somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দালাল আইনে যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করা হয়নি।

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর দোসর - যারা সুস্পস্ট যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত, তাদের স্বাধীনতা পরবর্তী সরকার কর্তৃক ক্ষমা করা হয়েছে - এটা একটা মিথ্যা প্রচারনা ছাড়া কিছুই নয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার ২৪ শে জানুয়ারী ১৯৭২ এ প্রনীত "Bangladesh Collaborators (Special Tribunals)" (বিশেষ দালাল আইন ১৯৭২) এর মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করে। একই বছর অধ্যাদেশটি পরিবর্তন করা হয় - যাতে সুস্পস্ট ভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা গোস্ঠী যারা গনহত্যা, মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড, পুরুষ, নারী বা শিশুদের নির্যাতন, সম্পত্তি ধংস করার সাথে জড়িত এবং পাকিস্থানী সৈন্যদের সহায়তা করেছে তাদের বিচারে আওতায় আনা হয়।

এই অধ্যাদেশের অধীনে ১১টি ট্রাইবুনাল গঠনের প্রক্রিয়া এবং কার্যক্রম বর্ননা করা হয় - যা মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি প্রদান করা যাবে।

সরকার ১৯৭৩ সালের জুলাই ২০ তারিখে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী (ট্রাইবুনালস) এক্ট পাশ করে - যাতে পাকিস্থানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে অধীনে আনা যায়।

১৯৭৩ সালের নভেম্বর ৩০ এ সরকার একটি সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করে - যাতে করে যাদের বিরুদ্ধে সুস্পস্ট যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নেই তারা স্বাভাবিক জীবন শুরু করতে পারে এবং জাতি গঠনে অবদান রাখতে পারে।
সেই আদেশে সুস্পস্ট ভাবে বলা হয়েছে - "Those who were punished for or accused of rape, murder, attempt to murder or arson will not come under general amnesty."

সেই সময় আটক থাকা সন্দেহভাজন যুদ্ধাপরাধীর মধ্যে প্রায় ৩৭,০০০ জনের মধ্যে প্রায় ২৬,০০০ সাধারন ক্ষমার অধীনে ছাড়া পেয়ে যায়।

প্রায় ১১,০০০ তখন সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচারাধীন ছিল। জেনারেল জিয়াউর রহমান সামরিক অধ্যাদেশ দিয়ে (ডিসেম্বর ৩১, ১৯৭৫) কে সংশোধন করে নতুন আদেশ জারী করে যার বদৌলতে সেই বিচারাধীন ১১,০০০ যুদ্ধাপরাধী ছাড়া পেয়ে যায়।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×