অধিকারে। চলছে দানবের খাণ্ডব দাহন। এই ছবিটির দিকে তাকান।
এ নির্যাতিত মানুষটি কারো সহানুভূতি পায়নি। উল্টো মিডিয়ার কল্যাণে তাকে
হতে হয়েছে সন্ত্রাসী।
গুম-হত্যায় জর্জরিত এ জনপদে সত্যিই কেউ আর মৌল মানবিক অধিকারের তোয়াক্কা করে না।
আমাদের মিডিয়ার নিরপক্ষেতার সঙ্গাটা বড় অদ্ভূত-এ
দেশে আওয়ামী লীগের পক্ষে লিখলেই কেবল নিরপক্ষে থাকা যায়, হওয়া যায়
প্রগতিশীল। আওয়ামী লীগ সাত খুন করলে, ছাত্রলীগ মেয়েদের ইভটিজিং, শ্লীলতাহানি করলে
সেসবও মিডিয়ারে চোখে ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে অনন্য অগ্রগতি হিসেবে ধরা
পড়ে।
মিডিয়ার নির্লজ্জতায় আমার মতো তরুণ প্রজন্ম ব্রিবত নয়। কারণ এখন
বাংলাদেশেরে মিডিয়া নিম্নবৃত্ত দুবৃত্তদের দখলে। ওখানে বসে আছেন যারা, তারা
একটি পুটলা বা লাল বোতলের জন্য মানুষ খুন পর্যন্ত করতে পারেন।
কিন্তু ফ্যাসিবাদী পেশী ও গোয়েবলসীয় মিথ্যার শিকার এ জাতির কি হবে?
তাদের সামনে স্বাধীনতা নামক মূলাটি ঝুলিয়ে এ দেশটিকে বেচার সব আয়োজন
করেছে আওয়ামী লীগ। এ দেশের জনগণের রক্তের চেয়ে ভারতীয়দের হাসি বর্তমান
সরকারের কাছে খুবই মূল্যবান। এসবের সবকিছুই করা হচ্ছে প্রগতিশীলতা ও
ধর্মনিরপেক্ষতার নাম করে।
আজ জাতীর ঘার কামড়ে ধরেছে এক ভয়ার্ত রাক্ষস। এ রাক্ষস তারানোর জন্য দরকার
শক্ত মুগুর। কিন্তু কে নেবে সে দায়িত্ব। আমরা কি পাব একবিংশ শতাব্দির
কোন পাঞ্জেরি?
প্রগতিশীল ও ছাত্রলীগের মধ্যে এত সখ্য কেন বলতে পারেন। আসলে লাল পানি
ছাড়া যেমন ছাত্রলীগ কর্মী হওয়া যায় না । তেমনি কেউ গাঁজা না ধরলে,
শাহবাগের কবিরা কোন মানুষকে প্রগতিশীল হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।
বি,দ্র-শাহবাগের কবিদের লাল পানি কিনে খাওযার ক্ষমতা নেই। কার্ল মার্ক্স
কেন যে এ নিয়ে কোন থিউরি দিয়ে গেলেন না। আহা!
শ্যাম বাংলাদেশ শ্যাম। মানবতা - তোমার এ ছোট্ট জনপদে শুধু শ্যাম আর শ্যাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


