somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আওয়ামীলীগরাই তল্লাটের ভদ্রলোক বটে

০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গোয়েবলস নাকি বলেছিল একটা মিথ্যাকে শতবার উচ্চারন করলে সময়ের বিবর্তনে সেটা সত্যে রুপায়িত হয়। বোধ করি তিনি এটা জানতেন না যে কখনো একই মিথ্যা অজুত নিযুত বারও প্রতিধ্বনী হয় কোন কোন জনপদে । গোয়েবলস যদি সেটা জানতেন তাইলে নিশ্চিত ভাবেই আরো একটি কিংবা তদোর্ধ্ব কয়েকটি সুপারলেটিভস ডিগ্রী জড়িয়ে দিতেন সেসব মিথ্যাচারের সত্যাচারের পরিভাষায় । কিংবা তার এই দিগ্বীজয়ী সূত্রের অসাধারন চর্চা দেখে বঙ্গদেশের ইহাদেরকে ডেকে নিয়ে হাকডোল পিটিয়ে এওয়ার্ড ভূষিত করতেন ইহাতে কোনই সন্দেহ নেই। তবে এতটুকুন ধারনা আমরা করতেই পারি যে,পরলোকে ঠিকই তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন বারংবার তার সূত্র চর্চায় বিমুগ্ধ হয়ে।
বলছিলাম এ তল্লাট তথা বঙ্গদেশে মিথ্যাচারকে সত্যাচারে সফল রুপায়নের নির্মম বাস্তবতার কথা। এ দেশে এমন এক আজব রকমের কতৃত্বের আগমন ঘটেছে যে, তিনারা যা বলবেন তাই সত্য এবং আমাদের মত নিরীহ আমজনতাকে গিলে গিলে সেটাই হজম করতে হবে ,ও দিকে আবার বদহজম হলেও সমস্যা পাচে না আবার অত্যাচারের খড়গ হস্ত নেমে আসে, সুতরাং বদহজম হলে হোক সেটা কিন্তু বলতে মানা। তারা অতিকায় ভদ্রসমাজের বলে এদের মিথ্যার ফুলঝুরিগুলো গোয়েবলসীয় কায়দার ফ্রেঁমে বাঁধা সুতরাং সেটা মিথ্যা নয় মিথ্যাচারের সত্যাচার। একটা মিথ্যাকে শতবার কেন সহস্রবারে রুপ দিতে তাদের হাতে ভারতীয় আর ঈসরাইলি পত্রিকার ফেরিওয়ালারাতো সমরাস্ত্রেই সজ্জিত ।
সরকার যন্ত্রের প্রধান কর্তা ব্যক্তির কান্ডটাই দেখুন না…....নির্বাচনি জনসভায় তিনি গলা
ফাটিয়ে শরীরের তাবৎ শক্তি খাটিয়ে দশ টাকায় চাল,বিনা পয়সায় সার, আর প্রতিটি ঘরে একজন করে চাকুরী দেয়ার লোভনীয় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বিচিত্র স্বভাবের এই মানুষটি "এক যে ছিল আজব দেশ'র "মত আজ সে সব প্রতিশ্রুতির কথা রীতিমত অস্বীকার করে বসলেন, কিন্তু সমস্যা কি তাতে ? ইহাতো আর মিথ্যা বলা হলোনা । প্রয়োজন আর পরিস্থিতির আলোকে বাক্যের মধ্যে খানিকটা দাঁড়ি কমা'র স্থানান্তর কিংবা সামান্যতম শাব্দিক পরিবর্তন মাত্র। এটাই যে ভদ্রলোকদের কথা বলার পলিসি। অশিক্ষিত পাবলিক এলিট শ্রেনীর কথার এ মারপ্যাঁচটুকু না বুঝলে কিইবা করার থাকবে সরকারের ? অবশ্য এ ধরনের কোন আচরন যদি বিএনপি জামাত করতো তাইলে এটাই হয়ে যেতো ইতিহাসের জঘন্যতম মিথ্যাচার আর এদেশের নিরীহ মানুষদের সাথে নিকৃষ্টতম ধোকাবাজী কারন তারা তো আর ভদ্র সমাজের কেউ নয় অচ্ছ্যুত সমাজের কীট মাত্র যারা গোয়েবলসের কায়দা ব্যবহার করতে জানে না কিংবা ব্যবহারের অধিকার রাখেনা।
