বাংলাদেশ চালায় মেয়েরা....১৯৯১ সাল থেকে এ দেশের ক্ষমতা নারীদের হাতে, লক্ষ-লক্ষ গার্মেন্টস শ্রমিক এই দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি...। যত নারী হাউজ-ওয়াইফের ভুমিকাতে রয়েছেন তারাও তাদের স্বামীদের কর্ম-উদ্যোমতার প্রেরনা ...ভেবে দেখুন সকাল-বেলা আপনার নাশতার টেবিল কে সাজিয়ে রাখে ? কে তৈরি করে রাখে আপনার দুপুর-রাতের খাবার ? অবশ্যই নারীরা.... পার্থক্য শুধূ কারো মা ,কারো বউ, কারো বা কাজের বুয়া । এছাড়া ভাবুন, সন্তান উৎপাদন এবং লালন-পালন থেকে শুরু করে হেন কোন কাজ নেই যে কাজ নারীরা করছেন না.. মোটামুটি বেশ আর কম সব পেশাতেই নারীদের বিচরন আছে...বলা যায় নারীরাই এ সমাজের চালিকাশক্তি ।
ইকোনমিকসের একটি প্রতিবেদন দেখলাম বাংলানিউজে..এখানে বলা হচ্ছে এ দেশের মালিক কে ? তারা এর উত্তরও দিল সহজভাবে, মানে অবশ্যই পুরুষ...কিন্তু আচ্শর্যজনক হলেও একথা সত্য যে এ দেশের অধিকাংশ ভূমির মালিক ছেলেরা.... কিছু কিছু ক্ষেত্রে মেয়েদের মালিক ও ছেলেরা...বড়ই পিকুলিয়ার অবস্থা ।এইটা ধর্মীয় কারনে নাকি সামাজিক ব্যবস্থার কারনে বুঝে আসে না... কেমনে কি ! ওদের মতে এর কারন হলো সম্পত্তির বন্টন ব্যবস্থা..যে কারনে নারীরা অর্থনৈতিকভাবে পুরুষের মত করে স্বাবলম্বী হতে পারছেন না !!
বিষয়টা অনেকাংশে সত্য.....কিন্তু কি আর করা ! এখন সরকার যদি সম্পত্তি আঈন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় তাহলে দেশে বিরাট গন্ডোগোল লাইগা যাবে । ধর্মীয় ছাড়াও আরো কিছু সামাজিক প্রথা এই গন্ডগোলের হেতু হবে । পাশ্চাত্য কালচারের সাথে আমাদের সাথে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে , প্রথম পার্থক্য ধর্মীয় অনুশাসন সংক্রান্ত...এইটা নিয়ে কথা না বলাই ভালো । অন্যান্য কালচারের মধ্যে যেমন এখানে বিয়ে হইলে মেয়ে তার বাবা বাড়ি ছেড়ে স্বামীর বাড়িতে গিয়ে উঠে, এখানে উপহারের নামে যৈাতুক প্রথা প্রচলিত আছে(চিটাগাং এ বেশি), এছাড়া আরো যে কত কি মেয়ের বাবাকে করতে হয় তার কোন হিসেব নেই..... এইসব ব্যাপারগুলো সম্পত্তি আঈন সংশোধনের ক্ষেত্রে অন্যতম বড় বাধা, আগে এসব দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে...শুধূ বৈষম্য মূলক আঈন পরিবর্তন করলে হবে না, কেননা আগে পরিবর্তন করতে হবে বৈষম্যমূলক সমাজ ব্যবস্থা....জানেন’ত সমাজের জন্যেই আঈন... আমি তাই মনে করি ।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



