somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইভটিজিংয়ের অভিযোগে বরখাস্ত হলেন পুলিশ কনস্টেবল

১১ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ইভটিজিং !!!

এই সমস্যাটি বাংলাদেশে ইদানিং প্রকট আকার ধারণ করছে। কোন বাবা মা-ই এখন তার মেয়েটিকে স্কুল-কলেজ কিংবা অন্য কোন প্রয়োজনে ঘরের বাইরে পাঠিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারছেন না। বখাটে ছেলেদের উৎপাতে স্বস্তির নি;শ্বাস যেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সবার।

শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানসহ দেশের প্রায় সর্বত্র সরকারী দলের ছাত্রসংগঠনের সোনার ছেলেরা লুণ্ঠন করছে মা-বোনদের ইজ্জত-আব্রু। ক'দিন আগে পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, এক প্রতিমন্ত্রীর ছেলে বলেছেন : ঘুরব, ইভটিজিং করব, মজা করব-কেউ প্রতিবাদ করলে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেব। কী সুন্দর উচ্চারণ ! ক্ষমতার দাপট বলে কথা!

মূলত: বাল্যকাল থেকে পারিবারিকভাবে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রশিক্ষণ না পাওয়াই হচ্ছে ছেলে-মেয়েদের বখে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তাছাড়া আমাদের সামাজিক অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থাও এর জন্য কম দায়ী নয়। আকাশ সংস্কৃতির সয়লাবকেও দায়ী করেছেন বিশিষ্টজনেরা।

যা-ই হোক, এসব অন্যায়-অপরাধের বিরুদ্ধে আ্যাকশন নেয়ার জন্য আমাদের আইন-শৃঙ্ক্ষলা বাহিনী রয়েছে। কিন্তু তারা নিজেরাই যদি এ ধরণের ঘৃণ্য অপরাধে জড়িয়ে পড়ে তাহলে আমাদের দু:খ রাখার আর জায়গা কোথায়! বেড়ায় ক্ষেত খেলে যা হয় আর কি! এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জে। গতকাল সোমবার শহরের বঙ্গবন্ধু কলেজের ২য় বর্ষের এক ছাত্রী আবদুল কাইয়ূম নামক ঐ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণ ও ইভটিজিংয়ের অভিযোগ করলে সে ছাত্রদের হাতে গণপিটুনির স্বীকার হয়। পরে তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনার পর আবদুল কাইয়ূমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপার কুদ্দুস আমীন।

তবে বাংলাদেশের পুলিশের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ কোন নতুন ঘটনা নয়। ঘুষ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানা ধরণের অস্বাভাবিক কাজই স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে পুলিশের হাতে। এভাবে চলতে থাকলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা আরো দ্বিগুণ-ত্রিগুণ হারে বাড়বে বৈ কমবে না।

আমরা অপেক্ষায় আছি, যেদিন সমাজের প্রতিটি মানুষের চরিত্রই প্রস্ফুটিত ফুলের মত সুরভী ছড়াবে। বাংলাদেশ হবে বাসযোগ্য ও শান্তিময়।।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:১৭
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×