এই আজব কিছিমের ভদ্র লোকদের কাছেই একই শ্রেনীর ঘটনা প্রবাহের পরিভাষা কখনো হয় প্রতিবাদ আবার কখনো হয় উস্কানিমুলক মন্তব্য । খালেদা জিয়াকে অমানুষ আর রাসূলের (স:)পথে কাঁটা দানকারী মহিলার সাথে তুলনা করে কূটনী বুড়ি বললে সেটা উস্কানিমুলক কথা হয়না কারন এর মাধ্যমে এ কতৃত্বের অতিকায় ভদ্রলোকেরা অতিশয় বিশালাকৃতির অন্যায়ের সামান্যতম প্রতিবাদ করেন মাত্র । আবার মাহমুদুর রহমান কিংবা শওকত মাহমুদরা ভদ্রসমাজের লোকদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠে কথা বললে সেটা হয়ে যায় চরম উস্কানিমুলক। কারন তারা প্রতিবাদ করেনি বরং সভ্য সমাজের মানুষদের বিরুদ্ধে বিষোদাগার আর ষড়যন্ত্র করছে সুতরাং তল্লাটের সব আদালতে মামলা ঠুকো এদের বিরুদ্ধে। রাস্তায় বের হলে হামলা করো, রাস্তায় যাতে বের না হতে পারে সে জন্য "দেখে নেব" বলে হুংকার ছাড়ো কারন এটা উস্কানি নয় নেহায়েত ভদ্রসমাজের পক্ষ থেকে খানিকটা প্রতিবাদ মাত্র।
জয় আর তৌফিক এলাহিদের মত ভদ্র সোসাইটির মানুষ দূর্ণীতি করতে পারে এমন কথা মাহমুদুর রহমানের মত একজন অভদ্র সমাজের ক্ষুদ্রাকার কালো মানুষ বলে বেড়াবে এমনটা কখনো মেনে নেয়া যায়না সুতরাং তাকে হয়রানী করো আর শারীরিক ভাবে আঘাত করো যেখানে পাও সেখানে, দেশে কিংবা বিদেশে ।
জয়নাল আবেদীন ফারুকদের রাস্তায় ফেলে দিগম্বর করো কারন এরা সভ্যসমাজের উদীয়মান রানীপুত্রের বিরুদ্ধে কথা বলে, সুতরাং এর প্রতিবাদে দিগম্বর করাতো সামান্যতম প্রতিবাদ মাত্র এতে আবার উস্কানির কি হল ?
ওরা কথায় কথায় বিনা অপরাধে, বিনা প্রমানে, পাবলিক প্লেসে নিজামী-মুজাহিদদের ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলালে কিংবা কুশপুত্তলিকা দাহ করলে উস্কানির পর্যায়ে পড়েনা আর নিজামী মুজাহিদরা ভদ্র ভাষায় কথা বললে এদের গায়ে অকটেনের আগুর দাউ দাউ করে জ্বলে উঠে কারন এদের সবগুলি কথাই উস্কানিমুলক। মন্ত্রনালয় দূর্ণীতিমুক্তভাবে চালালেও এরা দেশ দ্রোহী, কারন চলমান কতৃত্বের ভদ্রলোকেরা এখন আর তাদের প্রতি প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনা ৯১ কিংবা ৯৬'র মত।
নিজামীর উপর অত্যাচারকে রাসূলের (স:) জীবেনর অত্যাচারের সাথে তুলনা করলে সেটা হয়ে যায় ধর্মের প্রতি শীর্ষ পর্যায়ের অবমাননা পাশাপাশি ধর্মপ্রান মানুষদের কোমল ধর্মীয় অনুভূতিতে নির্মম আঘাত এবং চরম উস্কানিমূলক আর আওয়ামীলীগের মন্ত্রীরা যখন নিজেদের বিচারকে আল্লাহর বিচারের সমকক্ষতায় (নাউযুবিল্লাহ) নিয়ে দাঁড় করায় কিংবা বিএনপি জামাত কে রাসূলের (স:) উম্মত থেতে গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়ে আওয়ামীলীগের তাবৎ হিন্দুদেরকে রাসূলের উম্মতের অন্তর্ভূক্ত করে অথবা ধর্মকে নেশার সাথে তুলনা করে আর অনুষ্ঠান শুরুর আগে কুরআন তেলাওয়েতের বিরোধীতা করে সেটা ধর্মের প্রতি অবমাননা নয় বরং অসম্ভব রকরেম সম্মান প্রদর্শন কারন তারা ভদ্রসমাজের মানুষ বলে কথা।
তারা মসজিদ দখল কিংবা মসজিদে তালা লাগিয়ে দিলে সেটা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না হয়ে বরং হয়ে যায় ভদ্র সমাজের অবুঝ ছেলেদের দুষ্টুমি মাত্র। এরা এতিম খানার ভিটে মাটি কেটে নিলে সেটা হয় জংগী নির্মূলের অংশ বিশেষ।

