন কোণে পড়ে আছে শৈশবের আরাধ্য, না ওড়ানো পতাকা?

১৮ সাল এসে গেল, ছোটবেলার পতাকার উত্তেজনার স্মৃতিটা আবছাভাবে এখনো ছুঁয়ে যায়। প্রিয় বাংলাদেশ, জুন-জুলাইয়ের আকাশ এখনো কি রঙে রঙে ভরে ওঠে ?৯৪ বিশ্বকাপ শুরুর মাসখানেক আগেই গা কাঁপিয়ে জ্বর আসে , বিশ্বকাপ জ্বর। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত যোগ হয় ঢাকার আকাশ, যেদিকে তাকাই পতাকা আর পতাকা ।

মনপ্রাণ ঢেলে কল্পনা সাজাই , আমারো একটা পতাকা আছে , ব্রাজিলের পতাকা , একতলা বাসার ছাদে লম্বা বাঁশের ডগায় পতপত করে উড়ছে। প্রাইমারি পড়ুয়া ছেলে এমন অকালপক্কের মত ফুটবলের নেশায় বুঁদ হয়ে পড়ে থাকে কেন, আমার আম্মুর সে হিসাব কিছুতেই মেলে না। পড়াশোনা ছেড়ে দিনরাত নিউজপ্রিন্টে ছাপা বিশ্বকাপ প্রস্তুতির খবর গেলার দায়ে বেশ কয়েক রাউন্ড উত্তম মধ্যমের ভেতর দিয়ে যাবার পর, পতাকার কল্পনা মুখ ফুটে বলার সাহস হয়ে ওঠে না।

পতাকাহীন এই আমার ক্ষুধা মেটে তাই অন্যের পতাকা দেখে। রামপুরা টু মতিঝিল , স্কুলে যাওয়া আসার একটা ঘন্টা আমার ঘাড়টা আকাশের বরাবর ১২০ ডিগ্রী কোণাকুনি হয়ে থাকে, কোণের ব্যাপারে কোন আপোষ নয়। মাঝে মাঝে কেবল ডানে বাঁয়ে রোটেট করে। রাস্তার ধারে যতদূর চোখ যায় আমি পতাকা খুঁজি। এমন করে খুঁজি যেন একটিও চোখ না এড়ায়। দেখি , আর গুনি, আশি , সাতাশি , বিরানব্বই ব্রাজিলের পতাকা নাকি আর্জেন্টিনার পতাকা কোনটা বেশি , কোনটা বেশি ? চঞ্চল মনের ভাবখানা এমন যেন ব্রাজিলের পতাকা বেশি হলে বিশ্বকাপে এক্সট্রা ৩ টা পয়েন্ট মিলে যাবে , পতাকার খেলায় যে জিততেই হবে। কিন্তু মনে হয় ব্রাজিল সামান্য পিছিয়েই থাকে। খায়েশের শেষ অবশ্য এখানেই শেষ নয়, মনের তীব্র দাবী মানুষকে অন্য দেশের পতাকাও ওড়াতে হবে, নয়ত বিশ্বকাপের মাহাত্ম কোথায় (আমি অবশ্য ব্রাজিলই থাকব) । পূর্ব রামপুরা গলির শুরুর দিকে এক বারান্দায় জার্মানির পতাকা ঝোলে , দলটাকে তখন দেখতে পারি না , কিন্তু পতাকাটা ভাল লাগে। ভাল লাগার আরেক দল ইতালির হয়ত গোটা দশেক আর ক্যামেরুনের গোটা বিশেক (৯০ এর ক্যামেরুনের অবসেশন) পতাকা এদিক ওদিক চোখে পড়ে, ব্যস এত টুকোই।

৯৮ বিশ্বকাপ যখন দুয়ারে তখন হাইস্কুলে পড়ি , একতলা বাড়িটা বেড়ে চারতলা হয়েছে , ছাদে উঠে ঠিক পুরনো দিনের মতই দিগন্ত এফোঁড় ওফোঁড় করে পতাকা গুনি। শুধু গুনেই ক্ষান্ত দিই না, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখি। বেশির ভাগ ব্রাজিলের পতাকার তো অনুপাতটা অদ্ভূত করে বানানো, পুরোটা সবুজের মাঝে ছোট একটু হলুদ , তারও মাঝে ডটের মত ছোট একটা নীল , আহারে পতাকাগুলোর কি হাল টাই না করেছে দর্জিরা । অবশ্য সান্ত্বনা হল আর্জেন্টিনার পতাকার সূর্যটা , কারো সাধ্য নাই ঐ সূর্যটা বানায় । সবাই তাই ডেকোরেটরের কাপড় কেটে আকাশি -সাদা স্ট্রাইপেই খালাস। সহস্র ব্রাজিল -আর্জেন্টিনার মাঝে হাতে গোনা কিছু জার্মানি , ইতালি , নাইজেরিয়া। এদের পতাকাগুলো সহজ , তাই ভুল নেই।

বার্গক্যাম্পের ম্যাজিকে আর্জেন্টিনা বিদেয় হয়ে যাবার পর বাঁদিকের বাড়ির ছাদে সাদা-আকাশি নেমে হঠাৎ করেই ফ্রান্সের পতাকা উদয় হয়। বেশ বেশ ! ডাইভার্সিটি , ভাল লাগে ফ্রান্সকে দেখে , নতুন একটা রংয়ের পতাকা উড়ল, আবার হাসিও পায় , হেহে , পল্টি মেরেই তবে না ফ্রান্স । তারপর ফাইনাল হয় , ছয় মাস এক বছর হয়ে যায় , ফ্রান্সের পতাকাটা নামে না , যতবার মনের ভুলে চোখ পড়ে ভেতরটা চিনচিন করে ওঠে । শেষমেশ কালবোশেখির ছোবলে পতাকাটা ছিঁড়ে হারিয়ে যায় , নামিয়ে দিয়ে যায় বুকে চাপানো পাথর।

