মশা মারতে কামান না.... মশা মারতে মশা!
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
কলকাতা পৌর এলাকায় এবার সত্যিই আর মশা মারতে কামান দাগাতে হবে না। মশা মারতে আনা হয়েছে মশাই। গল্প নয় সত্যি কথা। এবার সত্যিই ‘শত্রু’ মশা মারতে চাষ করা হচ্ছে ‘মানববন্ধু’ মশার। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে কলকাতা পৌর করপোরেশন। মানববন্ধু এই মশার নাম ‘টাকসোই কাইটিস’। এই প্রজাতির মশা কোনো মানুষ বা পশুকে কামড়ায় না। এদের মূল খাদ্য অ্যানোফিলিস, কিউলেক্স ও এডিস প্রজাতির মশার লার্ভা। যেসব মশা সাধারণত ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু ও ফাইলেরিয়ার মতো রোগ মানুষের দেহে সংক্রমিত করে, সেসব মশার শত্রু টাকসোই কাইটিস মশা। অবশ্য এই মশা আবার অন্যান্য মশার চেয়ে সাইজে একটু বড়। গায়ের রং হালকা সোনালি।
কলকাতা পৌর করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের গবেষকেরা গত মাসে কলকাতার কুঁদঘাট অঞ্চল থেকে এই মশার লার্ভা আবিষ্কার করেন। ভারতের মধ্যে কলকাতাতেই এখন পর্যন্ত এই মশার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। কলকাতায় এই মশা আরও দেখতে পাওয়া গেছে পার্ক সার্কাস ও লেক গার্ডেনস এলাকায়ও। এখন পৌর করপোরেশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে এই প্রজাতির মশার বংশ বাড়াতে। কলকাতা পৌর করপোরেশন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা দেবাশীষ বিশ্বাস জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে বেলেঘাটা, বউবাজার ও এন্টালিতে এই প্রজাতির মশা ছাড়া হয়েছে।@ প্রথম আলো
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন