somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্তমান সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় হতাশা কাটিয়ে লোকসান থেকে লাভে ঘুরে দাঁড়িয়েছে মংলাবন্দর

১১ ই মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৫:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লোকসানের অপবাদ ঘুচিয়ে মংলাবন্দর এখন লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। গত ৫ বছরে এ সমুদ্রবন্দরটি রাজস্ব আয় করেছে ৫৪০ কোটি ১৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে নীট লাভ হয়েছে ১৪৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। প্রতিবছর রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও সর্বোপরি সরকারের সদিচ্ছার কারণে মৃত প্রায় মংলাবন্দর সচল হয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সরকার ঘোষিত ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে মংলাবন্দরের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও পদ্মা সেতু নির্মিত হলে মংলাবন্দরের চিত্র সম্পূর্ণ পাল্টে যাবে এবং মংলাবন্দর জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর মংলাবন্দরকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র চক্রান্ত শুরু হয়। বন্দর ব্যবহারকারীদের একাংশের চক্রান্ত ও তৎকালীন সরকারের উদাসীনতার কারণে মংলাবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। মংলাবন্দরে আমদানি ও রফতানিমুখী জাহাজ আগমন আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। কখনও কখনও দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্দর জাহাজ শূন্য অবস্থায় থাকে। আমদানি ও রফতানি পণ্য খালাশ ও বোঝাই কার্যক্রম তেমন না থাকায় বন্দরটির রাজস্ব আয় হ্রাস পায়। এতে মংলাবন্দর লোকসানের কবলে পড়ে। লোকসান দিতে দিতে বন্দরটি লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। বন্দরের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পদক্ষেপের কারণে মংলাবন্দর লাভের ধারায় ফিরলেও তা আশাব্যঞ্জক ছিল না। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় এসে মংলাবন্দরের ড্রেজিংসহ বন্দরকে গতিশীল করার জন্য নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বর্তমান সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় হতাশা কাটিয়ে এবং লোকসানের অপবাদ ঘুচিয়ে মংলাবন্দর এখন একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান।






০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি হল অথর্ব আর ইডিয়েটদের দল। বর্তমানে এদের দেশ পরিচালানার করার কোন যোগ্যতা ই নেই।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দেয়াটা নিন্দনীয় কিন্ত তার বিচার হবে কিসে? রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলায়?? রিমান্ডে নিয়ে?

চৈতালি চক্রবর্তী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সে আইন বুঝে। প্রায় প্রতিদিন জুলাই, আবু সাইদ, বাংলাদেশ সব কিছু সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×