তততততততততততততততততততততততততততত ঢাকা, ২৭ মার্চ ২০০৪
আমি আছি, এই শুধু। আমার কি কথা ছিলো কোনো?
যতোদূর ফিরে চাই আদি থেকে উপান্ত অবধি
কথা নয়, বাঁচা দিয়ে সমূহ প্রবাহ পাবো বলে
এই দুই অন্ধ চোখ ভিজিয়ে নিয়েছি অন্ধকারে।
তোমায় বলেছি কিনা ভুলে গেছি। বলে থাকলেও আবার বলিঃ আমার লেখাপড়ার ধারা (=বিষয়) পাল্টে ফেলেছি। আর আমি যাবতীয় নেশার বস্তু ত্যাগ করেছি (১৬ দিন চলছে)। এমনকি চা খাওয়াও আশ্চর্যজনকভাবে কমিয়ে দিয়েছি। দিনে এক কাপও খাওয়া পড়ে না। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়া প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। বলতে গেলে আমি বদলে যাচ্ছি। আর একটা কথা এই যে, আমি অলস হতে অলসতর হয়ে যাচ্ছি। সারাদিন বাসায় বসে বসে অথবা শুয়ে শুয়ে গান শুনি, মাঝেমাঝে বই পড়ি। মারাত্মক একঘেয়ে জীবনযাপন করছি। তবুও খুব একটা খারাপ কাটছে না সময়। আবার খুব বেশি ভালো যাচ্ছে তা বলাও বোধ হয় অন্যায় হবে। এখন মাথা ভনভন করছে, মানে প্রচন্ড ঘুরছে। বারবার পলক ফেলতে হচ্ছে। সবকিছুই চরম বিরক্তিকর মনে হচ্ছে। গান শোনাটাও অসহ্য লাগছে। তবু বেজে চলেছে...
আচ্ছা, তুমি কি রেগে আছো? রেগে থাকলে কিছু করার নেই। আমার সাথে রাগ করে আর কী হবে! অলস হয়ে গেছি। সেই সাথে অসামাজিক। বন্ধুরা নাম দিয়েছে- কূপমন্ডুক। তাই তুমি এ চিঠি(!)খানা অবশ্যই পাবে এরকম নিশ্চয়তা দিতে পারছি না। ফরমাল সব ব্যাপার-স্যাপার ত্যাগ করবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আবার ইনফরমালও হবো না। কী সব হাবিজাবি লিখছি! ধ্যাৎ, মাথাটা আসলেই গেছে।
বিদায়...
আমার শরীরে কোনো গান নেই। কাঠুরেরা আসে
একে একে কেটে নেয় মরা ডাল গুঁড়ি ও শিকড়
তার পরে ফেলে রাখে মাঠের পশ্চিম পাশে, আর
দূরের লোকেরা এসে ধুলোপায়ে বেচাকেনা করে।
----------------------------------------------
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