তারা প্রসাশনে দলীয়করন করছেনা বরং দলীয় লোক নিয়োগ দিয়ে অভদ্র বিএনপি জামাতী প্রতিক্রিয়াশীলদের উৎখাত করে নিজস্ব ক্রিয়া সম্পাদনের বাধা দূর করছে মাত্র। ভদ্রসমাজের প্রসাশনে অভদ্রদের উপস্থিতি কোন রকমেই যে কাম্য হতে পারেনা।

বিপদগামী কিছু অভদ্র মানুষ হাসিনা আর আওয়ামীলীগের জনবিখ্যাত কিছু শরীফ মানুষদের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকেছে, সুতরাং সময় এসেছে এসব যা পারো প্রত্যাহার কর তবে সাবধান অভদ্র খালেদাদের মামলা প্রত্যাহারতো দূরের কথা পারলে একটার পর একটা মামলা ঠুকো তল্লাটের আদালতে এদের বিরুদ্ধে ।

সীমান্তে বঙ্গদেশের অশিক্ষিত চাষা ভূষা ক্ষেত মজুরদের যত পারো পাখির মত গুলি করে হত্যা করো, কারন এরা আমাদের অভিজাত শ্রেনীর কেউ নয়। আমরা এগুলোর প্রতিবাদ অতীতে যেমন করিনি আজো করবোনা, কারন ভারত মাতা তোমার আশীর্বাদের বদৌলতে আজ আমি এ তল্লাটের ভদ্র সমাজ , তুমিই আমাকে ভদ্রতার লেবাস পরিয়ে এ তল্লাটের কতৃত্ব দিয়েছো,সুতরাং তোমরা যা খুশি তাই করো বন্দর চাও ? এই নাও দিয়ে দিলাম, ট্রানজিট ? কোনা ব্যাপার না ,টিপাই বাধ ?সেতো কবেই বলে দিয়েছি নির্মান করো, এ দেশকে মরুকরন করবে ? সেটতো অনেক আগ থেকেই শুরু করছো কখনো দেখেছো এর প্রতিবাদ করতে ? কারন এসব কিছুর সাথে আমাদের কোনই সম্পর্ক নেই যে ? আমরা অভিজাত শ্রেনীর ভদ্রলোক তোমাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা কিংবা তোমাদের যতসামান্য আবদার রক্ষা না করলে কি আর আমাদের জাত কুল টেকে? কৃতজ্ঞতা বোধ বলতে তো একটা কথা আছে।

এই অত্যাধুনিক ভদ্রসমাজের কতৃত্বকালে বঙ্গদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কুরআন হাদীস আর ইসলামী সাহিত্যের মত অতিমাত্রার সেকেলে রসকসহীন পুস্তকাদি গাদাগাদি করবে তাতে আমাদের দাদা বাবুরাতো যারপরনাই রাগ করবেন সুতরাং সময় এসেছে এদের জংগী আর জেহাদী বলে উৎখাত করো ,সোনার ছেলেদের শয়নের নীচে বুলেটের কার্তুজ আর অত্যাধুনিক অস্ত্র রাখার সুযোগ করে দিয়ে স্মার্ট করে তোল রাতারাতি।

