তততততততততততততততততততততততততততত ঢাকা, ২১ মার্চ ২০০৪
এখনো আকাশ এতো খেলা জানে
তাই তো আকাশ অদ্ভুত টানে
যখনই একটু ছুটি পাই আমি
ছুটে যাই ছাদে সন্ধ্যের মুখে...
পূর্ববর্তী অংশখানা বেশ কয়েকদিন আগে লিখেছিলাম। আজ আবার চৈত্রের দুপুরে গানের সুরে সুর মিলিয়ে লিখে যাচ্ছি। দেখা যাক না, যদি আসলেই কিছু লিখা যায়।
চিঠি লিখার বিষয়বস্তু খুঁজে পাই না। অদ্ভুত এক ব্যাপার। চিঠি লিখা দাবা খেলার থেকেও কঠিন আমার কাছে। দাবার জন্য শুধু মস্তিষ্কই যথেষ্ট; হৃদয়ের প্রয়োজন নেই সেখানে। কিন্তু চিঠি লিখতে গেলে মস্তিষ্ক ও হৃদয়- দুইয়েরই প্রয়োজন হয়। মাঝেমাঝে তাদের মাঝে ছোটখাটো লড়াইও বেঁধে যায়। তাই চিঠিতে এক কথাই বেশ কয়েকবার চলে আসে। আরো আসে কবিতা-গান। আসে উপদেশ মার্কা কথাবার্তা। আরো কত্তো কী! যেমন- এখন তোমাকে আমার অবস্থা বর্ণনা করবো। পড়ার টেবিলের সামনে বসে; টেবিলের উপর একটা টেবিল-টেনিস ব্যাট, নীচে জীবনানন্দের দাশের গ্রন্থিত-অগ্রন্থিত কবিতাসমগ্রের গ্রন্থখানা; পাশে ঘড়ি, নীচে একখানা খাতা। আরো বেশ কিছু জিনিস ছড়িয়ে আছে- রিমোট, কিছু বইপত্র, পাসপোর্ট করার ফরম (মেজো ভাইয়ার জন্য)। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা হলো- বাঁপাশে মোবাইল, সাথে একটা সোনার পাতা সিগারেট একটা কাগজের উপর রাখা। কাগজটায় আমারই জারি করা নোটিশ - No one has right to pollute the sweet-home. So please DON"T SMOKE inside. কী বুঝলে? আজ ১০ দিন আমি ধূমপান করি না। কিন্তু এখন ব্রত ভাঙতে খুব ইচ্ছে করছে; তাই সিগারেটের নীচে নো স্মোকিং বিজ্ঞপ্তি নিয়ে সকাল হতে বসে আছি। আর ভাবছি কী করবো।। দুপুর হয়ে গেলো; এখনো আগুন জ্বলে ওঠেনি। কিন্তু...
আচ্ছা এতোক্ষণ যা যা লিখলাম এসব কি চিঠিতে লিখার বিষয়? প্রশ্ন রইলো; জবাব চাই। একটা প্রিয় কবিতার কয়েকটি লাইন শোনো-
আলো-অন্ধকারে যাই- মাথার ভিতরে
স্বপ্ন নয়,- কোন্ এক বোধ কাজ করে;
স্বপ্ন নয়- শান্তি নয়- ভালোবাসা নয়,
হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়;
আমি তারে পারি না এড়াতে,
সে আমার হাত রাখে হাতে;
সব কাজ তুচ্ছ হয়- পন্ড মনে হয়,
সব চিন্তা- প্রার্থনার সকল সময়
শূন্য মনে হয়,
শূন্য মনে হয়।
আজ আর লিখছি না। বিদায়...
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


