somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অদৃশ্য শিল্পকর্ম: মুল স্টেফান ৎসোয়াইগ, জার্মান থেকে অনুবাদ: তীরন্দাজ (প্রথম পর্ব)

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(এ অবধি যতগুলো গল্প পড়া হয়েছে আমার, তার মাঝে এ গল্পটিকে অতি উঁচুতে জায়গা দিতে পারি নির্দ্বিধায়। যারা গল্প পড়েন ও ভালোবাসেন, মনে হয়না তাদের খুব একটা দ্বিমত থাকবে। যদি রসের কোন কমতি ঘটে, সেটা অনুবাদকেরই অপারগতা হিসেবে ধরে নেবেন।)

ড্রেসডেন পেরোনোর পর একজন মাঝবয়েসী ভদ্রলোক উঠলেন আমাদের কামরায়। খুব ভদ্র সম্ভাষন জানিয়ে তারপর এমনভাবে মাথা নাড়লেন, যেন অনেক দিনেরই পরিচিত। প্রথমে চিনে উঠতে না পারলেও যখন তিনি মৃদু হেসে নিজের নামটি বললেন, তক্ষুনি সাথে সাথে চিনে ফেললাম। বার্লিনের একজন স্বনামধন্য প্রাচীন শিল্পকর্মের সংগ্রাহক। তার কাছ থেকে যুদ্ধের আগে অনেকবারই পুরোনো বই ও আত্মজীবনী ঘাটাঘাটি করেছি ও কিনেছি। শুরুতে আমাদের কথাবার্তা অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকলো। হঠাৎ প্রসঙ্গ পাল্টালেন তিনি।

আপনাকে না বলে পারছিনা, কোত্থেকে এমুহুর্তে ফিরছি আমি। সাতাশ বছরের শিল্পকর্ম ব্যাবসায়ী জীবনে এ ধরণের অদ্ভুত ঘটনাচক্রের মুখোমুখি কখনোই হতে হয়নি। আপনি হয়তো নিজেও জানেন, টাকার মুল্য যেখানে হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন, সেখানে আমার এই ব্যবসার কি অবস্থা হতে পারে। নব্য ধনীরা হঠাৎ করেই নিজেদের 'গথিক ম্যডোনা ও ইনকুনাবেল' ও পুরোনো স্কেচ এর প্রতি তাদের প্রগাঢ় ভালোবাসার টান আবিস্কার করেছেন। মনে হয়, পারলে তারা কারো সার্টের হাতা থেকেই বোতাম ও টেবিল থেকে টেবিলল্যম্পটি কিনে নিতে দেরী করতেন না। স্বভাবত:ই আরো বেশী মালামাল জোগাড় করা দিনের পর দিন আরো বেশী জরুরী হয়ে পড়লো। ক্ষমা করবেন, আমরা যে শিল্পকে এতোটা সমীহের দৃষ্টিতে দেখি, হঠাৎই তাকে মালামাল আখ্যা দিচ্ছি বলে। কিন্তু কি করবো? এই কিম্ভুত জাতের নব্য ধনীদের এটাই যে অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। একটা অতুলনীয় প্রাচীন ভেনিসিয় ছাপকে কে তারা একগুচ্ছ ডলারের ওজনে মাপে ও গুয়ারেচিনোর হাতের একটি স্কেচকে মনে করে কিছু একশো ফ্রাঙ্ক নোটের পূনর্জন্ম। তাদের এই হঠাৎ ক্রয়োন্মাদনার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর কথা কেউ ভাবতেই পারে না। একদিন সারারাত খেটে খেটে অস্বাভাবিক ক্লান্ত। মনে হলো যেন ব্যবসা বন্ধ করে দেয়াই ভাল। প্রচন্ড আত্মগ্লানিতে ভুগছিলাম এই ভেবে যে, যে ব্যাবসা আমার বাবা আমার পিতামহের কাছ থেকে নিয়ছেন, এখন মুল্যহীন জঞ্জালে পরিপূর্ণ। উত্তর জার্মানীর কোন রাস্তার ফেরিওয়ালাও হয়তো এসব জঞ্জাল তার ঠেলাগাড়ীতে সাজাতো না।

