হাসিনার টনক নড়েছে এবার! চোখে দোয়াশা দেখছেন কি না কে জানে?
আওয়ামী নেতারা গতকালের পর নতুন করে হিসাব কষতে বসেছেনে। মুখের লম্বা লম্বা কথাও খানিকটা নরম হয়ে এসেছে। এবার তারা শুনালেন আরেক অদ্ভূত কথা। ইসলাম কায়েম করতে চাইলে শিবিরের ছেলেদের জামায়াত ছেড়ে তাবলীগে যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
ধর্ম ব্যবসায়ী আসলে কারা ।নিজের ক'লাইন পড়লেই ব্যাপারটা পরিস্কার হবে।
হরতালবিরোধী এক সমাবেশে যোগ দিয়ে আওয়ামী সমর্থক আইনজীবীরা অভিযোগ করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যখন ডিজিটাল হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন সে অগ্রযাত্রাকে নস্যাত্ করার জন্য পরিকল্পিতভাবে হরতাল ডেকেছে জামায়াত-শিবির। আর পেছন থেকে তাদের উত্সাহ জোগচ্ছে বিএনপি ও সেই দলের নেত্রী। তারা বলেন, স্বাধীনতার পর অর্থনীতিতে বাংলাদেশ এর আগে কখনো এত উন্নতি করতে পারেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকে রেকর্ড পরিমাণ ১৪শ’ কোটি ডলার রিজার্ভ হয়েছে। পোশাকশিল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে দেশ। শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সব সেক্টরে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বিজয়ের মাসে এ হরতাল প্রমাণ করে, তারা আসলে এদেশের ভালো চায় না। আজও বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না। একাত্তরের মতোই তারা আবার পরাজিত হবে। জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে হবে। গত সোমবার সরকারি নিষেধাজ্ঞায় পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন না করতে পেরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গতকাল দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচি পালন করে। এর প্রতিবাদে সুপ্রিমকোর্টের দুই নম্বর হলে এ সমাবেশের আয়োজন করে সরকার সমর্থক আইনজীবীদের মোর্চা সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের একাংশ। তবে এ সমাবেশে আইনজীবীদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। পরিষদের প্রথম সারির নেতারা ছিলেন অনুপস্থিত।
সমাবেশে বক্তারা শিবিরের তরুণ কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, তোমরা যেসব তরুণ নিরীহ, নিরপরাধ, নিরস্ত্র পুলিশ সদস্যদের মারধর করছ তদের বলছি, তোমরা আজ থেকে তওবা করে আল্লাহর নাম নিয়ে ঘরে ফিরে যাও। এভাবে রাস্তায় নেমে পুলিশ মেরো না। তোমরা ইসলাম কায়েম করতে চাইলে তাবলিগে যোগ দাও। তবু জামায়াতের মতো জঙ্গি সংগঠন ছাড়। সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কে এম সাইফুদ্দিন আহমেদ, মো. মোস্তফা, মো. মমতাজ উদ্দিন মেহেদী, সুব্রত চৌধুরী, জগলুল হায়দার, নুরুল ইসলাম সুজন এমপি প্রমুখ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


