somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কেয়ারটেকার!!

০৩ রা নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অন্য সাইটে এই লেখাটা পড়ছি। শেয়ার না কইরা পারলাম না। এই খানে এইটা কেউ আগে পোষ্ট কইরা থাকলে পুনঃপোষ্টের জন্য দুঃখিত।
________________________________

ভোদাই আমার দীর্ঘকালের বন্ধু৷ শৈশবে একবার কাঁটালবৃক্ষ হইতে পড়িয়া গিয়া মস্তকে চোট পাইয়াছিলো৷ ঐ ঘটনার পর হইতে ভোদাই কিছু বিষয়ে কাঁচা রহিয়া গিয়াছে৷ মাঝে মাঝে আমার নিকটে আসে পাকিবার দুরাশায়৷ আমি কার্বাইড নহি, তবু তাহাকে পাকাইবার চেষ্টা করি যথাসাধ্য৷ কিয়ত্‍কাল পাকিয়া থাকিবার পর আবারও সে যেমন ছিলো তেমন হইয়া পড়ে৷ তবু আমি চেষ্টার ত্রুটি করি না৷ হাজার হউক সে আমার মিত্র৷

গতকাল ভোদাই আসিয়া শুধাইলো, "আচ্ছা মুখা, কেয়ারটেকার সরকার কী?"

আমি তাহাকে বিশদ বুঝাই৷

ভোদাই বুঝিতে পারে না৷ কহে, "বড় শক্ত ঠেকিতেছে৷ একটু জল করিয়া বল৷"

আমি একটু জল করিবার চেষ্টা করি৷ ভোদাই আর কিছু না বুঝুক, সে আদিরস ও গালাগালিতে পক্ক৷ বলি, "সরকার তো বুঝিয়াছ?"

সে মাথা নাড়ে, কহে, "হাঁ৷"

আমি বলি, "কোন সরকার যখন আসে, দেশের কপাল ভালো থাকিলে ৫টি বছরের জন্য আসে, তাহা তো জান?"

ভোদাই বলে, "হাঁ, তাহা কে না জানে?"

আমি বলি, "বাহ বেশ৷ তো, সরকার আসিয়াই দেশটাকে যাকে বলে !@#নের উপরে রাখে, তাহা জান তো?"

ভোদাই বলে, "তাহা না জানিবার কী আছে? সরকার আসিয়া দেশকে !@#নের উপর রাখিবে, ইহাই তো দস্তুর৷"

আমি বলি, "বাহ বাহ বেশ! তো, ৫ বছর একনাগাড়ে যদি কাউকে !@#নের উপর রাখা হয়, তাহার তো সেবাশুশ্রুষা দরকার, নাকি?"

ভোদাই বলে, "হাঁ বিলকুল! সেবা না করিলে তো সে মরিবে! বাস রে, ৫ বছর? তাও একনাগাড়ে?"

আমি বলি, "তো ঐ সেবাশুশ্রুষাকেই ম্লেচ্ছ ভাষায় কেয়ারটেকিং বলে৷ সরকারের !@#নের ফলে দেশের গায়ে যেসব ক্ষত সৃষ্টি হয়, উহার নিরাময় করিবার জন্যই কেয়ারটেকার সরকার পাঠাইতে হয়৷"

ভোদাই এইবার হাসিয়া ফেলে৷ বলে, "বাহ বেশ সিস্টেম করিয়াছে৷ !@য়া মারিয়া টিস্যু দান৷ ৫ বছর রামকোপ দিয়া উহার পরে সেবা করিতে কেয়ারটেকার পাঠানো৷ খাসা বুদ্ধি৷"

আমি স্বস্তির শ্বাস ফেলি৷ যাক, ভোদাইটা বুঝিয়াছে৷

বাস্তবিক, ভোদাই কিছু অতিরিক্তই বুঝিয়া ফেলে পাকিবার সময়৷ সে চোখ টিপিয়া বলে, "কেয়ারটেকার নিজে কোন সুযোগ গ্রহণ করে না? মানে রক্ষক ভক্ষক হইতে পারে না? আমি হইলে কিন্তু পয়লা সুযোগেই মেয়েটিকে একদম ইয়ে করিয়া ছাড়িতাম!"

আমি চটিয়া গিয়া বলি, "মেয়ে আসিলো কোথা হইতে? দেশ নিয়া কথা হইতেছে?"

ভোদাই থতমত খাইয়া বলে, "না মানে ঐ আর কী ...৷"

আমি ফোঁস করিয়া শ্বাস ফেলি, কিন্তু ভোদাই দমে না, কতক ভাবিয়া বলে, "আচ্ছা দেশ তো মাতৃভূমি৷ মাতৃভূমিকে !@#নের উপর রাখে যে, সে তো মাদার!@# একটা!"

আমি সায় দেই৷ ভোদাই খেপিয়া যায়৷ বলে, "তাহা হইলে শুনিতেছি, এই কেয়ারটেকার নাকি আবার আরেক সরকারের হাতে দেশকে তুলিয়া দিবে, কথা সত্য নাকি?"

আমি বলি, "হাঁ, সেরকমই নিয়ম বটে৷"

ভোদাই খেপিয়া উঠে৷ কহে, "এ কী বাটপারি তবে? সেবা করিয়া চাঙ্গা করিয়া ফের তাহাকে ৫ বছর !@#নের মুখে ফেলিয়া দেয়া? মজা পাইয়াছ? আমি ইহা হইতে দিবো না৷ ইঁট দিয়া বাড়ি মারিয়া মাথা ফাটাইয়া ফেলিবো ... একদম ...!" বলিতে বলিতে সে বেগে প্রস্থান করিলো৷

আমি চিন্তিত হইয়া পড়িলাম, তবে বেশি মাথা ঘামাইলাম না৷ ভোদাই বাঙালি৷ সে যত গর্জায় তত বর্ষায় না৷
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×