ভোদাইর বন্ধু রফিক পুলিশে চাকরি করে; আছে ডিবি হেড অফিসে। রাতে বাসায় ফেরার পর ভোদাই তার বন্ধুকে ফোন দিলো
ভোদাই : কী রে, তোরা না কি সরকারের কনডম?
বন্ধু : কী কস?
ভোদাই : না, আমার কাছে মনে ঐলো সরকার তগোরে কনডমের মতো ব্যবহার করতাছে। পুলিশের সাধারণ, অস্ত্রধারী, দাঙ্গা, ডিবি, বিজিবি—সবার অহন একটাই কাম : বিরোধীগো মারো। আওমী লীগ যে নিজেগো প্রটেকশনের লাইগা তগোরে ব্যবহার করতাছে, এইডা তরা বুঝতাছোছ? জনগণ কিন্তু তগো উপরে চরম খ্যাপা খ্যাপতাছে। তুই তো আর রাস্তাঘাটে-বাসে পাবলিকের লগে কতা কছ না, এগুলা জানোছ না। ব্যবহারের পর কনডম য্যামনে ফালায়া দেয়, তগোরেও অমনে পাবলিকের মুখে ঠেইলা ফালাইবো।
বন্ধু : ক, তর যা মন চায়, কইতে থাক। আমরা তো আর মানুষ না; পুলিশ। আমগো হেলমেট, চেস্টগার্ড, বুট, ঢাল--এগুলি ঠেইলা কোনো কিছুই ঢুকতে পারে না।
ভোদাই : কনডম কওনের আরো কারণ আছে।
বন্ধু : কী, ক।
ভোদাই : স্পার্ম তো একটা মাইনষের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। তোরাও কী সুন্দর সরকারী দলের মিত্যা কওনের অভ্যাসটা রপ্ত করছোছ! আগে জানতাম তরা খালি মিত্যা মামলা সাজাইতে ওস্তাদ। অহন তো দেহি খাড়ার উপরে মিত্যা কছ। কাইলকা মেহেদী সাব কী সুন্দর কইলো জামাত-শিবির আইয়া বম মারছে আমগো উপরে; এল্লাইগা আমরা বিএনপিরে গুল্লি করছি। দোছ, কার উপরে পড়লো রে বমডা? তগো মেহেদী সাবরে একটা সেন্টার খুলতে কইছ। ‘খাড়ার উপরে মিত্যা কওন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




