কেঁচোরা মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে ঘা তৈরি করে আর মানবসভ্যতার আন্ডারপাস। আমরা বুদ্ধিমান প্রজাতি সুশৃঙ্খলতা বজায় রাখতে মগের পরিবর্তে বাথরুম শেষে বদনা ব্যবহার করি। ত্রিভুজ ফানেল ভূমিতে সূক্ষ্মরূপ জলচর্চা বাঞ্ছনীয় ছিলো। এবং তারচে বেশি বাঞ্ছনীয় হয়ে থাকে এসব বিষয়ে নিরাবেগ থাকা। যেমনটা প্রেমিকযুগল একে অপরের ভুঁড়ি বিষয়ে উপেক্ষায় চুপ থাকার চেষ্টা করে। অবশ্য সেসব ক্ষেত্রে আসন্ন সুখবাদ ভোগবাদ অনুল্লেখ্য থাকে। উল্লেখ করার মত ব্যাপার ভোগে সুখ নয় ত্যাগেই সুখ দর্শনে ত্যাগ দর্শন করার গুরুত্বতা নিয়ে কথা বলা হলো না। ত্যাগী তাঁর ত্যাগ দর্শন না করে কখনো কি পরিতৃপ্ত হতে পারে? মলত্যাগ শেষে মলের রঙ আকার আকৃতি না দেখলে কি মলত্যাগ অপূর্ণ থেকে যায় না? তবে জানি সভ্যতার কেঁচো অনুসারীরা তা প্রত্যাখ্যান করবে। আর আমি তো আগেই বলেছি কেঁচোরা মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে ঘা তৈরি করে। তাই কোথাও শান্তি পায় না তারা ঘা নিয়ে। আচ্ছা মৃত কেঁচোগুলোকে না হয় লাল পিঁপড়ার ঝাঁক খেয়ে নিলো। লাল পিঁপড়া মরলে খাচ্ছে কে? আমি তো কোথাও লাল পিঁপড়ার লাশ দেখি না!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০১২ রাত ২:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


