আগের পর্বে আপনারা পড়েছেন কিভাবে রান্নার পাত্র আবিষ্কার হ'লো। আজকে তারই ধারাবাহিকতায় লিখছি খাবার পাত্র আবিষ্করের কথা।
****************************************************************
রান্নার পাত্র আবিষ্কারের পর পার হয়ে গিয়েছে ১০ বছর এখনও সবাই মাটিতে বা রান্নার পাত্র থেকেই হাত দিয়ে খাবার নিয়ে খায়। তা সিদ্ধই হোক আর পুড়িয়েই হোক।
এখন মাটি থেকে খেতে খেতে আমাদের আবিষ্কারক মশায়ের আর ভালো লাগছেনা। তাছাড়া মাটি থেকে খেতে গিয়ে মুখে বিভিন্ন ধরনের ময়লা চলে যায়। যা খাবার স্বাদ কে নষ্ট করে দেয়। বয়স হয়ে যাবার কারনে সে নিজে আর কিছু নতুন কিছু চিন্তা ভাবনাও করতে পারছে না। মানে আসছেনা আর কি।
এখন আরেক জন তরুন চিন্তাজীবি একদিন খেতে বসে মাটি মুখে চলে যাওয়ায় চিৎকার করে উঠলো। কি করা যায় কি করা যায় ছিন্তা করতে করতে সে হাতের পাশে পড়ে থাকা বট গাছের পাতা টেনে নিলো। তার উপর সে এবার কিছু খাবার নিয়ে খাওয়া শুরু করলো। দেখে আরে! এবার তো মাটি বা ময়লা কিছুই লাগছে না। আবার চিৎকার করে উঠলো সে। তবে এবার আনন্দের চিৎকার। সে পেয়ে গেছে। খাবারে যাতে ময়লা না লাগে সেরকম একটা কিছু সে পেয়ে গিয়েছে!!!
এভাবে আবিষ্কৃত হ'লো খাবার পাত্র।
কালের বিবর্তনে এই পাত্রই বিভিন্ন রূপ বদলাতে বদলাতে এখনকার চেহারায় এসে দাঁড়িয়েছে।
-----------------------------------------------------------------------------
রান্না এবং খাবার সংক্রান্ত স্বরচিত ইতিহাস এখানেই শেষ হ'লো।
----------------------------------------------------------------------------
আমার আগামী স্বরচিত ইতিহাসের বিষয় হবে ''''' পরিধান বস্তু ''''''

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


