আগের পর্বে আপনার পড়েছেন কিভাবে রান্না শুরু হলো।
রান্না তো শুরু হলো। কিন্তু প্রাচীন মানুষদের রান্না করা খাবারের জন্য প্রকৃতির উপরে নির্ভর করতে হতো, কারণ তাদের রান্নার কোনো পাত্র ছিলো না। যেহেতু তাদের জিহ্বা লম্বা হয়ে গেছে রান্না করা খাবারের স্বাদ পেয়ে, সেহেতু নিজেরা যখন তখন রান্না করার জন্য প্রায় পাগল হয়ে উঠেছিলো।
পুড়িয়ে রান্না করার জন্য তারা গাছের ডাল ব্যবহার করতো কিন্তু সেদ্ধ করে রান্নার কি হবে? ওটা তো সব সময় সম্ভব হচ্ছে না। এখন কি করা যায়? ভাবতে ভাবতে একজনের মাথায় আসলো আচ্ছা আমরা যেমন গাছের চিকন ডালে গেঁথে পুড়িয়ে খাবার খাই তাহলে, গাছের মোটা ডাল নিয়ে সেটার ভিতর খোঁদল করে পানি দিয়ে কি সেদ্ধ করা যাবে না?
তো যার মাথায় প্রথম এই বুদ্ধি আসলো সে করলো কি কিছুটা নরম দেখে একটা গাছের মাঝারি ধরনের মোটা ডাল নিয়ে তাতে খোঁদল করা শুরু করলো। তার সঙ্গের লোকজন বারবার করে জিজ্ঞাস করলো কি করছে, সে কিন্তু কোনো উত্তর দেয় না। এক সময় তার পছন্দ মতো খোঁদল হয়ে গেলে সে ঐ খোঁদল করা পাত্রের ভিতর পানি দিয়ে মাংস রান্না করলো। তাই দেখে সবাই তাকে বাহবা দেয়া শুরু করলো। আর তার সেই পাত্রটার কারনে সে সমাজে একটা উচ্চ আসন ধারন করে বসলো।
পরবর্তী স্বরচিত ইতিহাস ৩ - খাবার পাত্র আবিষ্কার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


