মাঝে মাঝে আমি কিছুটা হতাশ হই বাংলাদেশ নিয়ে। তবে তার চেয়ে অনেক বেশি আশান্বিত হই। এইতো শত সমস্যার মাঝেও এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ। সুশিল,
মতিশীল, বাআল, বামশীলসহ আরও কত ষরযন্ত্র এ দেশটিকে নিয়ে হচ্ছে। স্বাধীনতার নাম করে দেশের
সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করতে তৎপর একটি গোষ্ঠি। কিন্তু তারুণ্য আর দেশপ্রেমিক জনতার কাছে আজ সব ষরযন্ত্র ব্যর্থ হতে চলেছে।
১.আমাদের কথা হচ্ছে, রামুর ঘটনা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আমরা যারা ধর্মীয়
আদর্শে বিশ্বাসী তারা এমন কাজকে কখনোই সমর্থন করতে পারি না । আবার এটাকে
অজুহাত হিসেবে নিয়ে দেশের স্বাধীনতাকে বিপন্ন করে দেয়ার ষরযন্ত্র যারা
করছে তাদের রুখে দিতেও বদ্ধপরিকর আমরা।
বিষয়টা এখন প্রমাণিত-রামুর ঘটনা বহিঃর্বিশ্বের সহানুভূতি পেতে আওয়ামী লীগ
পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে। মূর্তি ভাচুর ও বৌদ্ধ বসতিতে লুটপাটের নেতৃত্বে
ছিল স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। আসলে আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকেই একটি
সাম্প্রদায়িক দল। ওদের জন্মই বর্ণবাদের পেটে। অনেকটা স্ট্রিট ডগ হিসেবে। সত্যটা হচ্ছে ওদের ঠিক পরিচয়টিই নেই। ওরা আসলে কারা?
আর ওদের আদর্শ এক দূষিত পানি। যা ধরা, ছোঁয়া বা পান করা যায় না। এ পানি গা-গতর সব পচিয়ে শেষ করে দেয়।
২.এই যে রামুর ঘটনা নিয়ে, মতিকন্ঠসহ বেশ কিছু নীতিহীন মিডিয়া গেল গেল বলে
সব শেষ করে ফেললেন। আসলে তাদের লক্ষ্য হচ্ছে এসব করে বিদেশী সাহায্য
বাগিয়ে আনা। আমাদের মিডিয়া রামুর ঘটনা নিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন
করার চেষ্টা করছে যা নিন্দনীয়, এসব মিডিয়া একসমসয় বলত বাংলাদেশের তরুণরা
নাকি ধর্মনিরপেক্ষ। ইদানিং তারা আর এ বুলিটা আওড়াচ্ছে না। হয়তো উপলদ্ধি
করতে পেরেছে, শত মত পার্থক্য সত্বেও ধর্মনিরপেক্ষতার ফসল ছাত্রলীগকে আর যাই হোক বুনো জঙ্গলী
ছাড়া অন্য কিছুই বলা যায় না । বাংলাদেশর তরুণদের জন্য ছাত্রলীগ এক অভিশাপের
নাম। আামরা এ বিষফোঁরাটিকে উপরে ফেলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
৩.আজ আমাদের বলতেই হবে,
এমন দেশটি কোথাও খোঁজে পাবেনকো তুমি/ হাজার দেশের রানী সেযে আমার জন্মভূমি।
একদিকে প্রাকৃতিক বৈচিত্রতা এ দেশটির, অন্যেদিকে রয়েছে ধর্মীয় স্বাধীনতা।
সব ধর্মের মানুষের সুন্দর সহাবস্থানের দেশ আমাদের বাংলাদেশ। এ দেশের
ধর্মের নামে উগ্রবাদের কোন জায়গা নেই। আবার নিরপক্ষেতার নামে দেশকে
ধর্মহীন করারও কোন সুযোগ নেই। আমরা সবাই ধর্মপ্রাণ মুসলমান। পার্শ্ববর্তী ভারতে আমাদের মতো সহাবস্থানের চিত্র কোন সংখ্যালঘু স্বপ্ন ও দেখে না ।
৪.আমি এ দেশের একজন তরুণ। তারুণ্যই একটি জাতীর প্রধান ও নিয়ামক শক্তি। আমার
বিশ্বাস আজকের তরুণরাই একদিন পাল্টে দিবে বাংলাদেশের চিত্র। তারা সব
ষরযন্ত্র রুখে দিয়ে 'ভারতীয় কাউয়াদের' পাঠিয়ে দিবে কোন এক জঙ্গলে।
পৃথিবীর ইতিহাসে সেদিন নতুন করে লেখা হবে বংলাদেশের নাম। খুব বেশি দূরে নয় সেদিন যেদিন এদেশে ভাদাদের কবর রচিত হবে।
৫.এই যে আজ, কথিত আদিবাসী, জঙ্গি, সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ ইত্যাদি নাম করে
মানুষের নামে ফাউন্ডেশন আর বদলে যাও বদলে দাও স্লোগান দিয়ে দেশকে
দিখণ্ডিত করার চক্রান্ত চলছে তারা কি সফল হয়েছে। আমাদের নব্য রাজাকাররা
কি না করেছে দেশটাকে বহি:র্বিশ্বের কাছে একটি হাস্যকর জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র
হিসেবে পরিচিত করে দেয়ার জন্য। কিন্তু তারা আজ হতাশ ও কোনঠাসা। চ্যালেঞ্জ
করলাম সামনের দিনগুলোতে দেশপ্রেমিক ইসালামি জনতার সততার কাছে পরাজিত হয়ে
নির্বাসিত হতে হবে তাদের। ষরযন্ত্রের মঞ্চ থেকে নিতে হবে করুণ বিদায় ...
আমার চ্যালেঞ্জটা মাথায় তুলে রাখ ছাত্রলীগের আবালেরা...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