এই সমস্যার মুখেমুখি হয়ে আমাদের ব্যবসার পুরোনো খাতাগুলো খুটিয়ে দেখব বলে স্থির করলাম একদিন। আশা, হয়তো এমন কোন পুরোনো ক্রেতা খুঁজে বের করতে পারবো, যার কাছ থেকে একটা দু'টো মুল্যবান কিছু হাতিয়ে নেয়া যায়। আসলে এই সময়ে ক্রেতাদের এমন এক তালিকাকে একটা কবরস্থানের সাথে তুলনা করা যেতে পারে ও স্বভাবতই তা আমার জন্যে নতুন কোন পথের সন্ধান দিল না। বেশীরভাগ ক্রেতাই তাদের সংগ্রহ নিলামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। অনেকে বেঁচেও নেই আর। বাকী যারা আছেন, তাদের কাছে প্রত্যাশানুযায়ী কিছুই নেই। কিন্তু এরই মাঝে হঠাৎই একজন সবচেয়ে পুরানো ক্রেতার একগুচ্ছ চিঠি পড়ল হাতে। তার কথা ভুলেই গিয়েছিলাম একারণে যে, ১৯১৪ সাল থেকে তিনি কোন কিছুই আমাদের কাছ থেকে কেনা বা খোঁজখবর, কিছুই করেন নি। বাড়িয়ে বলছি না একেবারেই, চিঠিগুলো প্রায় ষাট বছরের পুরোনো। আমার পিতা ও পিতামহের কাছ থেকে তিনি কেনাকাটা করেছেন, কিন্তু তারপর, আমার সাতাশ বছরের নিজস্ব ব্যাবসায়িক জীবনে কখনো আমাদের দোকানে ঢুকেছেন কি না, তা বলতে পারবো না। সব দেখে মনে হলো, তিনি নিশ্চয়ই একজন অদ্ভুত, প্রাচীনপন্থি ও বিচিত্র ধরণের মানুষ হবেন। প্রায় বিলীন হয়ে যাওয়া মানসেল অথবা স্পিট্সভেগ বর্নণার কাছু জার্মান, যারা ছোট মফস্বল শহরগুলোতেই ইতিহাসের মতো টিকে আছেন। তার লেখা চিঠিগুলোকে অংকনশিল্প হিসেবে দেখা যেতে পারে। অক্ষরগুলো পরিস্কার সাজানো, সংখ্যাগুলোর নীচে রুলারে লাল রং এর লাইন টানা। সেসাথে কোন ভুল বোঝার অবকাশ যাতে না থাকে, সেজন্য প্রতিটি সংখ্যাই ওনি দু্থবার করে লিখেছেন। প্রায় ক্ষয়ে যাওয়া পুরোনো ব্যবহৃত কাগজ, সস্তা খামের ব্যাবহার এই মফস্বলবাসীর অতিরিক্ত সাবধানতা ও অসুস্থ কৃপনতাকেই প্রমান করে। চিঠির শেষে সাক্ষরে নামের সাথে রয়েছে উপাধি, যার অর্থ বোঝা দুস্কর। প্রাক্তন জঙ্গল ও অর্থবিদ্যা উপদেষ্টা, প্রক্তন লেফ্টেনেন্ট, প্রথম শ্রেনীর লৌহমানব পদক প্রাপ্ত। আঠারোশ্থ সত্তুর-একাত্তুরের সালের যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছেন, সেভাবে হিসেব করলে যদি বেঁচে থাকেন, তাঁর বয়েস আশির কাছাকাছি হবার কথা। কিন্তু পুরোনো নকশার সংগ্রাহক হিসেবে এই অস্বাভাবিক, হাস্যকরভাবে কিপটে, বিচিত্র মানুষটির অতুলনীয় চাতুর্য ও নিখুত মেধার প্রমাণ পাওয়া গেল, যখন তার ষাট বছর আগের অর্ডারগুলো ধীরে ধীরে পড়া হলো আমার। প্রথম দিককার কেনা জিনিসগুলোর দাম পরিশোধ করেছিলেন রৌপ্য মুদ্রায় ও তাতেই সজাগ হয়ে উঠলাম। যেখানে এক পয়সার বিনিময়ে সে সময়ে গোটা ছয়েক অতি সুন্দর কাঠের উপর খোদাই করা নকশা কেনা যেত, সেখানে এই ভদ্রলোক কিনেছেন তামার উপর খোদাইএর কাজ। এই তামার উপর খোদাই কাজগুলোই এখনকার তথাকথিত নব্য ধনীদের চাহিদা সসন্মানে পুরন করতে সক্ষম। সামান্য মার্ক ও পেনির বিনিময়ে গত অর্ধশতাব্দীতে যা কেনা হয়েছে, এখন সেগুলোর মুল্য এখন আকাশচুম্বী। তাছাড়া নীলাম ও অন্যান্য বিক্রেতাদের প্রভাবেও দাম আরো বেশী উঁচুতে তুলে দেয়া হয়েছে। ১৯১৪ সাল থেকে ওনার আর কোন ফরমাস আসেনি। কিন্তু এ অবধি যতগুলো উল্লেখযোগ্য নীলাম বা সরাসরি কেনাবেচা হয়েছে, তার খবর রেখেছি। তাই তাঁর এতবড় সংগ্রহ নিয়ে তেমন কিছু ঘটলে খবর পেতাম। সুতরাং ধরে নেয়া যায়, এই আজব ভদ্রলোক এখনও বেঁচে আছেন বা তার সংগ্রহ তার আত্মীয় পরিজনদের হাতেই রয়েছে।

