somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কথা বলে ধুলোপড়া চিঠি - [ইটালিক]মধ্যাহ্নে[/ইটালিক]

০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তততততততততততততততততততততততততততত ঢাকা, ২১ মার্চ ২০০৪

এখনো আকাশ এতো খেলা জানে
তাই তো আকাশ অদ্ভুত টানে
যখনই একটু ছুটি পাই আমি
ছুটে যাই ছাদে সন্ধ্যের মুখে...

পূর্ববর্তী অংশখানা বেশ কয়েকদিন আগে লিখেছিলাম। আজ আবার চৈত্রের দুপুরে গানের সুরে সুর মিলিয়ে লিখে যাচ্ছি। দেখা যাক না, যদি আসলেই কিছু লিখা যায়।

চিঠি লিখার বিষয়বস্তু খুঁজে পাই না। অদ্ভুত এক ব্যাপার। চিঠি লিখা দাবা খেলার থেকেও কঠিন আমার কাছে। দাবার জন্য শুধু মস্তিষ্কই যথেষ্ট; হৃদয়ের প্রয়োজন নেই সেখানে। কিন্তু চিঠি লিখতে গেলে মস্তিষ্ক ও হৃদয়- দুইয়েরই প্রয়োজন হয়। মাঝেমাঝে তাদের মাঝে ছোটখাটো লড়াইও বেঁধে যায়। তাই চিঠিতে এক কথাই বেশ কয়েকবার চলে আসে। আরো আসে কবিতা-গান। আসে উপদেশ মার্কা কথাবার্তা। আরো কত্তো কী! যেমন- এখন তোমাকে আমার অবস্থা বর্ণনা করবো। পড়ার টেবিলের সামনে বসে; টেবিলের উপর একটা টেবিল-টেনিস ব্যাট, নীচে জীবনানন্দের দাশের গ্রন্থিত-অগ্রন্থিত কবিতাসমগ্রের গ্রন্থখানা; পাশে ঘড়ি, নীচে একখানা খাতা। আরো বেশ কিছু জিনিস ছড়িয়ে আছে- রিমোট, কিছু বইপত্র, পাসপোর্ট করার ফরম (মেজো ভাইয়ার জন্য)। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা হলো- বাঁপাশে মোবাইল, সাথে একটা সোনার পাতা সিগারেট একটা কাগজের উপর রাখা। কাগজটায় আমারই জারি করা নোটিশ - No one has right to pollute the sweet-home. So please DON"T SMOKE inside. কী বুঝলে? আজ ১০ দিন আমি ধূমপান করি না। কিন্তু এখন ব্রত ভাঙতে খুব ইচ্ছে করছে; তাই সিগারেটের নীচে নো স্মোকিং বিজ্ঞপ্তি নিয়ে সকাল হতে বসে আছি। আর ভাবছি কী করবো।। দুপুর হয়ে গেলো; এখনো আগুন জ্বলে ওঠেনি। কিন্তু...

আচ্ছা এতোক্ষণ যা যা লিখলাম এসব কি চিঠিতে লিখার বিষয়? প্রশ্ন রইলো; জবাব চাই। একটা প্রিয় কবিতার কয়েকটি লাইন শোনো-

আলো-অন্ধকারে যাই- মাথার ভিতরে
স্বপ্ন নয়,- কোন্ এক বোধ কাজ করে;
স্বপ্ন নয়- শান্তি নয়- ভালোবাসা নয়,
হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়;
আমি তারে পারি না এড়াতে,
সে আমার হাত রাখে হাতে;
সব কাজ তুচ্ছ হয়- পন্ড মনে হয়,
সব চিন্তা- প্রার্থনার সকল সময়
শূন্য মনে হয়,
শূন্য মনে হয়।

আজ আর লিখছি না। বিদায়...
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪১
১২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ খোকার অভিমান

লিখেছেন ইসিয়াক, ২০ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৬


খোকা খাবে মুড়ি মুড়কি, মা দিলো খই
এই নিয়ে অশান্তি, ব্যাপক হই চই।

বাবা যাচ্ছে হাটে, খোকা পিছু ছোটে
বকা খেয়ে ঘরে ফিরে কাঁদছে মাথা খুঁটে। 

কত কাজই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: বালির নীল গোলকধাঁধা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১২



কুয়ালালামপুর অপারেশনের ঠিক সাতদিন পর। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ‘নগুরা রাই’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান ল্যান্ড করল, তখন বালির আকাশ জুড়ে গোধূলির রক্তিম আলো।

বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশবাড়ীর মূর্তি বিতর্ক, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে কি অন্য কোনো নীলনকশা?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমীকরণে হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারবা অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ফাটল ও অননুমোদিত কাঠামোর মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×