somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হাজী সাবের মুখ খারাপ

১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হাজী সাবের মুখ খারাপ ,এই নামের শিরোনাম লেখাতেই অনেকর ই কপাল কুচঁকে যাবে স্বাভাবিক ,হঠ্যা করে হাজী সাহেব কে নিয়ে লিখতে বসলাম তা ও আবার সবার কাছে জানান দিয়ে ।

কলিমউদ্দিন সামাজদার নামে যেমন কাজে কিন্তু তেমন না তিনি ,সমাজে তার একটা প্রাধান্য যে আছে তা কিন্তু না । নামের পিছনে টাইটেল আছে ঠিকই তবে তার সমাজে তিনি রাজার মতন মনে করলেও ওনার ব্যবহার মুচি মেথর চেয়েও খারাপ । সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঘ্যান ঘ্যান স্বভাব তার, যেমনে কর্মস্হল তেমনি সংসার দুটোই তার কাছে যতসব বিশ্রী স্বভাবে সমাদৃত । তিনি ওনার বৈবাহিক জীবনে বিবাহ কে তিনি কেমন করে নিয়েছেন আল্লাহ ই ভালো যানেন ।দুই মেরুর দুই জায়গার মানুষ কে দুই হাত এক করে দিয়েছে মনে হয় । তিনি নিজেকে মনে করেন যেনো সুমাএ টু সুমেরু বাকি সব ধনিয়া পাতা ।
লোক মুখে শুনা যায় বাসর রাত কি এক কান্ড করে ছিলেন যা লজ্জ্বায় কেউ মুখে নিতো না । যাকে বলে কচিঁ ষাঁড় পাগল হলে যা হয় আর কি ?
ওনার এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে সংসার ,কীভাবে কি করে সংসার যাপন করেন তা মানুষের কাছে রহস্য আজও ।
ধরুন সকাল সকাল বাজারে গেলেন অনেক দরদাম করলেন ৫ কেজির আলু বেছে বেছে নিলেন ১ কেজি আলু বেচারা দোকানী বলে স্যার আপনে দাম করলেন ৫ কেজির নিলেন ১ কেজি ।মুখ গম্ভরী হয়ে বলে বেটা আমি নিতাম আধাঁ কেজি তুই ১ কেজি ধরায় দিলি । দোকানী বেচারার জিনিস বিক্রি করতে হবে বলে সেজন্য মুখে বুঝে থাকে ।
কটকট চেহারা বাজার থেকে বের হতে হতে বল মাদারচোদের বাচ্চাটা পচাঁ আলু ধরায় দিলো ।

রমজান মাসে এসে গেলে আমাদের দেশের মানুষের সংযম যেমন বেড়ে যায় তেমনি সামাজদার সাবের সঙ্গম বেড়ে যায় ।সবাই যখন নামাজ রোজা নিয়ে ব্যাস্ত থাকে ,আল্লাহর নাম কালাম নিয়ে ব্যাস্ত থাকে ,তেমনি সামাজদার সাহেবের সঙ্গম বেড়ে যায় এসব নিয়ে ব্যাস্ততার শেষ নাই ,কখন সুযোগ পাবে কখন বাচ্চাকাচ্ছা একটু আড়াল হবে তখন নিজের কাম কমাবে সে নিয়ে ব্যাস্ত থাকে ।
রোজার মাসে সবাই একটু নিজেকে ধর্ম কর্মে ব্যাস্ত রাখে সেক্ষেএে তিনিও ব্যাস্ত রাখে সাজসজ্জ্বায় শেখ সাদীর সেই পোশাকে গল্পটার কথা মনে আছে না আপনাদের । গায়ে আতর ,মাথায় টুপি দিয়ে অফিস করেন ।
একবার তিনি এক কাজ করলেন রোজার মাসে অফিসে বসে বসে পাদ দিচ্ছিলেন নিশব্দে রাসায়নিক বোমের মতন করে । অফিসের চারদিকে থেকে হৈ হৈ শুরু হয়ে গেলো পিয়নটাকে ধমক দিলে লাগল সালা তুই কোন কাজ করিস না ,কোথায় কোন জায়গায় চিকা মরে আছে ,তুই সালা ঝিমাস সারা দিন । সামাজদার সাহেবের পাশে ডেস্কের ভদ্র লোক বললেন ভাই কাজটা ভালো করলেন ?
সামাজদার সাহেব হেসে হেসে বললেন আরে ভাই রাতে গরু মাংশ খেয়ে ছিলাম মনে হয় হজম হয় নাই এখনো । এই হচ্ছে অবস্হা ।

