গত মার্চ মাসে চাকুরী না পেয়ে রাজধানীর উত্তরার এক যুবক আত্মহত্যা করেছে । এদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা গ্রাজুয়েটরা অনেক বেশী অসহায় ! কেউ বুঝে না তাদের কষ্ট।
সাবজেক্ট ভিত্তিক চাকুরী খুব কম, তবে অধিকাংশই তাদের অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাতে পারে না । আমার পরিচিত অনেকে সায়েন্স থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে ব্যাংক কর্মকর্তা হয়েছেন।
যাই হোক খুব ভালো চাকুরী পাওয়ার সংখ্যা সীমিত। বিসিএসের পিছনে দোড়তো আছেই।
মূলকথা হল অধিকাংশ যুবকেরা কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় হতাশায় ভোগেন। হতাশা থেকে মানসিক সমস্যার সৃষ্টি !
However come to the point !
দেশের স্বনামধন্য টিভি চ্যানেল বাংলাভিশনে একটা অনুষ্ঠান প্রচারিত হয় “আমি এখন কী করবো ?” শিরোনামে !
প্রোগ্রামে উপস্থিত থাকেন ঢাবির শিক্ষিকা ও মনোবিজ্ঞানী ডঃ মেহতাব খানম ম্যাডাম।
অনুষ্ঠানে যেসব সমস্যা উঠে আসে তা হল ,
কেউ প্রেমে চ্যাকা খাইছে ! ওকে ছাড়া আর বাচতে চায় না !
কারো ইয়ে পরকীয়া করে ! নিজেরে সে এখন শেষ করে ফেলতে চায় !
কারো বিয়ের আশ্বাসে .........সর্বনাশ । স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায় !
হাতে গোনা কয়েকজনের মাদক সমস্যা উঠে আসে।
ম্যাডাম জীবনের গুরুত্ব তুলে ধরে বুঝাতে চেষ্টা করেন।
ঠিক প্রায় একই রকম ঘটনার বিবরন পাবেন প্রথম আলোর সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন রস+আলো তে ।
শেষ কথা,আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত বছরের অধিক কাটিয়েছি , হাতে গোনা কিছু ছেলে ছাড়া প্রেম কেন্দ্রিক জটিল সমস্যা নেই। মাদকের সমস্যার সংখ্যাও কম।
একটা অহেতুক বিষয়কে যুব সমাজের সামনে বার বার তুলে আনা হচ্ছে ! কিন্তু বেকারত্বের কারনে মানসিক সমস্যার সমাধান দিতে কোনদিন দেখিনি !!
ঘরে ঘরে চাকুরীর আশ্বাস না দিয়ে বাস্তবসম্মত সমাধান চাই !! বেকারত্বের মানসিক অশান্তি থেকে যুব সমাজ মুক্তি পাক।
Hossain Miraz এখানে ক্লিক করুন। নিয়মিত ফেইজবুকে পোষ্ট গুলো পড়ুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




