
মানুষ বেঁচে থাকলে বদলায়, মরে গেলেও বদলায়। দিন বদলের পালাটা আরো জোরদার হয়। দিন পাল্টাচ্ছে। পাল্টাবে। মানুষ মরে গেলে পচে যায়। এটাও একধরনের বদলানো। বদল করে সে হয় একটি কঙ্কাল। আবার যাকে নিয়ে চলে মেডিকেল সাইন্সের গবেষণা, আলোচনা, সমালোচনা এবং অবশেষে হাস্যরসিকতা।
মানুষ কতনাই ঠুনকো এই জগতে। কতইনা মূল্যহীন তার জীবন। এইখানে, এই কী-বোর্ডে হাতের ১০টি আঙুল রেখে কী তা উপলব্ধি করা যায়? যায় না। প্রতি দিন কতটি শিশু মারা যায়? প্রতি সেকেন্ডে যুদ্ধে কতজন মানুষ মারা যায়? প্রতিটি নিঃশ্বাসের সাথে আমার কতটুকু নিরাপদ বাতাস গ্রহণ করছি? প্রতিটি চোখের পলক পরার সময় কালে কতটি প্রাণ হারিয়ে যাচ্ছে এই পৃথিবী থেকে? তা কেউকী আমরা জানি?
> বন্ধুরে তল পেটে ও হাঁটুতে গুলি লেগেছে। পাগল প্রায় আরেক বন্ধুটি তার আহত দেহ নিয়ে দিলেন ছুট। কোথায় যাবেন, কিভাবে যাবেন- তার কোন হুশ নেই। পথের মধ্যেই তাকেও গুলি খেতে হলো। তবুও আহত বন্ধুটিকে তিনি ছাড়লেন না। কত বোকা এই মানুষটি, তাই না!!
> বেকার এক বন্ধুর বাড়িতে এসেছে তার আরেক বন্ধু। ঘরে মাত্র একজনের খাবার আছে। সময় দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে যাচ্ছে। একটু দেরিই হয়েছে। কিন্তু, বন্ধু হলেও সে অতিথি। মিথ্যা বলতে হলো তাকে-যে সে আগেই খেয়েছে। অতিরিক্ত খাবার আছে বলে সে আগত বন্ধুটিকে খুব যত্নের সাথে খাওয়ায়। তবুও সেও তৃপ্তি পায়।
> রিফিউজি ক্যাম্পে এক মা তার শিশুটিকে হারিয়ে খুঁজছে। এক লোক ক্ষুধার জ্বালায় কাতরাচ্ছে। মাইনের আঘাতে এক শিশু তার শৈশব হারিয়ে আজ পঙ্গু। অনাহারে শিশু মারা পরছে একের পর এক। আর দারিদ্র বিমোচন এর আলোচনা সভায় কর্তারা খাচ্ছে ৪২ রকম খাবার। আহা: কি সুখ। কী আনন্দ!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


