চীনের রাজধানী বেইজিং-এর দু'টি বিশ্ববিদ্যালয়ে (BFSU এবং JU ) গিয়েছিলাম জুলাই মাসে। অনেক জিনিস শেখার আছে। তার মধ্যে একটা হলো কিভাবে ভাষা, সাহিত্য, এবং সংস্কৃতিকে যুগপৎ শিখতে এবং শেখাতে হয়। BFSU ক্যাম্পাসে কথা প্রসংগে জানলাম এখানে বাংলা বিভাগ রয়েছে বাংলা ভাষা শেখার জন্য। খুব ভালো লাগলো এটা জেনে এবং দুপুরের খাবারের পরের বিরতির সময়ে গেলাম দেখতে চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশী ভাষা শিক্ষার আয়োজন। ভাষা শিক্ষকবৃন্দ (বেশীর ভাগই চীনা) যিনি যে ভাষা শেখাচ্ছেন, তিনি সেই সংস্কৃতিও শেখাচ্ছেন সেই সাথে। উদাহরন: যিনি উর্দু শেখাচ্ছেন তিনি পাজামা-পান্জাবী বা কামিজ পরে ক্লাশ নিচ্ছেন, বাংলার চৈনিক ম্যাডাম শাড়ি পরে ক্লাশ নিচ্ছেন, লান্চ ব্রেকে ভাত-রুটি খাচ্ছেন, ইংরেজির শিক্ষক হ'লে স্যুটেড-বুটেড হয়ে বার্গার খাচ্ছেন ইত্যাদি। একজন ইংরেজী সাহিত্যের চীনা শিক্ষার্থীর সাথে কথা হলো: হেমিংওয়ে যার প্রিয় সাহিত্যিক। আলাপ হয়ে বোঝা গেলো, হেমিংওয়েকে সে যতো বিস্তারিত পড়েছে, তেমনটা হয়তো খোদ আমেরিকার অনেক শিক্ষার্থীও পড়ে নি। ভাষা, সাহিত্য, এবং সংস্কৃতিকে একসাথে ধারন করে শিখলে এবং শেখালেই পোক্ত হয়, আবার নতুন করে বুঝলাম।



সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




