বাংলাদেশের সবচেয়ে ওভার রেটেড স্থাপনা হচ্ছে যমুনা ফিউচার পার্ক। যমুনা গ্রুপের মালিক নুরুল ইসলাম বাবুলের খালি টাকাই আছে, মাথায় ছাগলের নাদাও নাই।
এতো বড় শপিংমল অথচ এমন একটা কমপ্লিকেটেড জায়গায় বানাইছে যেখানে সবাই অনায়েসে যাতায়াত করতে পারে না। আর মার্কেট নির্মাণের সময় ঘোষণা দিছিলো আমাদের টার্গেট গুলশান, বনানী, বারিধারা আর উত্তরার কাস্টমার। কিন্তু এক শ্রেণীর মানুষ দিয়া যে আর এতো বড় শপিংমল চলে না হেইডা তারা তখন বুঝে নাই। পাঁচ হাজার গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা আছে অথচ মার্কেটে মনে হয় পাঁচ হাজার মানুষও হয় না।
এই শপিংমলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হইতাছে এর আর্কিটেক ভিউ। এতো বড় শপিং মলের সামনে প্লে-গ্রাউন্ড বানাইয়া হুদাই শপিং মলটারে ঢাইকা রাখছে। প্লে-গ্রাউন্ডে সারা বছর চলেনা একটা রাইড। মনে হয় মার্কেটের সামনে বস্তি আবর্জনা রেখে দিছে।
এইটা তো গেলো বাইরের ভিউ। ভিতরের আর্কিটেক ভিউ আরো জঘন্য। দুনিয়ার যত বিখ্যাত বড় বড় শপিং সেন্টার আছে সব হচ্ছে খোলা-মেলা। অর্থ্যাৎ শপিং সেন্টারের ভিতরে যে কোন এক জায়গায় দাঁড়ালে যেন পুরো শপিং মল সম্পর্কে একটা আইডিয়া করা যায়। আর যমুনা ফিউচার পার্কের এক সাইডে দাঁড়াইলে বাকী চারপাশে কি আছে আল্লাহ মালুম বোঝার কোন সাধ্য নাই। ইভেন মানুষজন কোন ফ্লোরে আছে সেটাও খেয়াল করতে পারে না। আর এতই জঘন্য আর্কিটেক ডিজাইন ভিতরে যে, একবার এন্ট্রি করলে আধা ঘন্টা এক্সিট পয়েন্ট খুঁজে বের করতে লাগে। তাও আবার সেইম এক্সিট পয়েন্ট না।
তবে এই বিরূপ আর্কিটেক ডিজাইনের কারণে অনেক মানুষের অনেক সুবিধাও হইছে। দুই ঈদ বাদে শপিং মলে কাস্টমারের চেয়ে দোকানদার বেশী থাকে। তখন মার্কেটটা একটু ঘুরে ঘুরে হাঁটলেই দেখতে পাবেন অনেক কপোত-কপোতীর মিলন মেলা। তারা পারলে একজন আরেকজনের উপর শুয়ে পড়ে এমন অবস্থা। শুধু এবটু খাট-বালিশের অভাব। মার্কেট তো নয় এ যেন চন্দ্রিমা উদ্যান।
আর্কিটেকচারটা মারা গেছে তাই আর তার নাম নিয়ে মুখ খারাপ করলাম না। আর বাবুল মিয়া হয়তো জিদ কইরাই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সামনে যমুনা ফিউচার পার্ক বানায়া রাখছে। :-
ক্রেডিট- রাফি ভাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১৭ বিকাল ৪:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




