somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সমাজই আঈন সংশোধনে বিরাট বাধা

২১ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ চালায় মেয়েরা....১৯৯১ সাল থেকে এ দেশের ক্ষমতা নারীদের হাতে, লক্ষ-লক্ষ গার্মেন্টস শ্রমিক এই দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি...। যত নারী হাউজ-ওয়াইফের ভুমিকাতে রয়েছেন তারাও তাদের স্বামীদের কর্ম-উদ্যোমতার প্রেরনা ...ভেবে দেখুন সকাল-বেলা আপনার নাশতার টেবিল কে সাজিয়ে রাখে ? কে তৈরি করে রাখে আপনার দুপুর-রাতের খাবার ? অবশ্যই নারীরা.... পার্থক্য শুধূ কারো মা ,কারো বউ, কারো বা কাজের বুয়া । এছাড়া ভাবুন, সন্তান উৎপাদন এবং লালন-পালন থেকে শুরু করে হেন কোন কাজ নেই যে কাজ নারীরা করছেন না.. মোটামুটি বেশ আর কম সব পেশাতেই নারীদের বিচরন আছে...বলা যায় নারীরাই এ সমাজের চালিকাশক্তি ।

ইকোনমিকসের একটি প্রতিবেদন দেখলাম বাংলানিউজে..এখানে বলা হচ্ছে এ দেশের মালিক কে ? তারা এর উত্তরও দিল সহজভাবে, মানে অবশ্যই পুরুষ...কিন্তু আচ্শর্যজনক হলেও একথা সত্য যে এ দেশের অধিকাংশ ভূমির মালিক ছেলেরা.... কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেয়েদের মালিক ও ছেলেরা...বড়ই পিকুলিয়ার অবস্থা ।এইটা ধর্মীয় কারনে নাকি সামাজিক ব্যবস্থার কারনে বুঝে আসে না... কেমনে কি ! ওদের মতে এর কারন হলো সম্পত্তির বন্টন ব্যবস্থা..যে কারনে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে পুরুষের মত করে স্বাবলম্বী হতে পারছেন না !!

বিষয়টা অনেকাংশে সত্য.....কিন্তু কি আর করা ! এখন সরকার যদি সম্পত্তি আঈন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় তাহলে দেশে বিরাট গন্ডোগোল লাইগা যাবে । ধর্মীয় ছাড়াও আরো কিছু সামাজিক প্রথা এই গন্ডগোলের হেতু হবে । পাশ্চাত্য কালচারের সাথে আমাদের সাথে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে , প্রথম পার্থক্য ধর্মীয় অনুশাসন সংক্রান্ত...এইটা নিয়ে কথা না বলাই ভালো । অন্যান্য কালচারের মধ্যে যেমন এখানে বিয়ে হইলে মেয়ে তার বাবা বাড়ি ছেড়ে স্বামীর বাড়িতে গিয়ে উঠে, এখানে উপহারের নামে যৈাতুক প্রথা প্রচলিত আছে(চিটাগাং এ বেশি), এছাড়া আরো যে কত কি মেয়ের বাবাকে করতে হয় তার কোন হিসেব নেই..... এইসব ব্যাপারগুলো সম্পত্তি আঈন সংশোধনের ক্ষেত্রে অন্যতম বড় বাধা, আগে এসব দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে...শুধূ বৈষম্য মূলক আঈন পরিবর্তন করলে হবে না, কেননা আগে পরিবর্তন করতে হবে বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থা....জানেন’ত সমাজের জন্যেই আঈন... আমি তাই মনে করি ।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:৫১
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চোখ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১৬

এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুম আর গুপ্ত

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫


খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তালেবান ঢাকায়, রাষ্ট্র ঘুমায়

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩২

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে অনেক কিছু নতুন হইছে। নতুন সরকার, নতুন মুখ, নতুন বুলি। কিন্তু একটা জিনিস খুব চুপচাপ, খুব সাবধানে নতুন হইতেছে, যেইটা নিয়া কেউ গলা ফাটাইতেছে না। তালেবানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×