পিয়ানোর সবগুলো বোতামে যদি একই সুর থাকতো, তাহলে কি অসাধারন মূর্ছণা সুনতে পেতাম? সব মানুষ বিড়ালের মতো ঠিক একই সুরে মিউ মিউ করলে কি মানুষের মনুষ্যত্ত্ব বৃদ্ধি পেতো?
সব মানুষ যদি একই চিন্তা করতো, তাহলে কি আমাদের বেঁেচ থাকা এবং 'বাঁ ধ ভাঙ্গার আওয়াজে' লেখার ও পড়ার কোন মানে থাকতো?
মানুষের চিন্তার যে বিভিন্নতা তা মহান স্রষ্টার নিজস্ব পরিকল্পনার অংশ। সৃষ্টির মধ্যে বৈচিত্র্য তিনি সেই কারনেই তৈরী করেছেন।
যারা জোর করে পিয়ানোর সবগুলো বোতামে একই সুর দিতে চান, তাদেরকে বলবো ... কাজটা ঠিক নয়। আপনার কাছে ধর্ম বলতে যে হাতে গোনা ব্যাপার, ধর্ম তার থেকে অনেক ব্যাপক।
আমাদের নবী (সা
যেখানে স্রষ্টা তার সৃষ্টিকে বৈচিত্র্যের মধ্যে সৃষ্টি করেছে এবং তিনি বৈচিত্র্য ভালোবাসেন, সেখানে আপনি কেন ভাই অন্যের মতের প্রতি এত আনকমপ্রোমাইজিং?
অন্যের মতামতকে মূল্য দিতে এবংসন্মান দিতে শিখুন। অন্যের ধর্মকে শ্রদ্ধা করতে শিখুন।
ভলতেয়ারের একটি উক্তি খুব প্রাসঙ্গিক এই প্রসঙ্গে:
"I may disagree of what you say, but I will defend to the death - your right to say it."
- Voltaire
কয়জন আছি আমরা ভলতেয়ারের এই স্পিরিটকে ধারন করতে পারি?
পরিশেষে কোরআনের একটি উদ্ধতি দিয়ে শেষ করি আজকের মতো:
There is no compulsion in religion; truly the right way has become clearly distinct from error; therefore, whoever disbelieves in the Shaitan and believes in Allah he indeed has laid hold on the firmest handle, which shall not break off, and Allah is Hearing, Knowing.
The Quran (002.256)
তারপরেও আমরা কেউ কেউ খুব ইচ্ছা করি সবাইকে জোর করে ওয়াহাবি বানাতে? আল্লাহর বাণীর প্রতি সেকি নির্মম পরিহাস।
প্রভু তুমি মোদের জ্ঞান দাও! রাবি্ব যিদনী এলমান।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




