আমাদের খাদ্যাভ্যাস কোথায় গিয়ে ঠেকেছে।
ডিম খাব? ক্যামনে,বাজারে আজকাল ক্যামিক্যাল দিয়ে বানানো কৃত্তিম ডিম পাওয়া যায়।
মাছ খাব? মাছে আগে শুধু ফরমালিন দেয়া হত এখন ঢ্যাঁড়সের রস, কাপড়ের রঙ ও ফরমালিন একত্রে দেয়া হয়। মাছ তাজা রাখতে আরও একধাপ এগিয়ে।শুধু তাই নয়, বাজারে ড্রামের পানিতে জ্যান্ত মাছ দেখে আশাবাদী হয়েছিলাম। কোথায় কী। সেটাতেও নাকি একধরনের ক্ষতিকর এন্টিবায়োটিক ব্যাবহার করা হয় মাছকে বেশিক্ষণ জীবিত রাখতে।
এককাজ করি, ব্রয়লার মুরগী খাই। সেটাও কি সম্ভব? আজকাল ব্রয়লার মুরগিকে মোটাতাজা করতে ক্ষতিকর এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো হয় আর খাবার হিসেবে পশুর চামড়ার যে উচ্ছিষ্ট খাওয়ানো হয় তাতে থাকে বিষাক্ত ক্রোমিয়াম যা মানব দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর এইসব মুরগির মগজ, কলিজা আর অস্থিমজ্জায় ক্রোমিয়ামের মাত্রা থাকে সবচেয়ে বেশি। আজ থেকে পরিবারের ছোট সদস্যদের বেশি করে কলিজা খাওয়াব।
আর গরু বা ছাগলের মাংসে এমনিতেই কোলেস্টেরল মাত্রা থাকে বেশি। কিনতে গেলে কয়টা দোকানেই বা তাজা মাংস পাওয়া যায়। বেশিরভাগ-ই তো ফ্রিজিং থাকে।
শাকসবজিও সব এখন হাইব্রিড প্রজাতির আর সার দিয়ে যা-তা অবস্থা।
ডাব খাইতে গেলে শুনি, ডাবের ভিতর সিরিঞ্জ দিয়ে স্যাকারিন প্রবেশ করায় মিষ্টি লাগার জন্য।
তরমুজে ক্যামিক্যাল দেয় মিষ্টি ও লাল করার জন্য।
কলায় স্প্রে করে তাড়াতাড়ি পাকার জন্য।
আম, লিচুতে স্প্রে করে পাকায় মৌসুমের আগে বেশী মুনাফা করার জন্য।
কোথায় আছি আমরা, কী খাচ্ছি আমরা।কি খাব আমরা?
দশমিক শূন্য এক(০,০১) মাত্রার ওপরে ফরমালিন থাকলে সেটা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।অথচ, মাছে ব্যবহৃত হচ্ছে ০,৬০ মাত্রার উপরে। আম, লিচু বিভিন্ন ফলে ৯,২০ মাত্রার উপরে। ভয়ংকর অবস্থা।
দুর্ভিক্ষের সময় মানুষ খাবার স্বল্পতার কারণে মারা যায় আর এই যুগে মানুষ ভেজাল খাবার খাওয়ার কারণে মারা যাবে।
বিঃদ্রঃ দেশে এই বিষয়গুলো তদারকি করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় রয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




