somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বঙ্গবন্ধুর কথা বলতে এসেছি

১১ ই আগস্ট, ২০১৫ সকাল ৯:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশে আগস্ট জাতীয় শোকের মাস। এক মাসে এতগুলো কালো দিন আর কোনো মাসে নেই। জঙ্গিরা প্রথম নিজেদের জানান দিয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট, দেশজুড়ে একযোগে বোমা হামলা চালিয়ে। গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছিল ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট। সড়ক দুর্ঘটনায় মিশুক মুনীর-তারেক মাসুদ প্রাণ হারিয়েছিলেন ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট। আর জাতীয়-আন্তর্জাতিক সব শোক ছাড়িয়ে যায় ১৫ আগস্ট। একটি দেশের রাষ্ট্রপতিকে সপরিবারে হত্যার এমন দৃষ্টান্ত গোটা বিশ্বে আর একটিও নেই। আবার আগস্টের সঙ্গে আমার একটা অদ্ভুত ব্যক্তিগত বৈপরীত্য আছে। আমাদের পরিবারের তিনজন মানে, আমার স্ত্রী, আমাদের একমাত্র সন্তান প্রসূন এবং আমার জন্মদিন এই আগস্টেই। তবুও আগস্ট এলেই আমার মন খারাপ হয়ে যায়।
আচরণ দলীয় কর্মীর মতো হলেও অনেক সাংবাদিক নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করেন। আমি কখনোই নিজেকে নিরপেক্ষ দাবি করি না। নিরপেক্ষতার ব্যাপারে আমার অবস্থান পরিষ্কার। আমি দলনিরপেক্ষ, তবে আদর্শ নিরপেক্ষ নই। আমি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নে, ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের প্রশ্নে আমি নিরপেক্ষ নই। আমি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ চাই। আর এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন যিনি দেখিয়েছিলেন, সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রশ্নেও আমার কট্টর পক্ষপাত। জিয়াউর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, একাত্তরে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, বাংলাদেশে এখনো তার কোটি কোটি অনুসারী আছেন। নিরপেক্ষতার নামে আমি কখনোই বঙ্গবন্ধু আর জিয়াউর রহমানকে এক পাল্লায় মাপি না। আমি বিশ্বাস করি, বঙ্গবন্ধুর মতো একজন অতি সাধারণ মানুষ টুঙ্গিপাড়া থেকে বাংলার কাদামাটি গায়ে মেখে উঠে এসেছিলেন জাতীয় রাজনীতিতে, হয়ে উঠেছিলেন অসাধারণ। একটি জাতির আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে এনে দিয়েছিলেন স্বাধীনতা। তাই আমি নিরপেক্ষতার ভান না ধরে সব সময় বঙ্গবন্ধুর কথা বলি। আমার সুযোগ থাকলে আমি বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক কর্মীকে বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্দজীবনী' পাঠ বাধ্যতামূলক করতাম। অজপাড়াগাঁ থেকে উঠে একটি মানুষ কীভাবে একটি জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে পারে, এ বইটি পাঠ করলে সবাই তা জানতে পারবে।
এটা ঠিক স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের শাসনামল নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা তর্ক আছে। কিন্তু একাত্তর সালকে বিবেচনায় নিলে বিশ্বের কোনো জাতিই এমন অবিসংবাদিত নেতা পায়নি। কিন্তু স্বাধীনতার মাত্র ৪৪ বছরেই বঙ্গবন্ধু প্রশ্নেও আজ জাতিকে বিভক্ত দেখলে কষ্ট পাই, গ্লানি ভর করে মনে। রাজনীতি আমাদের চোখ এমনভাবে অন্ধ করে রেখেছে যে, যার নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেলাম তার মৃত্যুবার্ষিকীতেও ঘটা করে কেক কাটতে আমাদের বিবেকে বাধে না। ১৫ আগস্ট কেউ জন্ম নিতে পারবে না, এমন দাবি আমি করছি না। কিন্তু ১৫ আগস্ট জন্মদিন হলেই তা ঘটা করে পালন করতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। এটা স্রেফ রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব। আমি চাই বাংলাদেশে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি বলে কিছু থাকবে না, থাকলেও স্বাধীন বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি করার অধিকার থাকবে না। সরকারি দল, বিরোধী দল সবাই হবে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। আমি চাই, জাতির পিতা প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দলের অভিন্ন অবস্থান থাকবে।
