somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন দেশের সাথে থাকি । কথায় নয় কাজে ।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুবক তুমি জেগে উঠো নতুন হিন্দোলে...
সন্তরন কর নব কোল্ললে...
রেঙ্গে উঠো হেমন্তের উতসবে ...
বাংলার যৌবন সবচেয়ে শক্তিশালী যৌবন...
এই দেশের যুবক রা তা প্রমান করেছে গার্মেন্টস সহ বহির্বিশ্বে তাদের যৌবন বিলিয়ে দেশকে সচল রাখার অর্থনীতি খাড়া রেখে । এই বুড়োর দল টিভি'র টকশো তে স্যুট টাই পরিধান করে বড় বড় কথা বলেই পার । বাড়ি ফিরে ভারতীয় চ্যানেল দেখে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে। জ্ঞানপাপী বেড়ে গেলও কাজ করছে তরুন , যুবা , তরুনী রা । কৃষক তার পরিশ্রম বন্ধ করলে খাদ্যে সয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন কিন্তু তাদের ঘামে । সেখানেও যৌবনের জয়গান ।
তরুনরা পিছিয়ে পরলে কিংবা হেরে গেলে হবে না । তারাই পারবে গত প্রজন্মের উপহার স্বাধীনতার আসল সাফল্য তুলে আনতে ।
শুনো তরুন বন্ধু তোমার মুষ্টিবদ্ধ হাত যেন পরিশ্রমে পিছিয়ে না থাকে । আমাদের ম্যানেজমেন্ট স্কিল বাড়াতে হবে । বিশ্বের সব জ্ঞান অর্জন শেষে দেশে এসে দিও তোমার স্পর্শ । তোমার মেধা , পরিশ্রম , জ্ঞান , সততা ও ইচ্ছাশক্তি একদিন বদলে দিবে এই দেশকে । আমরা যারা তরুন হিসেবে প্রতিদিন স্বপ্ন দেখি বদলে দেবার তাদের এক হতে হবে । নতুনকে গ্রহন করতে হবে কিন্তু আমাদের প্রকৃত উতপত্তি , কৃষ্টি কালচার ভুলে নয় । আমাদের দেশের ব্যাপার গুলোতে রিজিড হতে হবে । দেশীয় পন্য ব্যবহার থেকে শুরু করে , দেশীয় খাবার, পোশাক কে ভালবাসতে হবে । নিজেদেরকে আরও পরিশ্রমী হতে হবে । ২০৪০ সালে যেনো এই প্রজন্ম উন্নত একটি দেশ তার পরের প্রজন্মকে দিয়ে যেতে পারে সেটা আজকেও ভাবতে হবে । প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এর ব্যাপারে আমাদের দেশে এখনও বাইরের দেশের বিশেষজ্ঞদের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে । তরুনদের শুধু মেডিকেল , প্রকৌশলে, এমবিএ পড়লেই হবে না । বিভিন্ন সেক্টরে পড়াশুনা করতে হবে । দরকার পড়লে বাইরের দেশে পড়ার জন্য যাওয়া যেতে পারে । সত্যি একটা ভাল সময় অপেক্ষা করছে বন্ধু যদি আমরা শুধু স্বপ্নচারী না হয়ে প্লান করে কাজে লাগি । রাজনীতি অংশগ্রহন বাড়াতে হবে । তৃণমূল থেকে পরিবর্তন টা হওয়া প্রয়োজন । দরকার পরলে ইউনিয়ন পর্যায় থেকে রাজনীতি তে অংশগ্রহন করতে হবে । প্লানিং এ আমরা জাতি হিসেবে আমরা ভাল না এই ধারনা টি পরিবর্তন করতে হবে । কাজের মাধ্যমেই আমরা তা করবো । চল এগিয়ে যাই । নব্য ইস্ট ইন্ডিয়ান কোম্পানির কথা শুনে আগানোর দরকার নেই । মোবাইল ফোন কোম্পানি গুলোর অত্যাচারে আজ দেশের মানুষের বেশির ভাগ আয় আজ তাদের পেটেই ঢুকছে । আমাদের জাতীয় ভ্যাট জমাদান কারী খাত গুলোর কথা চিন্তা করলে বুঝা যায় আমরা জাতিগত ভাবে কতটা বে-হিসাবী । বিদেশী মোবাইল কোম্পানি (সরকারী কর্মকর্তাদের টেলিটক ব্যাবহারে বাধ্য করা হোক ), বিদেশী সিগারেট কোম্পানি (দেশী কোন ব্রান্ড এখনও জনপ্রিয়তা পেলো না , দুঃখ এটা) , গ্যাস কোম্পানি (দেশীয় সম্পদ বেশী হারে ব্যবহার হলেও উন্নতি সেই হারে হচ্ছে না) এগুলো হলো দেশের সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত খাত । কবে যে আমরা এসব ব্যাপারে সচেতন হবো ?? আমি দেশীয় কোম্পানির মটরসাইকেল কেনায় অনেকের নেতিবাচক মন্তব্য খুব খারাপ লেগেছে আমাকে । আমরাই যদি আমাদের পন্য না কিনি কে কিনবে ?? ভারতীয় মটর বাইকে ছেয়ে গেছে চারিদিকে । কেন পারি না এই বিদেশ প্রীতি থেকে বের হয়ে আসতে ??

চল না ভালবাসি আমাদের এই ভুমিটাকে । দেশ টাকে । দেশের কাছে শুধু চাওয়া থাকলেই হবে না । আমাদের নিজেদের দেশ সম্পর্কে ধারনা টাও পালটানো দরকার । আসুন দেশের সাথে থাকি । কথায় নয় কাজে ।
স্কটের একটা কথা দিয়ে শেষ করি
" দেশাত্ববোধ মানুষকে কাজকর্মে আন্তরিক করে তুলে ।"

আসলে আন্তরিক হচ্ছিতো আমরা ????????
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×