আজকের সন্ধ্যাটি বেশ ভাল কাটল। আমার এক বাঙ্গালী ভারতীয় বন্ধু এক জার্মান শেখার স্কুলের ক্ষিক। ওখানে বিদেশী দের জার্মান শেখানো হয়। বন্ধুটি ফিলসফি নিয়ে ডক্টরেট করেছেন। তার বিষয় ছিল, একজন ফরাসী দার্শনিক মিশায়েল ফুকো। এ নিয়ে পড়াশোনা রয়েছে, ইউরোপে তাকে একজন এবিষয়ে একজন স্পেশালিস্ট হিসেবেই ধরা হয়। স্পেশালিস্ট হলেও এতে জীবন ধারনের রসদ জোগাড় হয়না। সেজন্যেই এই শিক্ষকতা।
বন্ধুটি আমার বেশ নীতিবাগিস। স্কুলেই নিজের চেষ্টায় দু'মাস অন্তর অন্তর একটা প্রদর্শনীর আযোজন করেছেন। সেখানে বিদেশীদের চোখে জার্মান শিল্পকর্ম ও জার্মানদের চোখে বিদেশীদের শিল্পকর্ম- এনিয়ে নানা ধরণের ফিচার তৈরী করা হয়। ফিচারের মঝে রয়েছে ছবি, শিল্প, সংগীত ইত্যাদি। আজকের বিষয়বস্তুও বেশ ভালো। এক জার্মান আর্কিটেক্ট বিভিন্ন দেশ ঘুরে ঘুরে নিজের হাতে ছবি একেছেন। ডিজিটাল যুগে এই ছবিগুলোর যে আলাদা আমেজ, তা আসরা সবাই উপভোগ করেছি। দেশগুলো ছিল, জাগান, মরক্কো, বাংলাদেশ, ভারত, চীন ও কোরিয়া।
অনুষ্ঠান শেষে কয়েকজন মিলে একটা পাবে গেলাম। একটা আনন্দঘন পরিবেশে কথা বললাম সবাই মিলে। সঙ্গ দিল বাভারিয়ান বিয়ার। সত্যি সত্যিই সবচে' ভালো বিয়ার। সবরকম অজৈবিক আবর্জনামুক্ত। যারা বিধিনিষেধমুক্ত, তাদেরকে বলছি তাই প্রোস্ট (চিয়ার্স)। অন্যদের সুসাস্থ্যকামনা করছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



