কিস্তিঃ ১
অনেক আগে হুমায়ূন আজাদ স্যারের “নারী” বইটাতে পড়েছিলাম “কেউ নারী হয়ে জন্মায় না, ক্রমশ সে নারী হয়ে উঠে” । কথাটার অর্থ সেই সময় ঠিক বুঝে উঠতে পারি নি কিন্তু এখন বুঝি। হায়রে নারী জাতি তোমরা আর কত নারী হয়ে উঠবে? তোমরা কি তোমাদের নারীত্তের মহত্ত্ব আজো বুঝে উঠতে পারলে না? পুরুষ শাসিত এই সমাজে তোমাদের আরও নারী করে তোলাটা পুরুষের সুপ্ত কামনাকে রমণ করানোর চলমান প্রক্রিয়া বৈ কিছু নয়। এই সত্যটাকে অনুধাবন ব্যাতিরেকে তোমারা নিজেদেরকে শুধুমাত্র ভোগ্যবস্তু হিসেবে সঁপে দেয়ার জন্য এ কী প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হোচ্ছ। অথচ এই নারী জাতিকেই বিদ্যা,বুিদ্ধ,মননে সামনে এগিয়ে নেয়ার জন্য আজ থেকে অনেক বছর আগে কী বন্ধুর পথটাই পাড়ি দিতে হয়েছিল মহয়সী নারী বেগম রোকেয়াকে। সময়ের আবর্তে আমরা তাঁকে ভুলে গেছি, ভুলে গেছি নারী জাতির প্রতি তার অবদানকে।
বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও উপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তার প্রায় প্রতিটি ছোট গল্প ও উপন্যাসে বাঙালি নারীর যে রূপ এঁকেছেন অমন করে আর কেউ সেটা পারেন নি। প্রশ্ন হচ্ছে, বাঙালি নারীদের রূপ না থাকলে তিনি কেমন করে সেটাকে উপস্থাপিত করতে পেরেছিলেন? নাকি বাঙালি নারীদের সেই রূপ গজিয়েছিল মেকাপ, ফেসিয়াল, স্পা করে? আমাদের মা, খালা, দাদি, নানিরাওতো এসব করেন নি, তারা কি রূপবতী ছিলেন না? বুঝলাম সময় পরিবর্তন হয়েছে, আমরা আধুনিক হয়েছি, সভ্য হয়েছি(!!!),তাই যুগের সাথে তাল মেলাতে না হয় এসব আমাদের জীবনের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে,তাই বলে নগ্নতাকে পুজি করে আধুনিকতার নামে নিজেকে ভোগ্যবস্তুতে পরিনত করা কখনই কাম্য নয়।
(বি.দ্রঃ শিরোনামের সাথে লেখার সম্পৃক্ততার ব্যাপারে অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে তাই বলছি, আমার কাছে মনে হয়েছে শিরোনামটার সাথে আরও অনেকগুলো বিষয় সম্পৃক্ত। তাই একটু বিশদভাবে লিখতে চাই। সবার সহযোগিতা কাম্য।)
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




