রীতা মানসারী একজন কলেজ শিক্ষিকা। প্রতিদিন সকাল বিকেলে কলেজে আসাযাওয়া করেন রিকশায়। মসজিদের পবিত্রভুমি, দেশপ্রেমিক রাজনীতিকদের পীঠস্থান, সরকারী আমলা আর বিদ্যানদের পদচারনায় মুখর ঢাকায় ছিনতাইকারীদের সাথে শুভসাক্ষাত কি অস্বীকার করার উপায় আছে। রীতা মানসারীরও সে উপায় ছিল না। সুতরাং একদিন দিনে দুপুরেই রিকশা থেকে টাকাপয়সা সহ ছিনিয়ে নেয়া হল ব্যাগ। কাঁপতে কাঁপতে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ী ফিরলেন।
রীতা মানসারী ঠেকে শিখলেন। এখন ব্যাগ বুকে জড়িয়ে বসে থাকেন রিকশায়। পরপর পাঁচবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলো ছিনতাইকারীরা। আগে ছিনতাইকারী শব্দ শুনলেই কাঁপুনি শুরু হতো বুকে, আর এখন অদম্য সাহস।
কিন্তু ক'দিন আগে সে সাহসটুকুও উধাও। পাশের বাসার এক পঙ্গু ভদ্রলোকের আঙ্গুল কামড়ে নিয়ে গেছে ছিনতাইকারীরা। পাশে বসা সঙ্গীর বুকে ছুড়ি মেরে প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এখন কি উপায় ?
সন্ত্রাস আর ছিনতাইএর সাথে প্রতিদিনের গেরস্থালী আমাদের। তাই শুনেছি, দাতা দেশগুলোতে নাকি ইস্পাতের হাতমোজা ও বল্লমের অর্ডার দেয়া হয়েছে। আপনারা কি শুনেছেন এমন কোন খবর ?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


