somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন নাম নিয়ে তর্ক করি

১১ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

'ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও 'লেখায় নাসিমা মন্তব্য করেছেন, 'কিন্তু ঈশ্বর মঙ্গল করুন এর পরে আমিন বলা মুসলিম ধর্মে জায়েজ না। মানে মুসলিমদের ভাষায় আল্লাহকে ঈশ্বর বলা ঠিক না।'

সেই কথার জের টেনে, আমার মন্তব্য .... পোস্ট আকারেই দিয়ে দিলাম। তর্ক হতে পারে...

প্রভু তোমার প্রতি শান্তি বর্ষণ করুন, নাসিমা। ঠিক খ্রিষ্টানরা যেভাবে তাদের গড, আর মুসলিমদের আল্লাহকে আলাদা করে মানবতার বিভাজন চায়, ঠিক তেমনি আপনার কথাটি হলো।

ঈশ্বর, ভগবান, খোদা, আল্লাহ কার নাম জানেন? এটা সেই একজনের নাম যার আসলে কোন নাম, রূপ, তুলনা, ধারনা নেই।

এই কারনে কোরআনে বলা আছে যত সুন্দর নাম সবই তার, তাকে রহমান বলো বা রব বলো সব নামেই তিনি তোমার ডাকে জবাব দেবেন। (যার তাৎপর্য এই যে তার কোনো একক নাম নেই, তিনি নাম ও ভাবের উর্দ্ধে)

পড়েননি কোরআনের বাণী, বলো তিনি এক, এবং তার কোনো তুলনা নেই ।

ঈশ্বর নাকি আল্লাহ, নামাজ পড়া নাকি প্রার্থনা করা - ধর্মান্ধরা এগুলোকে আলাদা করে কি প্রমাণ করতে চায়? এতে বিভেদ তৈরী হয়, শুধুই বিভাজন।

পড়ুন কোরআন শরীফে, And see! this your religion is one religion and I am your Lord, so keep your duty unto Me. But mankind have broken their religion among them into sects, each group rejoicing in its tenets. (The Quran, chapter 23, verse 52, 53)

কোরআন শরীফে বলা আছে, তোমাদের প্রভু বা উপাস্য ঐ একজনই। সারা জীবন লা ইলাহা... পড়েও যদি এই সত্যটুকু না বুঝতে পারি, তবে জিকি র করে কি লাভ হলো?

আমরা যারা তথাকথিত মুসলিম (এবং কারনে অকারনে অন্য ধর্ম নিচু চোখে দেখি) তারা কখনো বেদ পড়ে দেখেছি, অথবা উপনিষদ?

পড়ে দেখলে ঈশ্বর বা আল্লাহ সম্পর্কে ধারনা অনেক পরিস্কার হয়ে যেতো। তার সাথে সাথে প্রতিবাদ করার প্রয়োজনীয়তাও উধাও হতো। আমরা অনেকে তাহলে ধমর্ান্ধদের কাতারে আসতাম না। এবং শেষ বিচারে অন্ধ হিসেবে পুন:জ ন্ম নেওয়ার সম্ভাবনাটাও হ্রাস পেতো।

প্রভু তুমি ক্ষমা করো।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০০৬ ভোর ৫:১৫
১৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৬)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০১



সূরাঃ ১৬ নাহল, ৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯৩। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে এক উম্মাত (একজাতি) করতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×