মৃত্যু কার কখন এবং কিভাবে হবে তা কেউ জানে না। যুদ্ধ অপরাধীরা জানতেন না যে ২০১৫ সাল তাদের জন্য ভয়াবহ এবং শেষ সাল ।যদি জানতেন এতো কষ্ট দিয়ে ফাঁসির মঞ্চে ঝুলিয়ে তাদের জীবনের অবসান ঘটাবে তবে মনে হই না উনারা ১৯৭১ সালে এমন কাজটি করতেন না।
আমি মনে করি ভাগ্যে যা আছে সেটাই ঘটবে তবে প্রত্যেক কর্মের ফল তো ভোগ করতেই হবে। আর কিছুক্ষন পর একই মঞ্চে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হবে এবং বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় কারাগারের একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যেকোনো সময় অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারে।
সূত্র জানায়, নির্দেশ পেলেই অ্যাম্বুলেন্স কারাগারে প্রবেশ করবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে আসবে অ্যাম্বুলেন্স।
তবে অ্যাম্বুলেন্স আজ বা কাল যেকোনো দিন লাগতে পারে বলেও কারা সূত্র জানায়।
উল্লেখ্য, এর আগে যুদ্ধাপরাধের দায়ে কাদের মোল্লা এবং কামারুজ্জামানের ফাঁসির সময়ও একই ভাবে প্রস্তুত ছিলো অ্যাম্বুলেন্স।
এতো বড় বড় বিশেষ ব্যাক্তিতগণ ফাঁসির মঞ্চে ঝুলবে ব্যাপারটাই কেমন জানি আহ! রাখে আল্লাহ মারে কে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