একবার তিনি চিন্তা করলেন বউ বাচ্চা সহ তিনি ঘুড়তে যাবেন বাক্স পেটরা সহ রওনা হলেন বেড়াতে বের হলেন ।সিএনজি ড্রাইভার কে নিয়ে যা এক কান্ড ঘটালেন তার আর বলার মতন না ,হাতাহাতি হয়ে যাবে এমন ,ড্রাইভার কে বললেন সালা তুমি দুই পয়সার লোক তুমি আমার বাক্স নামাবে না ত তোমার বাবা নামাবে ।
এই হলেন সামাজদার যার চলতে ফিরতে ওনার হাজারও সমস্যা ।
যাই হোক পরিবার সমাজ সকলের কাছে তিনি তেমন সুবিধার লোক না তিনিও বুঝলেন।
যাক সালার এইটা থেকে পরিএান পেতেই হবে ।সেবার নাকি অফিসের একটা কেলেক্ককারী হলো ৭-৮ লাখ টাকা একটা ঘাপলা করে তিনি গেলেন হজ্জ্বে তিনি হলেন হাজী সাব ।
যে ক্ষেতে সে মূলাই এসে সেই চুদির ভাই মাদারচোদ শব্দ গুলো থেকে পার পেলেন না ..মুখে মুখে রটে গেলো হাজী সাবের মুখ খারাপ।

বি দ্র : সম্পূর্ন চরিএ টি কাল্পনিক ,এখানে কারোর প্রতি মানসন্মানহীন করা হয়নি ।
যদি কেউ আঘাত প্রাপ্ত হোন তাহলে আন্তরিক ভাবে দু:খিত । লেখায় যদি ভুল থাকে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন । ধন্যবাদ



সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রিয় কন্যা আমার- ৯২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০



প্রিয় কন্যা আমার-
ফাজ্জা তোমার স্কুল বন্ধ। তুমি তোমার নানা বাড়ি গেছো। এবার অনেকদিন থাকবে নানা বাড়ি। নার্সারি থেকে কেজি ওয়ানে উঠলে। বেতন বেড়েছে। খরচ বেড়েছে। আমি নিশ্চিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসাহাসি থেকে সাফল্যের ইতিহাস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫২



এক সময় অনেক সমালোচনার মুখে ছিল বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (সাবেক বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১)। তখন অনেকেই বলেছিল, এত টাকা খরচ করে এসব করে কোনো লাভ হবে না। কিন্তু আজ ধীরে ধীরে সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোসাইপুর ১৯৭১

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৬ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:৫০



জুন মাসের পড়ন্ত বিকেল, ভ্যাপসা গরমে আগন্তুক ঘেমে একাকার। গায়ে ময়লা হাফ শার্ট আর নীল ফুলপেন্ট। শার্টের রঙ কোনো এক সময় হয়তো সাদা ছিলো, ময়লা হতে হতে এখন প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিউইয়র্কের ডায়েরী: ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া থেকে লং-আইল্যান্ড

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ২৬ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৫৪


আমাদের সামার ভেকেশন চলছে এখন। প্রায় তিন মাসের ছুটি। এই ছুটিতে বসে না থেকে নিউইয়র্কের একটি ন্যাশনাল ল্যাবে জয়েন করলাম ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি হিসেবে! গবেষণা করে যে পৃথিবীকে উদ্ধার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মোহমায়া

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬



খরস্রোতা নদীও একসময়
ক্ষীণ নালায় পরিণত হয়
কালের পরিক্রমায়,সময়ের চাহিদায় ।
তবু আশা বেঁধে রাখি।

ফিরবে সব আগের মত
চলবে জীবন অবিরত
কোন একদিন।


হারানো মুহুর্তরা কি সত্যিই  ফিরে আসে?
শত ব্যস্ততায়- মায়ের মত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×