বোকা সাদিক বলে: "পূণর্াঙ্গ জীবন বিধান" কথাটার একটু ব্যাখ্যা করো।
যারা তথাকথিত ইসলামী রাজনীতির জোর সমর্থক, তাদের মূল কথাই হলো, রাজনীতি ইসলামের অতি আবশ্যিক কম্পোনেন্ট। রাজার নীতি ইসলামে আছে, মানলাম। রাজ্য চালানোর উদাহরনরেই রাজার নীতি অর্থাৎ রাজনীতি যদি বলি, আমিও বলি ঠিকাছে।
সমস্যা ওইখানে না। সমস্যা হইলো, এই যে রাজ্য চালনার পদ্ধতি; সেইটা কি মধ্যযুগের পদ্ধতিতে সীমাবদ্ধ রেখেই আমরা গলাফাটাবো ইসলাম পূণাঙ্গ জীবন বিধান, সবকিছু পূণাঙ্গ হয়েই আছে? যা আছে তাই খাও।
ইসলাম আর রাজনীতি আসলেই অবশ্যম্ভাবী আসে শরীয়া। শরীয়া প্রসঙ্গে আসলেই এই পূর্নাঙ্গ জীবন বিধান মিথটা চইলা আসে।
বুঝতে হইলে শরীয়া কি, এর উৎপত্তি কি নবীর সময়ে নাকি আরো অনেক পরে সেইটা নিয়ে শুরু করতে হয়। শরীয়ার আবশ্যক যে অংশ যেমন কুরআনের তাফসীর, ফিকহ, ফতোয়া -এই জিনিসগুলো নবীর আমলে অস্তিত্বই ছিলো না। অস্তিত্ব পাইছে অনেক পরে, মানুষের হাতেই। কাজেই শরীয়া মানে আল্লাহর আইন, এইটা একটা মিথ। শরীয়া মানে নিতান্তই মানুষের তৈরী ব্যাখ্যা। এইটা বোঝা খুব খুব জরুরী। আলাহর নাম নিয়া ওসামা সন্ত্রান করে, রাজনীতি বিদেরা ও ইসলামের অনেক চাটুকার বুদ্ধিজীবিরা করিয়াছেন তথ্য সন্ত্রাস বিভিন্ন সময়ে। অনেক মিথ তাই "আল্লাহর আইন" নামে প্রচলিত।
যে মানুষগুলা শরীয়ার রূপ ও শরীর দিছে সেই সব মানুষগুলা কি ফেরেশতা, না নবী? কোনটাই না।
তারা কোন যুগে বাস করতো? বেশিরভাগই মধ্যযুগে। ইসলামী আইনের খুব একটা আপডেট হয় নাই।
তাদের ইন্টারপ্রেটেশন তাইলে কোন যুগের? সেইটাও মধ্যযুগের। কোন সমাজের? আরব বেদুঈন সমাজের।
তাইলে সেইটারে রাজনীতির মাধ্যমে ইমপোর্ট করলে কি হবে? আমরা আগাবো না পিছাবো?
ধর্ম কবিরা এইখানে নীরব। তারা সমস্বরে ওয়াজ করবেন, "কতবড় বেঈমান। বললাম, ইসলাম হইলো পূণাঙ্গ জীবন বিধান, তারপরেও তর্ক করতে আসে!"
সুতরাং ব্যাক টু স্কয়ার ওয়ান। পূণাঙ্গ জীবন বিধান বলার আগে কিসে পূনাঙ্গ হয়, বুঝায়ে কও।
>> ব্লগে বেশি কথা বইলা পোস্ট দিলে মুশকিল। তাই ধুমায়ে সংক্ষেপে লিখছি। যা বলছি তার পক্ষে কুরআনের আয়াতের রেফারেনস পাইতে [link|http://tinyurl.com/ycktwm|GB AwWIUv kyb
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