এই সমাজের ভদ্র মানুষেরা নিজেদের প্রশান্তি আর বিনোদনে নতুনত্ব আনার জন্য মাঝে মাঝে ছুটে যান ইডেন কিংবা বদরুন্নেসা কলেজের পানে। সারাদিন পাহাড়সম রাষ্ট্রিয় সমস্যা সমাধান করে রাতের বেলায় এক আধটু বিনোদন তালাশে বের হলে এ আর অত বড় অপরাধ কিসের হে ? ইডেন আর বদরুন্নেসার মেয়েদেরকে তো আর অন্দর মহলের রক্ষিতা বানিয়ে রাখছেন না তারা । রাষ্ট্রের এত এত কাজ করে তারা সুতরাং তাদের সোনার মেয়েদের পক্ষ থেকে যতসামান্য উপঢৌকনে শুধু শুধু মৌলবাদীদের এত মাৎকার কেন? আর নারীবাদীরাই বা কেন এটা নিয়ে মাথা ঘামাতে যাবে ? বিনোদনকে অনৈতিক কাজ বলে শুধু শুধু ব্যাকডেটেড খেতাব নেয়ার কোনই দরকার আছে কি ?

এই ভদ্রলোকদের কর্তৃত্বকালে বকর,নোমানীম,মাসুম বা কায়সারদের মত হাজারো ছাত্র মারা পড়ুক তাতে কি ? এ গুলো একান্তই বিচ্ছিন্ন ঘটনা। কারন এরা ভদ্রসমাজের সোনার ছেলেদের তুলনায় পিঁপড়া তুল্য । সভ্যসমাজের হাতির পাল রাস্তা চলার সময় শত কোটি পিঁপড়া হাতির পদপৃষ্ঠে পিষ্ট হবে তাই বলে হাতি তো তার পথ চলা বন্ধ করে দিবেনা। সুতরাং যতদিন এই হাতির পাল রাস্তায় থাকবে ততদিন এ রকম সহস্র বকর,নোমানীরা মারা পড়ার মত বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
কিন্তু সাবধান ফারুকদের মত কেউ মারা পড়লে সেটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে মেনে নেয়া হবেনা হত্যাকারী যেই হোক শিবিরের অমানুষ গুলোকে ধরে ধরে রিমান্ড আর জেলে পুরে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সোনার ছেলেদেরকে অস্ত্রেরগুদামজাত করার পরিবেশ তৈরী করে দেয়াতো আমাদেরই দায়িত্ব কর্তব্য ।
তবে শোন সাবধান করে দিচ্ছি, তোমরা যদি জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে দাবী করো তাইলে কিন্তু তোমরা জেলে যাবে , ইতিহাস আমরাই রচনা করি আর আমাদের কর্তৃত্বকালে সে ইতিহাস অমান্য করা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ কারন এ দেশের সবগুলো অর্জন আমাদের মত ভদ্রলোকদের অন্য কারো নয় এবং হতে পারেনা ।

এরা শিক্ষা ! দেয়ার জন্যই শিক্ষককে লাঞ্চিত করে,তাকে পংগু বানায়।
এ রকম অজুত নিযুত সম্ভাবনায় ভরপুর আমাদের তল্লাটের সভ্য মানুষদের মেধা আর মনন সুতরাং গুটিকয়েক বাক্য কিংবা শব্দে এদের সুকীর্তির ইতিহাস তুলে ধরা কোনরকমেই সম্ভব নয়।
আজ কাল আর একটা রেড সিগন্যাল ইথারে ভেসে বেড়াচ্ছে খুব করে, এ সমাজের বিরুদ্ধে কেউ কিছু লিখলে তারা নাকি ব্লাক লিস্টেড তালিকায় অধীভূক্ত হচ্ছে ,তাদের ষোল গোষ্ঠীর কপালে নাকি বঙ্গীয় ভূমির সরকারী চাকুরী জুটবেনা। কি আর করা তাই বলে তো সত্য প্রকাশে না করে কেউ ঘরে বসে বসে শুধু তাসবীহ জপবেনা যারা সত্য প্রকশে নির্ভীক তারা নিশ্চয় শেখ হাসিনা নয় বরং আল্লাহর কাছে রিযিকের দায়িত্ব ন্যস্ত করেই কালাতিপাত করেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪২
১৩টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×