আমার আগ্রহ হলো, তাই চিঠিগুলো পড়ার পরদিনই, অর্থাৎ গতকাল সন্ধ্যায় সোজা সাকসেনের এই আজব মফস্বল শহরে রওয়ানা হয়ে গেলাম। ছেট্ট রেলষ্টেশনটি পেরিয়ে বড় রাস্তায় পড়তেই বিশ্বাস হতে চাইল না, যে এই মফস্বল শহরের সস্তা চটকদার বাড়ীগুলোর কোন এক কামরায় এমন একজন মানুষ বাস করতে পারেন, যার কাছে রেমব্রান্টের অপরূপ ছবি, ড্যুরার ও মনটেগনাসের স্কেচ পুরো অক্ষত অবস্থায় থাকতে পারে। কিন্তু এখনকার পোষ্ট অফিসে গিয়ে যখন প্রশ্ন করলাম, এই নামে এখানে কোন জঙ্গল ও অর্থবিদ্যা উপদেষ্টা বাস করেন কি না, তারা ঠিকই বলতে পারলেন। অবাক হলাম খুব। স্বীকার করতে বাধ্য, একটু দুরু দুরু বক্ষেই দুপুরের আগে সেদিকে রওয়ানা হলাম।

বাসাটি খুঁজে বের করতে তেমন বেগ পেতে হলোনা। এক সস্তা বাড়ীর দোতালায় তাঁর বাস। বাড়ীটা দেখে মনে হলো কোন এক দুরদর্শী রাজমিস্ত্রী ষাটের দশকে তাড়াহুড়ো করে কোনভাবে দাঁড় করিয়েছে। একতলায় থাকেন এক সাদামাটা দর্জী, দোতালার বা দিকে দেখা গেল এক পোষ্টমাষ্টারের নামফলক, আর ডানদিকে চিনেমাটির ফলকে জঙ্গল ও অর্থবিদ্যা উপদেষ্টা নাম লেখা। একটু ইতস্তত: করে বেল বাজানোর সাথে সাথেই কালো পোষাক পড়া সাদা চুলের এক বৃদ্ধা দরজা খুলে দিলেন। আমি আমার ভিজিটিং কার্ড দিয়ে জানতে চাইলাম, বন উপদেষ্টার সাথে দেখা করতে পারি কি না। একটু অবাক ও কিছুটা সংশয়ী দৃষ্টিতে আমাকে দেখে কার্ডটি নিলেন তিনি। মনে হলো অজ মফস্বল শহরের এই পুরোনো বাড়ীতে বাইরের অতিথির আগমন কদাচিৎ। তিনি আমাকে ভদ্রভাবে অপেক্ষা করার জন্যে অনুরোধ করে কার্ডটি নিয়ে ভেতরের ঘরে গেলেন। প্রথম ফিসফিসিয়ে কিছু আলাপ আলোচনা শোনা গেল ও তারপরই জোর এবং খনখনে পুরুষের গলার আওয়াজ।
- ও! বার্লিন থেকে মি: আর..। এত বড় সংগ্রাহক! অবশ্যই আসতে পারেন.. অবশ্যই আসতে পারেন.. খুবই আনন্দের কথা।
এবং সাথে সাথেই সে বৃদ্ধা গুটি গুটি পায়ে বেরিয়ে এলেন আবার ও আমাকে সাদরে ভেতরে নিয়ে গেলেন।

