সেই কথার জের টেনে, আমার মন্তব্য .... পোস্ট আকারেই দিয়ে দিলাম। তর্ক হতে পারে...
প্রভু তোমার প্রতি শান্তি বর্ষণ করুন, নাসিমা। ঠিক খ্রিষ্টানরা যেভাবে তাদের গড, আর মুসলিমদের আল্লাহকে আলাদা করে মানবতার বিভাজন চায়, ঠিক তেমনি আপনার কথাটি হলো।
ঈশ্বর, ভগবান, খোদা, আল্লাহ কার নাম জানেন? এটা সেই একজনের নাম যার আসলে কোন নাম, রূপ, তুলনা, ধারনা নেই।
এই কারনে কোরআনে বলা আছে যত সুন্দর নাম সবই তার, তাকে রহমান বলো বা রব বলো সব নামেই তিনি তোমার ডাকে জবাব দেবেন। (যার তাৎপর্য এই যে তার কোনো একক নাম নেই, তিনি নাম ও ভাবের উর্দ্ধে)
পড়েননি কোরআনের বাণী, বলো তিনি এক, এবং তার কোনো তুলনা নেই ।
ঈশ্বর নাকি আল্লাহ, নামাজ পড়া নাকি প্রার্থনা করা - ধর্মান্ধরা এগুলোকে আলাদা করে কি প্রমাণ করতে চায়? এতে বিভেদ তৈরী হয়, শুধুই বিভাজন।
পড়ুন কোরআন শরীফে, And see! this your religion is one religion and I am your Lord, so keep your duty unto Me. But mankind have broken their religion among them into sects, each group rejoicing in its tenets. (The Quran, chapter 23, verse 52, 53)
কোরআন শরীফে বলা আছে, তোমাদের প্রভু বা উপাস্য ঐ একজনই। সারা জীবন লা ইলাহা... পড়েও যদি এই সত্যটুকু না বুঝতে পারি, তবে জিকি র করে কি লাভ হলো?
আমরা যারা তথাকথিত মুসলিম (এবং কারনে অকারনে অন্য ধর্ম নিচু চোখে দেখি) তারা কখনো বেদ পড়ে দেখেছি, অথবা উপনিষদ?
পড়ে দেখলে ঈশ্বর বা আল্লাহ সম্পর্কে ধারনা অনেক পরিস্কার হয়ে যেতো। তার সাথে সাথে প্রতিবাদ করার প্রয়োজনীয়তাও উধাও হতো। আমরা অনেকে তাহলে ধমর্ান্ধদের কাতারে আসতাম না। এবং শেষ বিচারে অন্ধ হিসেবে পুন:জ ন্ম নেওয়ার সম্ভাবনাটাও হ্রাস পেতো।
প্রভু তুমি ক্ষমা করো।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




