'ব্ল্যাক’ নামে একটা সিনেমার মতো ইসলামবিরোধী কল্পচিত্র বানিয়েছিলেন বাংলাদেশে জন্ম নেয়া অদ্ভুত এ জন্তুটি! এ কল্পচিত্রে দেখানো হয় - বাংলাদেশে যদি মুরগি হারানো যায় সেটির জবাব চাইতে সংখ্যালঘুদের উপর হামলে পড়ে মুসলমানরা। মুসলমানরা একে অন্যের জুতা চুরি করে হিন্দুদের নির্যাতন করে। অর্থাৎ পুরো সিনেমার কাহিনীই হলো সংখ্যালঘু নির্যাতন। নির্মাতা জন্তুটির নাম সালাউদ্দিন শোয়েব চৌধুরী।
ব্লিটজ নামে একটি অনলাইন পত্রিকা সম্পাদনা করে ওই পত্রিকার জোরেই চলতে থাকে তার ইসলামবিরোধী প্রচার প্রচারণা। প্রথম আলু সম্পাদক মুতিউর গংদের সাথে মিলে বাস্তবায়ন করতে থাকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ এর দেশ ও ইসলামবিরোধী সব এজেন্ডা।
১৯৯১ সালে পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই থেকে টাকা নেয় বিএনপি নির্বাচন করেছিল বলে এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদটি করে এই বদমাশটাই। বদমায়েশের ব্লিটজ পত্
রিকার বরাত দিয়ে সে খবর শিরোনাম করে আরেক দেশবিরোধী পত্রিকা প্রথম আলু। বিএনপিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সাথে সাথে সংবাদ ও বিশ্বমিডিয়ায় নিজের অবস্থান জানান দিতে প্রায়ই এরকম ভৌতিক গল্পের নিউজ করত এই জানোয়ারটি।
দেশ ও ইসলামবিরোধী প্রচারণায় ‘র’ ও ‘মোসাদ’র এতো বেশি আস্থাভাজন হয় যে একটি ভয়াবহ এজেন্ডা হাতে নেয় শোয়েব চৌধুরী ও মুতিউর গংরা।
ভারতের তরুণ রাজনীতিবিদ রাহুলগান্ধীকে উপমহাদেশের একমাত্র ও অনন্য তরুণ রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করতে থাকে। ভারতীয় আগ্রাসন শক্তিশালী করতে এরই মধ্যে মইন উ, ফখরুদ্দিনের সাথে আঁতাত করে তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে শোয়েব চৌধুরী, মতিউর গংরা। বাকি ছিল অনন্য ব্যক্তিত্ব বিলাওয়াল ভুট্টো। তাকে ও হিনা রাব্বানি খাঁ কে নিয়ে বিকৃত রুচির সংবাদও পরিবেশন করে লম্পট শোয়েব চৌধুরী। সেই অরুচিকর সংবাদটি বাংলাদেশের মানুষের গলাধকরণ করায় প্রথম অলু। টার্গেট ছিল এমন সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বিলাওয়াল ভুট্টোর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করা।
এতো গেল নির্লজ্জ লাম্পট্যের কথা। শোয়েব চৌধুরী তেলবাজিতেও বাংলাদেশের গাফফার চৌধুরীদেরও হার মানিয়েছেন। পার্বত্য শান্তিচুক্তির মতো একটি দেশবিভক্ত করার ষড়যন্ত্রমূলক চুক্তির জন্য শেখ হাসিনাকে নোবেল পুরস্কার দেয়া উচিত বলে ব্লিটজে সংবাদ করে এই তেলবাজটাই।
এতো সব অপরাধ করেও বারবার পার পেয়ে যায় মোসাদ, সিআইএ, র- এর এই আস্থাভাজন এজেন্ট।
২০০৩ সালে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন তথ্য বিদেশে পাচার করার অভিযোগে ইসরাইলের পাসপোর্টসহ আটক হয় এ কুখ্যাত গুপ্তচর! কয়েকদিন জেল খেটে সেবার পার পেয়ে যায় বদমাশটা। তারপর আরও কয়েকদফা বাংলাদেশের স্পর্শকাতর অনেক তথ্য পাচারের অভিযোগে এবং সংখ্যালঘুদের উপর হামলার উস্কানিদাতা হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। লম্বা হাতের ইশারায় সে প্রত্যেক বারেই ছাড়া পেয়ে যায়।
সর্বশেষ আজ (০৯ নভেম্বর, ২০১২ ,ঢাকা) আবার গ্রেপ্তার হলো টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারণার মামলায়।
এ খবর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে এবং দেশপ্রেমিক সচেতন নাগরিকের জন্য অবশ্যই স্বস্তির। কিন্তু মতিউর গংদের নিশ্চয় ঘাম ঝরতে শুরু করেছে। কিভাবে একে ছাড়ানো যায়।
ঐ যে, লম্বা হাতের ইশারায় হয়তো আবার ছাড়া পেয়ে যাবে এ লম্পট, দেশবিরোধী চর, গাঁজাখোরটা।
কিন্তু আমরা তরুণ প্রজন্ম শপথ নিচ্ছি, নিজেরা যখন বড় হবো- দেশ ও ইসলামকে বাঁচাতে এসব শোয়েব চৌধুরী, মতিউর গংদের বাংলাদেশ ছাড়া করবো। এদেশে ওদের আমরণ নিষিদ্ধ করবো।
শোয়েব চৌধুরীরা নিপাত যাক,
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জিন্দাবাদ,
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


