মানণীয় দেশপ্রধান,
সশ্রদ্ধেয় সালাম শেষে মার্জনা চাই
এ খোলা-চিঠির জন্য ।
সায়েস্তা খাঁনের আমলের কথা
অনেক আগেই ভুলেগেছি
আজ-কালকার ছেলেরা তো
আষাঢ়ের গল্প বেল উরিয়ে দেয়।
তবে খোলাবাজারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে
কতটুক লাভ হিসাব মিলাতে পারে না
জনাবের, সদাশয় দৃষ্টি কিছু বিষয়ের প্রতি;
এ - যেমন বাজারে
চাল।
ডাল।
আটা।
ভোজ্যতেল।
আনাজপাতি।
সব থেকে ও গৃহিণীর চোখের ঋৃতু
বর্ষায় পরিনত হয়ে যাচ্ছে ।
ছয় ঋৃতু আমাদের মনে দোলা না দিয়ে
নিজের মতো করে বদলে যাচ্ছে;
পারিবারিক উৎসব গুলো করা হয়ে উঠছে না
হয়তো বা সাহস পাচ্ছি না
জীবন যাত্রার মান নিয়ে কথা উঠা তো
দূরের কথা
মাছে-ভাতে বাঙালী প্রবাদ ভুলে গিয়ে
ডালে-ভাতে বাঙালী হয়ে থাকা
বিলাসিতার সিঁড়িতে পা রেখেছে
নীরব দুর্ভিক্ষের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছি;
আকাশের দিকে তাকিয়ে
নোনা পানিকে বর করে
বাঁচার চেষ্টা করছি
কখন একটা বন্ধু চিলের থাবায় রক্ষা পাব
কুমীরের জীব্বার স্বাদ থেকে
সুখের পর সুখ
বারাতে বারাতে বিলাসিতা;
না
ধন-সম্পেদর মাউন্ট-এভারেস্ট গড়তে
ক্ষুধার্তদের হা-করা মুখের সংখ্যা বারানোর
খেলায় মত্ত রাক্ষস মৌজুদ্দার...
ক্ষুদা গাড়ে ছাপিয়ে দিয়েছে পরাধীনতা
মাঠে।
ঘাটে।
পথে।
প্রিয়তমার সাথে সহবাসে।
চোখ বন্ধ।
মুখে সেলাই।
হাত বাঁধা।
প্রিয়তমার হাসি যেন বেশ্যার ইশারা...
মুক্তির কামনায়,
ক্ষুধার্ত দেশবাসী
২৫ জুলাই ২০০৮
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


