একটা জিনিস দেইখা ইদানিং খুব আজিব লাগে,কেউ ইন্ডিয়ার সমালোচনা কইরা কিছু লিখলে হের গায়ে পাদা'র ট্যাগ লাইগা যায়।আর পাকিস্তানের সমালোচলা করলে হে ভাদা।যেন এই দুই জিনিসের মাঝখানে আর কিছু নাই।বিষয়ডা এমন দাড়াইয়া গেছে যে.ইন্ডিয়ার দুর্নাম যে করে হে পাকিস্তান লইয়া কিছু কইবোই না.একই ভাবে পাকিস্তানের বিপক্ষে যে কিছু কইবো হে যেন ইন্ডিয়ার বেলায় কিছু কইবো না।
আমার একটা জিনিসই মাথায় আসে না, হেগো কি এইডা বুঝার ঘিলু নাই যে,দুইডা দেশই আমগো কমবেশি বাঁশের উপ্রে রাখছে।যে যখন চান্স পাইসে বাঁশ মারছে।
ইন্ডিয়া আমগো মুক্তিযুদ্ধে অবশ্যই বিশাল অবদান রাখছে।এর মধ্যে কোন উদ্দেশ্য ছিল কিনা আমার জানা নাই।তবে একটা জিনিস বুঝি,একটা বড়সড় দেশ তার ছোট প্রতিবেশী কে শত্রুর হাত থেইকা রক্ষা করছে শুনলে যে বড়ভাই সুলভ স্নেহের কথা মানুষের মাথায় আসে.তার বিন্দুমাত্রও এখন ইন্ডিয়ার কাজেকর্মে দেখা যায় না।উল্টা ফারাক্কা-টিপাইমুখ বাঁধ,বি এস এফ এর নির্বিচারে বাংলাদেশী হত্যা সহ অনেক অনেক ঘটনা বন্ধুত্ব না.বরং শত্রুসুলভ আচরন প্রকাশ করে।
আর পাকিস্তান একাত্তরে কি করছে তা সারা দুনিয়া জানে।কিন্তু তারা এজন্য কোনদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমাও চায় নাই।পাদা রা কয়,ওরা আমগো যা ক্ষতি করার একবারই করছে,ইন্ডিয়ার মত তিলে তিলে মারে না।হেগো কই.আমগো কপাল ভাল ইন্ডিয়ার মত পাকিস্তান আমগো লগে সীমান্ত শেয়ার করে না.করলে ইন্ডিয়ার চাইতে খুব একটা ভাল কিছু করতো না।
তারপরও এদের কাউরে মহান বানাইয়া ওগো দালালী করার কোন মানে হয় না।
এই দালালীর বীজ এত গভীরে যে,ক্রিকেটে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল লেভেলে খেলার পরও বেশিরভাগ পাবলিক দেশের চেয়ে ইন্ডিয়া পাকিস্তানের টীম নিয়া বেশি ফালাফালি করে।ইভেন অনেকে বাংলাদেশের লগে ইন্ডিয়া বা পাকিস্তানের খেলা হইলে ভিতরে ভিতরে ওগো সাপোর্ট করে।ফুটবলে না হয় আমগো টীম এত উপরের লেভেলে যায় নাই.তাই আমরা ব্রাজিল আর্জেন্টিনা নিয়া ফালাফালি করি।এইটা তবু মানা যায়।কিন্তু ক্রিকেটে এত চমত্কার একটা টীম থাকার পরও ইন্ডিয়া পাকিস্তান সাপোর্ট করাটা মানা যায় না।
তাই যাগো খুব দালালী করার শখ,হেগো নিজের দেশের দালালীই করা ভাল,কামে দিব।কারন নিজের দেশের দালালী করায় আর যাই হোক,লজ্জা নাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