এবার বঙ্গবন্ধুর হত্যার ৪০ বছর হচ্ছে। তাই আওয়ামী লীগ ৪০ দিন ধরে দিনটি পালন করছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সর্বজনীনভাবে দিনটি পালনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। খুব ভালো আহ্বান, আমিও তাই চাই। আমি জানি, একদিন না একদিন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী সর্বজনীনভাবে পালিত হবেই। তবে এখন সর্বজনীনভাবে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী পালনের সবচেয়ে বড় বাধা আওয়ামী লীগই। দলটি বঙ্গবন্ধুকে এমনভাবে কুক্ষিগত করে রেখেছে যে, আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করতে গিয়ে অনেকেই বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে ফেলেন। আওয়ামী লীগার হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনেকে বঙ্গবন্ধুর ন্যায্য প্রশংসাটাও করেন না। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় 'জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু' ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের রণ স্লোগান। এ দুটি শব্দবন্ধ একসঙ্গে, এক নিঃশ্বাসে উচ্চারিত হতো। কিন্তু আজ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অনেকেও 'জয়বাংলা' বলেন, কিন্তু আওয়ামী লীগের সিল লেগে যাওয়ার ভয়ে 'জয় বঙ্গবন্ধু' উচ্চারণ করেন না। এমনকি গণজাগরণ মঞ্চে 'জয়বাংলা' স্লোগান থাকলেও নিষিদ্ধ ছিল 'জয় বঙ্গবন্ধু'। এ আসলে আমাদের হীনমন্যতা। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের একার সম্পদ নয়, তিনি জাতির পিতা।
গত বছর বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লিখেছিলাম ১৫ আগস্ট। এবার একটু আগেই লিখছি। কারণ গত বছরের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা আগেই শেয়ার করতে চাই। যদি কারও কানে ঢোকে। সৈয়দ আশরাফের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময়ও আমি এ অভিজ্ঞতার কথা বলেছিলাম। '৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ছিলেন দীর্ঘদিন। চেষ্টা হয়েছিল আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার। কিন্তু সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা অগণিত নেতা-কর্মী ধরে রেখেছিল সংগঠন। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়। ২১ বছর পর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উচ্চারিত হয় বঙ্গবন্ধুর নাম। অন্যরকম এক আবেগের ঢেউ খেলে যায় বাংলাদেশে। কিন্তু আওয়ামী লীগ অতি ব্যবহারে সে আবেগটাও নষ্ট করে ফেলেছে। গত বছর ১৪ আগস্ট রাতে অফিস থেকে ইকবাল রোডের বাসায় ফিরেই শুনি উল্টোদিকে উচ্চৈঃস্বরে মাইক বাজছে। শুনে মনটাই ভালো হয়ে গেল। কারণ মাইকে বাজছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আর স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের দেশের গান। আমি বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সঙ্গে গলা মেলাই 'এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম'। টেবিলে তাল ঠুকে ঠুকে কোরাস গাই 'শোন একটি মুজিবরের থেকে...।' প্রসূন ঝামটা দিল, বাবা থামো তো। এমনিতেই কান ঝালাপালা, আবার তুমি শুরু করেছ। আমি প্রসূনকে বোঝাই, বাবা বঙ্গবন্ধু আমাদের জাতির পিতা। তিনি না থাকলে আমরা বাংলাদেশ পেতাম না। প্রসূন চুপ করে থাকে, কিন্তু তার চেহারা থেকে বিরক্তিটা যায় না। কিন্তু বাসায় ফেরার ১৩ ঘণ্টা পর আমিও বুঝলাম, প্রসূন কেন বিরক্ত হয়েছিল। জানলাম, ১৪ আগস্ট দুপুর থেকেই শুরু হয়েছে এই অত্যাচার। প্রসূনও ৯-১০ ঘণ্টা পরই বিরক্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণটি আমার কাছে কবিতার মতো মনে হয়। হাজারবার শুনেছি, লক্ষবার শুনতেও আপত্তি নেই। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গানও যতবারই শুনি উজ্জীবিত হই, অন্যরকম আবেগে আপ্লুত হই। তেমন প্রিয় দুটি বিষয়ই আজ আমাকে বিরক্ত করছে, আমার সন্তানকে বিরক্ত করছে। না জানি সারা বাংলাদেশে এমন কত লক্ষ মানুষকে বিরক্ত করেছে আওয়ামী লীগাররা। আমি খালি ভাবি আমার মতো লোক, বঙ্গবন্ধুর প্রতি যার প্রবল পক্ষপাত, সেও বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে বিরক্ত হয়ে যাই; বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারে যাদের আবেগ আমার মতো তীব্র নয়, তাদের বিরক্তির মাত্রাটা কত।
আমি জানি এবারও ১৫ আগস্টকে ঘিরে সারা দেশে ২-৩ দিন ধরে টানা বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজবে এবং সেটা অতি বাজে সাউন্ড সিস্টেমে। আপনি পালিয়েও রক্ষা পাবেন না। কারণ পালানোর কোনো জায়গা পাবেন না। সারা দেশেই বাজবে। লেবু বেশি চিপলে তিতা হয়ে যায়। যতই প্রিয় হোক, তিনবেলা পোলাও কেউ খেতে পারে না। এ বিষয়টা যদি কেউ তাদের বোঝাতেন, তাহলে আমাদের কত না উপকার হতো। কিন্তু আওয়ামী লীগারদের বোঝাতে যাবেন, অত বড় বুকের পাটা কার আছে। আমরা না হয় শোকাহত। কিন্তু তারা তো শোককে শক্তিতে পরিণত করে ফেলেছে। আর আমাদের শোককে পরিণত করেছে বিরক্তিতে। মজাটা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আদিখ্যেতা বেশি হলো, চামড়া বাঁচাতে বিএনপি-জামায়াত থেকে আসা নব্য আওয়ামী লীগার, হাইব্রিড আওয়ামী লীগার আর সারা জীবন বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে আসা রাজনীতিবিদদের মধ্যে। কিন্তু আমি নিশ্চিত তারা যত জোরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজিয়ে মানুষকে বিরক্ত করেন, হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর জন্য ততটা মমতা পোষণ করেন না। পোস্টারজুড়ে নিজের ছবি দিয়ে কোনায় বঙ্গবন্ধুকে স্ট্যাম্প সাইজ করা আওয়ামী লীগাররা বঙ্গবন্ধুকে ব্যবহার করেন নিজেদের প্রচারের জন্য। বঙ্গবন্ধুর নামে মসজিদ বানায় জায়গা দখল করার জন্য। কিন্তু আমরা শঙ্কিত হই। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলে এই হাইব্রিড মৌসুমি বঙ্গবন্ধু প্রেমিক, যারা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের শোককে বিরক্তিতে পরিণত করছেন, তাদের টিকিটিও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এই সুবিধাবাদীদের খপ্পর থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করে তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে বাংলার আপামর জনগণের কাছে। যারা তাকে বঙ্গবন্ধু বলেন না, বলেন মজিবর বা শেখ সাব। এই দায়িত্ব বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনারই। প্রভাষ আমিন, বাংলাদেশ প্রতিদিন
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০১৫ সকাল ৯:২৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাবধানের মার্ নেই

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩১


নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরার পথে নিউ আর্ক্ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যখন এরোপ্লেনে উঠে নির্দিষ্ট সীটের কাছে পৌঁছলাম দেখলাম এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক জানালার পাশের সিটটাতে অলরেডি বসে আছেন। আইল ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

হারানো বিজ্ঞপ্তি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩১



অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৫


মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

শেখ হাসিনা কি ফিরবেন?
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কখনো কখনো একটি বৈঠকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে- কোন বৈঠকটি হলো, কোনটি হলো না এবং কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×