বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী যারা তারা,
/লাল বদর,
/২.০ প্রজন্মের রাজাকার,
/বাঙ্গালী পাকিস্তানি,
নামেও পরিচিত।
স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম গুলো জামায়াত এফিলিয়েটেড শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ফুলকুড়ি আসর, বিবিধ কোচিং সেন্টার...) ও সংগঠনের (শিবির....ছাত্রী সংস্থা) সামনের দরজা দিয়ে ঢুকেছে আর পেছনের দরজা দিয়ে "বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধীতে" রূপান্তরিত হয়ে বের হয়েছে।
এই বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধীরা বাঙ্গালী হয়েও অবাঙ্গালী জিন্নাহকে বাপ বানিয়ে বসে আছে….অন্যদিকে নিজের বাঙ্গালী বাপকে করেছে অস্বীকার……
জন্মগত ভাবে শারীরিক ভাবে কিংবা লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে একজন শরীফের হওয়ার পরেও সেই শরীফ যদি নিজেকে শরীফা ভাবে বা জবরদস্তিমূলক ভাবে শরীফা হতে চায় তবে তা নিশ্চিতভাবেই তার মানসিক সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে।
তেমনি ভাবে জন্মগত ভাবে যার ডিএনএ বাঙ্গালী এবং মায়ের পেট থেকে পড়েই যার ভাষা হয় বাংলা, সেই মানুষটিই যদি
/নিজের বাঙ্গালী জাতিসত্তার পরিচয়কে মনে প্রাণে ঘৃণা করে,
/নৃতাত্ত্বিকভাবে তার স্বতন্ত্র শিকড় থাকা সত্ত্বেও সে তার মূল শিকড়কে অস্বীকার করে,
/সে যদি হতে চায় পাঞ্জাবি অথবা মধ্যপ্রাচ্যের আরব,
তবে সেই সব বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী লাল বদরদের মানসিক সমস্যা আর আর রূপান্তরিত লিঙ্গের মানুষের মানসিক সমস্যার মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য আছে কি?
এদেরকে রূপান্তরিত লিঙ্গের মানুষ বলা যায় না Trans Gender বলা যায় না। কিন্তু মানসিক সমস্যা বা medical condition এর ভিত্তিতে দুই পক্ষই খুব কাছাকাছি পর্যায়ের। তবে এদেরকে কি Trans Ethnolinguistic গ্রুপে ফেলা যায়?
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