২০০২ এর বিশ্বকাপটা একদম এইচএসসি পরীক্ষার মাঝে, পরীক্ষার কারণে খেলা মিস হয় না যদিও, কিন্তু নির্বিঘ্নে খেলা দেখতে দেয়ার কৃতজ্ঞতায় পতাকা ওড়ানোর বাড়াবাড়িটা আর করিনা। ২০০৬ টার বেশিরভাগ খেলা দেখা হয় রশীদ হলে বসে , তাই বাসায় পতাকাটা এবারো আর কেনা হয় না। কিন্তু ছোট বেলার অভ্যেসটা যায় না , সুযোগ পেলেই পতাকা দেখি, ঢাকার আকাশে বাতাসে উৎসবের আমেজটা দোলা দিয়ে যায়। তীতুমীর নাকি শেরে বাংলা ? যতবার ঢাউস সাইজের ব্রাজিল আর্জেন্টিনা জার্মানির পতাকাটা দেখি আপনাই স্ট্রেস হরমোনের তুমুল নিঃসরণ টের পাই।

অবশেষে আসে ২০১০ , নিজের স্বাধীনমত পতাকা কেনার সুযোগের বছর। পিউরিটান আমি পতাকা খুঁজি , মাপে ঝোঁকে ঠিক হতে হবে , রংয়ের হেরফের চলবে না , মাঝের নীল গোল্লায় তারার সংখ্যা ভুল হওয়া চলবে না, Ordem O Progresso লেখা ছাড়া তো পতাকা কেনার প্রশ্নই ওঠে না। সপ্তাহ দুয়েক কেটে যায় , কিন্তু আসল পতাকার খোঁজ পাই না। শেষমেশ যেদিন কিনি , সেদিনই কোয়ার্টার ফাইনাল , শেষ বেলায় বাঁশের ডগায় চড়িয়ে বাঁশ দাঁড় করাতেই মাঝ বরাবর পচা বাঁশ ভেঙে দু'টুকরো হয়ে যায়। থাক তাহলে! হল্যান্ডের সাথে না হয় কাল সকালেই ওড়াবো , এই যে ভাবনা , ভাবনাই রয়ে যায় , জেতার সকালটা আর আসে না।

১৪ সালে টেক্সাসের অফুরন্ত নীল আকাশ দেখে ঢাকার কথা খুব মনে পড়ে , কে জানে কোন কোণে পড়ে আছে শৈশবের আরাধ্য, না ওড়ানো পতাকা?

১৮ সাল এসে গেল, ছোটবেলার পতাকার উত্তেজনার স্মৃতিটা আবছাভাবে এখনো ছুঁয়ে যায়। প্রিয় বাংলাদেশ, জুন-জুলাইয়ের আকাশ এখনো কি রঙে রঙে ভরে ওঠে ?
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৪
৮টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বুদ্ধিমান হোন, সঠিক কাজটি করুন!!!!

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ২৫ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:০৮



দক্ষিন স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চল।

এপ্রিলের ১৫ তারিখে এক সপ্তাহের জন্য এসেছি; গ্রানাডা, কর্ডোবা আর মালাগার রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছি। লোকাল কুইজিনের স্বাদ নিচ্ছি। বিশ্বখ্যাত স্থানগুলো ঘুরে দেখছি............পুরাই চিল মুডে। এলাকাগুলোকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোরবানি: তাকওয়া না লৌকিকতা?— একটি ব্যক্তিগত অনুভুতি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৭

শুরুতেই একটি বিষয় স্পষ্ট করে নেওয়া ভালো, আমি কোনো ইসলামিক স্কলার নই। ধর্মতত্ত্ব বা শরিয়তের সূক্ষ্ম ব্যাখ্যা দেওয়ার মতো গভীর জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য কোনোটিই আমার নেই। আমি এ সমাজের একজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২২)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৫ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬



সূরাঃ ২২ হাজ্জ, ৭৮ নং আয়াতের অনুবাদ
৭৮। আর জিহাদ কর আল্লাহর পথে যেভাবে জিহাদ করা উচিত। তিনি তোমাদেরকে (জিহাদের জন্য) মনোনীত করেছেন।তিনি দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন কঠোরতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু মাকেই মনে পড়ে

লিখেছেন আকিব হাসান জাভেদ, ২৫ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:২০

মা মারা গেলো,
সেদিন থেকে আর কেউ খবর নেয়নি।
বাবা বিয়ে করলেন,
বাবাও আর খবর রাখলেন না।
আমার একটাই বোন,
সেও কোনোদিন খোঁজ নেয়নি।
রাস্তায় থেকেছি,
কেউ খবর রাখেনি।
না খেয়ে থেকেছি,
তবুও কেউ খোঁজ নেয়নি।
রাতে ঘুমানোর জায়গা ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই ২০২৬ সালে এসেও দেশে জেলখানা রাখার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২৫ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৯

দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রায় ৪ মাস হতে চলছে, এর আগে দীর্ঘ ১৭ বছরের আওয়ামী ফ্যাসিবাদি শাসন ব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক খ্যতিসম্পন্ন্য নোবেল বীজয়ী ড: ইউনুস শতভাগ জনসমর্থন নিয়ে সরকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×