“সেক্সুয়াল এট্রাকশন” খুবই ভয়ানক একটা জিনিস... একটা ছেলেকে ব্যাথির মত আকৃষ্ট করে ফেলে... একটা ছেলেকে আকৃষ্ট করতে একটা মেয়ের বড় “অস্ত্র” এটা... এই “অস্ত্র” ব্যবহার করলে যে কোন ছেলে সেই মেয়ের আকর্ষনে জড়াতে বাধ্য!! ... Most Commonly যে মেয়ে নিজেকে যত বেশি “অবজেক্ট অফ সেক্সুয়াল এট্রাকশন” হিসেবে প্রেজেন্ট করতে পারে, একটা ছেলে তার প্রতি তত বেশি আকৃষ্ট...
---
ফকির, কবিরাজদের কাছে থেকে একটা সময় ছেলেকে বশ করার জন্য “তাবিজ, চাউল পড়া, পানিপড়া,” নেওয়া হত... এখন সময় বদলেছে... বদলেছে বশ করার কৌশল... এসেছে ডিজিটাল পদ্ধতি... এখন তাবিজ, পানিপড়া,চাউল পড়া লাগে না... অনলাইন চ্যাটিং, ফোনালাপ, রাত জেগে সেক্সুয়াল ফটো বা কথা বিনিময় এখন সবচেয়ে বড় “তাবিজ”... এই ডিজিটাল “তাবিজ” এর তীব্রতা অনেক বেশি, কিন্তু Duration টা অনেক কম!!... এই তাবিজে যে প্রেম গড়ে উঠে সেটা আসলে ‘ভালবাসা’ না, জাষ্ট “সেক্সুয়াল ইন্টেনশন”... এই ‘ইন্টেনশন’ থেকে শুরু হয় দুই জনের মধ্যে কথা দেওয়া, বিশ্বাস গড়ে তোলা, গিফট এর আদান প্রদান, বিয়ের প্রলভোন দেওয়া, মিথ্যা ঘর বাধানোর স্বপ্ন... পাগল মেয়েটা ও বোঝে না এটা তার প্রতি ছেলেটার কেবল “সেক্সুয়াল এট্রাকশন” নট ‘রিয়াল ফিলিংস’... যতদিন পর্যন্ত মেয়েটা ছেলেকে অনলাইনে সেটিসফাইড করতে পারে, সেক্সুয়ালি আকৃষ্ট করতে পারে অর্থাৎ সেই “তাবিজের” duration যতদিন থাকে, সেই Attraction তা ও ততদিন থাকে...
---
“ব্যাথি” যেমন হটাত করে জীবনে ঢুকে খুব অল্প সময়ের মাঝে তীব্রতর হয়ে ওঠে, এই “এট্রাকশন” টা তারচেয়ে ও দ্রুত এটাক করে ফিলিংস গুলো শেষ করে দেয়... এরপর মেয়েটা চোখের পানি তে কিবোর্ড ভিজিয়ে ফেলে আর না না বলা ফিলিংস গুলোর “BackSpace” বাটন চাপতে থাকে...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


