somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেখে এলাম জলন্ত অনিলের নিঃস্বার্থ ভালবাসা

১২ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলা ছবির প্রভূত উন্নতি হয়েছে। ভাবতেই পারিনি যে, এ উন্নতি আমার কল্পনাকেও হার মানাবে।
স্মরণকালের সেরা নায়ক, সেরা পরিচালক, সেরা সংলাপ, কাহিনীকার ও স্ক্রিপ্ট রাইটার ‘জলন্ত অনিলের’ তামাশা ‘নিঃস্বার্থ ভালবাসা’ দেখতে গেলাম বলাকায়। বলা বাহুল্য, এই প্রথম জলন্ত‘র তামাশা দেখতে হল এ গিয়েছি। এই ভালবাসার ছবি নিঃসন্দেহে ‘পরহেজগার’ তামাশা। এফডিসির সেন্সর বোর্ডের তারিফ করতে হয়। তারা একসময় যৌনতাসবর্স্ব রগরগে ছবি ছাড়ত। কারণ তখন ‌এফডিসির সেন্সরবোর্ডে যারা ছিলেন তারা ধ্বজভঙ্গ রোগের বিমারি ছিলেন। দর্শকদেরও তাদের মতোই ভাবতেন। তাই দর্শকদের ধ্বজভঙ্গের হাত থেকে রক্ষা করার ঈমানী দায়িত্ব নিয়েছিলেন সেন্সর কর্তরা। জলন্ত’র ফিল্ম দেখে মনে হলো এফডিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং সেন্সরবোর্ডের কর্তারা এখন অটিজমে ভূগছেন। অথবা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতায় আক্রান্ত বলা চলে। আগের ধারাবাহিকতায় তারাও এখন দেশের সিনেমা দর্শকদের একই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধিতায় আক্রান্ত মনে করছেন । আওয়ামী লীগ-বিএনপির মতো তারাও এখন জনগণকে বোকা ভাবেন। অথবা জনগণের রুচির অধঃপতনের পুণার্ঙ্গ ব্যবস্থা করছেন। কিন্তু সিনেমা হলে অত্যন্ত সিরিয়াস ডায়লগেও যখন দর্শকরা হল ফাটিয়ে হাসছেন, বোঝা গেলো জলন্ত বা এফডিসির বোকাচোদাদের মতো দর্শক বোকাচোদাদের দলে নয়। তখনই দর্শকের রুচি ও জ্ঞানের প্রতি আরেকবার শ্রদ্ধাবোধে মাথা নত হলো। আর হিসু করতে ইচ্ছা হলো বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও রুচিহীন ছিঃনেমা বানিয়ে ও ছাড়িয়েওয়ালাদের মুখে। হিসসসসসসসসসসসসস.......
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৫ আগস্ট ২০২৪: জনঅভ্যুত্থান, নাকি নেপথ্যে ক্ষমতার আরেক সমীকরণ?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৩


৫ আগস্ট ২০২৪: জনঅভ্যুত্থান, নাকি নেপথ্যে ক্ষমতার আরেক সমীকরণ?

একটি সরকার পতনের দিনকে আমরা কীভাবে পড়ব- জনতার বিজয় হিসেবে, নাকি রাষ্ট্রক্ষমতার নেপথ্যে ঘটে যাওয়া এক জটিল ক্ষমতা- হস্তান্তর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষের কবিতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫


(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট অবলম্বনে ২০২৬ সালের এক কল্পিত নতুন সংস্করণ)

অমিত রায় সম্পর্কে তার বন্ধু সহিস বলত, "অমিতের বুদ্ধির আলোটা সূর্যের মতো সবাইকে আলো দিতে আসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার সোভিয়েত শৈশব

লিখেছেন চারাগাছ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১





বাংলা ব্লগের জগতে সহব্লগাররা যারা আমাকে অনেকদিন ধরে চেনেন, তারা জানেন—আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।
শুনতে একটু অদ্ভুত লাগে, তাই না?

রাশিয়ায় আমি কোনোদিন যাইনি।

তবু আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।

আমার সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এটা একটা ফাকিবাজি পোষ্ট

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫



বাংলাদেশে একটার পর একটা বিষয়বস্তু সামনে আসে, আর সবাই সেটা নিয়ে ঝাপায়ে পড়ে। দেখে বিমলানন্দ অনুভবস করি। ''অনুভবস'' বললাম, কারন ছাত্রাবস্থায় আমরা বন্ধুরা কোন বিষয়ে ওভার-ক্যাজুয়ালি ফানি আলাপ করলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

চিকিৎসকের অবহেলা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২১



বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবিদের দৈনিক ডিউটি টাইম বা কাজের সময় কতো ঘন্টা? সমগ্র বাংলাদেশে, সমগ্র বাংলাদেশে যে কোনো সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারগণ দৈনিক কতো ঘন্টা ডিউটি করেন?

সরকারি হাসপাতালে পড়ালেখা করে, সরকারি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×