ওভারকোটটি খুলে ভেতরে ঢুকলাম। সহজ ভাবে সাজানো ঘরে সোজা হয়ে দাঁড়ানো যতো না বয়স্ক, তারচেয়ে বেশী ধারালো চেহারার এক ভদলোক। তাঁর মুখের উপরে ঘন খোঁচা খোঁচা গোঁফ ও পরণে সেনাবাহিনীর পোষাক। আমাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্যে দু'হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন । এই প্রানখোলা স্বতস্ফুর্ত আমন্ত্রনের মাঝে এক ধরণের অদ্ভুত অসাঢ়তা তাঁর দাড়ানোর ভঙ্গীতে টের পেলাম। আমার দিকে এক পা ও এগিয়ে আসেন নি, বরং আমাকেই বেশ অপ্রস্তুত অবস্থার মাঝে তাঁর দিকে এগিয়ে যেতে হলো। যখন তাঁর হাত ধরতে গেলাম, দেখলাম তার হাত সামনে না এগিয়ে আমারই হাতের অপেক্ষায় স্থির। পরক্ষনেই বুঝলাম, উনি অন্ধ।

ছোটবেলা থেকেই কোন অন্ধের মুখোমুখি হলে বেশ অসহায় বোধ করতাম। এক ধরণের অপরাধ ও জড়তায় ভুগতাম এই ভেবে যে, একজন মানুষকে আমি যতোটা প্রানবত্ত ভাবে অনুভব করছি, সে মানুষটি ততটা পারছেন না। এবারও আমাকে প্রাথমিক ভয় কাটাতে হলো, যখন তার খাড়া, ঘন ভুরুর নীচে তার মৃত, কোন এক শুন্যতার দিকে মেলে ধরা চোখের দিকে তাকালাম। কিন্তু এই অন্ধ ভদ্রলোক বেশীক্ষন আমাকে এই বিমুঢ় অবস্থায় থাকতে দিলেন না। তাঁর হাতে আমার হাত স্পর্শ করতেই তিনি ধরে জোরে ঝাঁকি দিলেন ও তার অভ্যর্থনার পূনরাবৃত্তি করলেন।
- এক বিরল অতিথি, বলেই চওড়া হাসি হেসে বললেন,
- আমি সত্যিই অবাক! বার্লিনের এক নামীদামী মানুষ পথ ভুলে আমাদের এখানে।...তার মানে যখনই ওখানকার কোন ব্যবসায়ী আমাদের কথা ভেবে ট্রেনে চড়েন, তখনই সাবধান হওয়া দরকার ।....আমাদের এখানে বলা হয়, ঘরবাড়ী আর টাকাপয়সা সামলাও, যখন কোন জিপসী আসে। তবে অনুমান করতে পারছি, কেন আমার কাছে এসেছেন।... আমাদের দরিদ্র, ধ্বংসপ্রাপ্ত জার্মানীতে ব্যাবসাপাতির অবস্থা খুবই খারাপ। ভাল ক্রেতাও আর নেই, বড় বড় ব্যাবসায়ীরা তাই হঠাৎ পুরোনো ক্রেতাদেরই তালাশ করছেন, অনেকটা হারানো ভেড়া খুঁজে বের করার মতো।.. কিন্তু আমার এখানে, মনে হচ্ছেনা ভাগ্য খুলবে আপনার। আমরা গরীব, অবসরপ্রাপ্তরা এমনি অবস্থায় যে, খাবার টেবিলে এক টুকরো রুটি দেখলেই আনন্দিত বোধ করি। আপনারা যে পাগলের মতো দাম চান, তার কাছাকাছি আমরা কখনোই যেতে পারবো না। আমরা এখন চিরদিনের জন্যেই বাতিল।

তার কাছে কিছু বিক্রি করা আমার উদ্দেশ্য নয়, এ কথা বলে ভুল শুধরে দিলাম তাঁর । জানালাম, কোন কাজে কাছাকাছি কোথাও এসেছি ও এই সুবাদে তার মতো জার্মানীর এত বড় শিল্পসংগ্রাহকদের একজনকে সন্মান জানানোর সুযোগটি হেলায় হারাতে চাই নি। জার্মানীর এত বড় শিল্পসংগ্রাহক শব্দটি শুনেই অভাবনীয় এক পরিবর্তন দেখা গেল বৃদ্ধের চেহারায়। একক্ষন ওনি ঘরের মাঝখানে সোজা হয়েই দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু এবার তার দাঁড়াবার ভঙ্গীতে এক আলোর বিচ্ছুরণ ও ভেতর থেকে ফুটে ওঠা গর্ব এসে ভর করলো। স্ত্রী যেদিকে থাকবেন বলে অনুমান তার, সেদিকে মুখ ফেরালেন।
- শুনছ!
একেবারে উৎফুল্ল তাঁর গলার আওয়াজ, মিলিটারীর কর্কশ আওয়াজ একেবারেই বদলে গেছে এবার, যা একটু আগেও ছিল। এখন কোমল, আদুরে তার গলার স্বর। আমার দিকে ফিরে বললেন,
- এটা সত্যিই খুব আনন্দের যে আপনি আমার কাছে এসেছেন। কিন্তু আপনার আসা বিফলে যাবে না। এখানে আপনি এমন কিছু দেখতে পাবেন, যা আগে কখনও পান নি। এমনকি জমকালো বার্লিনেও নয়। কিছু কিছু কাজ দেখবেন, যা ্তুআলবারটিনা্থ এবং প্যারিসেও এতটা নিখুত পাওয়া যাবে না। ষাট বছরের সংগ্রহে একসময় অনেক কিছুই জমে যায়, যা রাস্তাঘাটের নয়। লুইস, আলমারীর চাবিটা দাও
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আওয়ামীলীগ ও তার রাজনীতির চারটি ভিত্তি, অচিরে পঞ্চম ভিত্তি তৈরি হবে।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯০

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯



আমাদের ছোট্র বাংলাদেশে অনেক কিছু ঘটে।
সেই বিষয় গুলো পত্রিকায় আসে না। ফেসবুকেও আসে না। অতি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষ মাতামাতি করে না। কিন্তু তুচ্ছ বিষয় গুলো আমার ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

সনদ জালিয়াতি

লিখেছেন ঢাকার লোক, ০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫২


গতকাল দুটো সংবাদ চোখে পড়লো যার মূল কথা সনদ জালিয়াতি ! একটা খবরে জানা যায় ৪ জন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে জাল জন্ম মৃত্যু সনদ দেয়ার জন্য, আরেকটি খবরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষ বিকেলের বৃষ্টি

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭


বিকেলের শেষে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে
জানালার ধারে দাঁড়িয়ে ছিলে চুপ,
তোমার ওমন ঘন মেঘের মতো চুলে
জমে ছিল আকাশের গন্ধ,
কদমফুলের মতো বিষণ্ন তার রূপ।

আমি তখন পথহারা এক নগর বাউল,
বুকের ভেতর কেবল ধোঁয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরহুম ওসমান হাদীর কারণে কবি নজরুলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯


ইনকিলাব মঞ্চের জাবের সাহেব মাইকের সামনে দাড়িয়ে যখন বললেন , শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের উসিলায় নাকি এদেশের মানুষ আজ কবি নজরুলের মাজার চিনতে পারছে, তখন মনে হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×