somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

*** অনু গল্প = ওয়েস্টার্ন কালচার ***

১০ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




সুমনের সাথে আমার আহমরি বন্ধুত্ব বলতে যা বোঝায় সেটা নয়।আমরা একই শহরে থাকি আর একই ক্লাসে পড়ি বলে আমাদের মধ্যে একটা ভালই বন্ধুত্ব হয়েছে।তবু কিছু কিছু কারনে আমি সুমনকে ঠিক মন থেকে ১০০% বন্ধু ভাবতে পারিনা।
ও খুবই অহংকারী আর বেশ কিপ্টাও বলা যায়।আজ পর্যন্ত যতবার ওর সাথে কোন হোটেলে কিম্বা রেস্তোরায় খেতে গিয়েছি ও একদিনও বিল পরিশোধ করেনি।অথচ ওদের অবস্থা আমাদের চেয়ে অনেক বেশিই ভাল।
তাছাড়া ওর বেশ ভুষন চলাফেরাও আমার কাছে উগ্র মনে হয়।মাঝে মাঝে কি যে সব ড্রেস পরে।এসব নিয়ে কথা বলতে গেলেই ও বলবে আরে বোকা এ গুলো তো ওয়ের্স্টান কালচার।এই বিষয়টি নিয়ে মনে মনে আছি, একদিন ওকে সুযোগ মত আচ্ছা করে ধরব।কিন্তু কি ভাবে ওকে কিছুটা শিক্ষা দেওয়া যায় সেটা কিছুতেই ভেবে পাচ্ছি না।


সেদিন ছুটির দিন ছিল।আমি শহরে ঘুরতে বেরিয়েছি বিকালে।এমন সময় সুমনের ফোন
কিরে তুই কোথায়?
এই তো শহরে ঘুরছি।আসবি নাকি তুই?
ওকে তুই দাড়া আমি দশ মিনিটে আসছি।
এই দশ মিনিটে আমি একটা ভাবনা ভেবে ফেললাম, সুমনকে আজ একটা শিক্ষা দেবই।
সুমন আসলে দুজনে একটা ভাল রেস্তোরায় গেলাম।বললাম কি কি খাবি বল?সুমন বলল তুই অর্ডার দে।
আমি বললাম আজ তোর যা ভাল লাগে খাবি আমার যা ভাল লাগে তাই খাব।
আমি দেখলাম সুমন তিন পদের খেয়েছে যার বিল ২৫০ টাকা।আর আমি যা খেয়েছি তার বিল মাত্র ১২০ টাকা।
খাওয়া শেষে আমি ক্যাশ কাউন্টারে এগিয়ে গেলাম বিল দেওয়ার জন্য।পকেট থেকে ১২০ টাকা বের করে বিল দিয়ে দিলাম।
সুমন ভেবেছিল আমি আজও প্রতিদিনের মত ওর বিল দিয়ে দিব।আমি ওর দিকে তাকিয়ে বললাম তোর বিল তুই দে।
জানিস না ওয়ের্স্টান কালচারে একসাথে খেলেও যার বিল সেই দেই।
সুমনের মুখটা দেখলাম শুকিয়ে কালো হয়ে গেছে।এমন কালো মুখ সুমনের আমি আর কোন দিন দেখিনি।ব্যাটা এইবার বুঝছে ওয়ের্স্টান কালচার কারে কয়!!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২
২৪টি মন্তব্য ২২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তুমি আমার আধো আধো সকাল হবে?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬

তুমি আমার আধো আধো সকাল হবে?
-মোঃ মুসা (গাঙচিল)

তুমি আমার আধো আধো সকাল হবে?
ঘর কাপলের জোড়া শালিক!
শেষ শিশিরের নরম আলো
তোমার মনে মুখটা একটু ধুইতে দেবে?

তুমি আমার নৌকা বিহীন নদী হবে?
বৈঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রপতির বিদায়ঘণ্টা: রাজনীতি ও নৈতিকতা

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩



বাংলাদেশের রাজনীতি অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের
পদত্যাগ কেবল একজন ব্যক্তি বা কোন একটি বিশেষ পদের পরিবর্তন নয় বরং এটি দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেনাবাহিনী যখন দেশপ্রেম দেখাতে ব্যর্থ ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫০



গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে আসা বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন।’ জুলাই বিক্ষোভ নিয়ে শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃশব্দ প্রহর

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×