গোয়েন্দা হিসেবে ভারতীয় 'র' এর অনন্যতা বুঝি এখানেই, তারা বাংলাদেশে গত চার দশকে একদল বিশ্বাসী খাস বান্দা তৈরি করতে পেরেছেন। এসব দাসদের দেহটা শুধু এদেশে থাকে আর মগজটা আজীবনের জন্য টাকার বিনিমিয়ে ভারতের কাছে বরগা দেয়া। চাইলে বড় দুটি দলের এমন শত নেতার লিস্ট দেয়া যাবে। কিন্তু আজকের আলোচনার বিষয় এটা না।
বলতে চাচ্ছি-আমাদের দেশনেত্রী ভারতকে কথা দিয়েছেন, তিনি ক্ষমতায় গেলে ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ভূমি কাউকে ব্যবহার করতে দিবেন না। বড় ভাল কথা। তা নেত্রী আপনি কি বাংলাদেশের মানুষের জন্য এ প্রতিশ্রুতিটা নিয়ে এসেছেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোন সন্ত্রাসীকে ভারত তার মাটি ব্যবহার করতে দিবে না??? প্লিজ বিরোধী নেত্রী উত্তর দিন। এ প্রজন্মের লাখো সচেতন তরুণের মনের প্রশ্নটি হয়তো আমি একা আপনাকে করলাম। বিশ্বাস করেন আজকের তারুণ্য আপনার কাছে এ প্রশ্নের উত্তর জানতে চায়। তারা কোন সাম্রাজ্যবাদের তাবেদার হয়ে বাঁচতে চায় না।
নেত্রী আপনি কি বলতে পারনে, আমাদের পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ীদের এত অস্ত্র কারা দেয়?
এদেশে তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংশ করতে রকমারি মাদক ও অস্ত্র কোত্থেকে আসে?
সীমান্ত হত্যার কি হবে বলতে পারেন বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ধ্বজাধারী ম্যাডাম !
ভারতের আগ্রাসনের শিকার আমাদের পণ্য ও সংস্কৃতির কি হবে ?
আচ্ছা, আপনি ভারতে গিয়ে ট্রানজিটের ব্যাপারে নিশ্চুপ ছিলেন। আপনার এক উপদেষ্টা বলেছে বিএনপি ট্রানজিটের পক্ষে। আমরা তার এমন বক্তব্যে অবাক হয়নি। শুধু এতটুকু বুঝতে পেরেছি বিএনপি নামক দলাটিতে আগে 'র' এর এজেন্টগুলো গোপনে কাজ করতো আর এখন প্রকাশ্যে শুরু করেছে।
আমরা বুঝতে পারছি বিএনপি ও আওয়ামী লীগ দুটি দল তারা গত চার দশক ক্ষমতার জন্য দেশের মানুষকে টিশ্যু পেপারের মতো ব্যবহার করতো, করছে।
আর এখন সে ক্ষমতার জন্য তারা ঘুরছে গুলশানের কূটনৈতিক পাড়ায়। আসলে আমরা এটাও বুঝতে পেরেছি জনগণের ভোট এখন আর আপনাদের জন্য মুখ্য না। ক্ষমতায় আসার জন্য মুখ্য হচ্ছে ওপারের সিগন্যাল গ্রিন পাওয়া। আপনি সে সিগন্যালের জন্য ছুটে গেলেন ওপারে। ফিরে আসলেন খালি হাতে। শুধু ক্ষমতার জন্য দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে আসলেন!
আমাদের ন্যায্য পানির হিস্যা নিয়ে একটি কথাও বললেন না, ছিটমহলের মানুষগুলোর কথা একটি বারের জন্য মনে পড়লো না আপনার!
শেষ করছি আপনার সে হাস্যকর বুলিটি আউড়িয়ে-' বিএনপির প্রতিনিধি দলের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ সমীক্ষার পরে টিপাইমুখ বাঁধ হলে আমাদের কোন আপিত্ত নেই' ।
নেত্রী ও নেত্রী এটা কি বললেন আপনি হে। আচ্ছা বলেনতো ভারতীয় বাহিনীর টাকার কাছে যেখানে আপনার দলের ও আপনার পুরো উপদেষ্টা পরিষদ বিক্রি হয়ে গেল সেখানে একটি সমীক্ষা দলে বিএনপির দু/একজন সদস্য থাকলে তাদের কিনতে কতটা সময় লাগবে প্রতিবেশী বন্ধুদের? নেত্রী এসবের মধ্যদিয়ে আপিন টিপাই বাঁধকেও বৈধতা দিয়ে আসলেন। বাহ সালাম আপনাকে সালাম।
তাই আপনাকে বলতেই হচ্ছে, সুন্দরী নেত্রী ঠোঁটে মুখে রং চং মাখাইয়া ভারত চড়াইয়া খাইলেন! তা দেশের জন্য কি লইয়া আইলেন?
এর জবাব আজকের তারুণ্য খুব শীঘ্রই আপনাকে দিবে।
আর আপনিতো আবার বুইড়া আবালদের খুব পছন্দ করেন। ছাত্রদলের দিকে তাকালেই ব্যাপারটা আমাদের কাছে ক্লিয়ার হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


