বাড়িগুলো সারি বাধা আসমান ছোঁয়া নীলে---- রঙে বাহারি;
জানা নাই--- কি যেন সুসময়,কোন সুন্দর আবাসনে ওই ভুবনে রঙ্গিন!
বয়ে চলা নদীটির ওপার ধরে------
সম্ভাব্য নির্মাণ উপকরনে ঠাসাঠাসি এখন যা জানে শুধুই অন্তর্যামী। কে যেন আমার ঘুম কেড়ে নেয়।
আমার আরব্য উপন্যাস এখন চৈতন্যের প্রাণকেন্দ্রে কড়া নেড়ে প্রবেশাধিকারে।
আর শৈথল্যে, আরও পৃষ্ঠপোষকতায়------হায়।
জানালার ওধার দিয়ে কামলারাও সার বেধে যায়। দিগন্তে সূর্য যে অস্তগামী ...............
এখানে এখন দিনের সুরুই হয় সূর্যোদয়ে ,
শেষ কিন্তু নাই অস্তেও,
নিওনের আলো বেসামালই। --- জোরজার কাজ চলছেই দিনরাত ঠায়।
মৃত্তিকার যেটুকু পরিসর এক্ষণে সঙ্কীর্ণ হয়ে গেছে ---- তা ও নরদমায় বয়ে যাওয়া জলাকীর্ণ। নদীর গহীন হতে ভেসে আসা বাতাসেও গন্ধ তার, বোঝাই মুশকিল হাওয়া এখন কোনদিকে।
জ্বরের ঘোরে কিছু বটবৃক্ষের পাতাও কাপে অল্প বাতাসে। ---- সানশেডে পুরাণ বাড়ির শ্যাওলায় পাখির ছেড়ে যাওয়া বীজ------
যা আজও বাড়েনি মহা বৃক্ষে; ওই ইমারতের ঠিক পাশের পড়োবাড়িতে।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০১৬ দুপুর ২:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



