ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের নেতারা জামায়াত ও নিজামী-মুজাহিদদের কর্মকাণ্ডের দায়ভার না নিতে ছাত্রশিবির কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
গতকাল বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নগর ১৪ দলের বৈঠকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে জনমত সৃষ্টিসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের বর্বরতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ঢাকার ১৫টি সংসদীয় আসনে জনসভা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নেয়া হয়।
বৈঠকে ১৪ দলকে রাজনীতির মাঠে আরও সক্রিয় করার লক্ষ্যে এখন থেকে নগর ১৪ দলের ধারাবাহিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তী বৈঠক আগামী সপ্তাহে জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠক থেকেই ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে ১৪ দলীয় জোটগত একক প্রার্থী নির্ধারণবিষয়ক আলোচনা হবে বলে জানানো হয়।
ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, নির্বাচনে জিতে আমাদের কেবল আনন্দে মগ্ন থাকলেই চলবে না। নির্বাচনের পরাজিত শক্তি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ বিনষ্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, জেএমবি’র অত্যাচার-নির্যাতনের অধ্যায় শেষ হলেও শিবিরের মাধ্যমে আবারও সেই পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা তারই ইঙ্গিত বহন করে। যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরুর দ্বারপ্রান্তে তখনই এই অপশক্তির তাণ্ডব শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, আজকের তরুণ শিবির কর্মীরা ’৭১-এ জামায়াত-নিজামী গংদের অপকর্ম, তাণ্ডব দেখেনি। তাই সভা-সমাবেশ করে তরুণ শিবির কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাতে হবে, যেন তারা নিজামী-মুজাহিদ গংদের অপকর্মের দায়ভার নিজেদের কাঁধে তুলে না নেয়। আমরা যারা প্রগতিশীল দলের সমর্থক, তাদের অনেক আত্মীয়-স্বজনই বিভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাসী। এদের মধ্যে যারা জামায়াত-শিবির সমর্থক তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে নগর ১৪ দলের সমন্বয়ক ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, আমরা দেশ পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতা করব। আর রাজপথে থেকে জামায়াত-শিবির ও যুদ্ধাপরাধীদের মোকাবিলা করব।
সংগ্রহেঃ- আমার দেশ
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


